'নজম্-উল-ওলামা' এর অর্থ কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 hours ago
উত্তরঃ

নজম্-উল-ওলামা' এর অর্থ হলো 'পণ্ডিতগণের তারকা' বা 'আলেমগণের নক্ষত্র' (আলেম সমাজের জ্যোতিষ্ক)।

Satt AI
Satt AI
8 hours ago
7

Related Question

View All
উত্তরঃ

"স্ত্রীদের বিদ্যার দৌড় সচরাচর 'বোধোদয়' পর্যন্ত!"—উক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, একসময় বাঙালি সমাজে নারীদের শিক্ষার পরিসর অত্যন্ত সীমিত ছিল। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বোধোদয়' ছিল একটি প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক, যা শিশুদের অক্ষর জ্ঞান ও সাধারণ নৈতিকতা শেখানোর জন্য ব্যবহৃত হতো। এই উক্তিটি নির্দেশ করে যে, অধিকাংশ নারীর শিক্ষা কেবল এই ধরনের প্রাথমিক বই পড়া পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল এবং তারা উচ্চতর বা গভীর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পেত না।

এই মন্তব্যের তাৎপর্য হলো, তৎকালীন সমাজে নারীর প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে চরম অবহেলা ও বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীদের কেবল গৃহস্থালির কাজে সীমাবদ্ধ রাখা হতো এবং উচ্চশিক্ষাকে তাদের জন্য অপ্রয়োজনীয় বা অনুপযুক্ত মনে করা হতো। ফলে নারীরা জ্ঞানচর্চা, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ এবং সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে পিছিয়ে পড়ত। বেগম রোকেয়ার মতো সমাজসংস্কারকরা এই অবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।

Satt AI
Satt AI
5 hours ago
3
উত্তরঃ

উদ্দীপকের খাঁচার পাখির সঙ্গে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারীদের প্রধান মিল হলো উভয়েরই পরাধীনতা, স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা হারানোর বৈশিষ্ট্য। উভয়েই তাদের প্রকৃত ক্ষমতা ও পরিচিতি ভুলে গিয়ে একটি সীমাবদ্ধ জীবনে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।

বেগম রোকেয়ার 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে তৎকালীন বাঙালি মুসলিম সমাজের নারীদের সামাজিক, পারিবারিক ও মানসিক পরাধীনতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সমাজ ও পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে নারীরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। তাদের জীবন স্বামী ও সংসারের সেবায় সীমিত ছিল, যার ফলে তারা নিজেদের সত্তা ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে পারতো না। এ কারণে তারা সমাজের একরকম "খাঁচায় বন্দি" জীবনযাপন করতো।

উদ্দীপকের খাঁচার পাখিটি সোনার খাঁচায় বন্দি থেকে যেমন নিজের ডানার শক্তি ভুলে গেছে, বাহিরের নীল আকাশ বা আলোর তেজ দেখেনি এবং মিছে গয়নার রেশ দিয়ে নিজেকে সাজিয়েছে, তেমনি 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারীরাও সমাজের অদৃশ্য খাঁচায় আবদ্ধ হয়ে নিজেদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে পারেনি। তারা বাইরের জগত সম্পর্কে ছিল অনভিজ্ঞ এবং পুরুষের উপর নির্ভরশীল হয়ে কৃত্রিম জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল। তাই খাঁচার পাখির মতো মুক্তি না পেলে তাদের জীবনও অর্থহীন ও সীমাবদ্ধ থেকে যায়, যা উভয়ের পরাধীন জীবনের এক সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি।

Satt AI
Satt AI
5 hours ago
2
উত্তরঃ

উদ্দীপকে একটি খাঁচাবন্দি পাখির আর্তনাদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। এখানে কবি পাখির মুক্তির জন্য যে ব্যাকুলতা দেখিয়েছেন, তা 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধের নারী জাগরণের মূল চেতনার যথার্থ প্রতিচ্ছবি। এই মন্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক ও যৌক্তিক।

উদ্দীপকের পাখিটি সোনার খাঁচায় বন্দি, বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। সে তার ডানা মেলতে ভুলে গেছে, আকাশ বা সূর্যের তেজ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। মিছে গয়নার রেশ দিয়ে সে নিজেকে সাজিয়ে তুষ্ট থাকতে চাইছে। কিন্তু কবির গভীর উপলব্ধি হলো, এই পাখি মুক্ত না হলে আকাশ শূন্য থাকবে, জীবনের গান পরিপূর্ণ হবে না। এই খাঁচাবন্দি পাখি মূলত সমাজের তথাকথিত সুবর্ণ খাঁচায় বন্দি নারীদের প্রতীক। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ তাদের বাইরে যেতে দেয় না, জ্ঞানার্জন ও আত্মপ্রকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখে। ফলে তারা নিজেদের শক্তি ও সম্ভাবনার কথা ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র গৃহবন্দি জীবনকে মেনে নেয়, অলংকার আর সৌন্দর্যচর্চাকেই জীবনের লক্ষ্য মনে করে। উদ্দীপকের কবির আকাঙ্ক্ষা তাই এই প্রতীকী খাঁচা থেকে নারীর মুক্তি।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে নারী সমাজের এই বঞ্চনা ও অবদমনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। রোকেয়া অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে দেখিয়েছেন যে, পুরুষরা নারীকে তাদের সম্পত্তির মতো বন্দি করে রেখেছে, তাদের অর্ধাঙ্গী হওয়া সত্ত্বেও অর্ধেক অধিকার বা সুযোগ দেয় না। তারা নারীকে অজ্ঞ ও পরনির্ভরশীল রেখে নিজেদের সুবিধা বজায় রাখতে চায়। রোকেয়া আহ্বান জানিয়েছেন, এই বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে এসে নারীকে নিজেদের 'ডানা মেলতে' হবে, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে হবে এবং নিজেদের ন্যায্য অধিকার বুঝে নিতে হবে। উদ্দীপকের কবির পাখির মুক্তির আকুলতা ঠিক যেন রোকেয়ার এই নারী জাগরণের আন্দোলনেরই কাব্যিক রূপ। খাঁচা থেকে পাখির মুক্তি যেমন তার স্বাভাবিক অধিকার ও আত্মপ্রকাশের পথ খুলে দেবে, তেমনি সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন থেকে নারীর মুক্তিও তাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দেবে।

অতএব, বলা যায়, উদ্দীপকে কবির পাখিকে খাঁচা থেকে মুক্ত করার প্রবল ইচ্ছার মধ্য দিয়ে 'অর্ধাঙ্গী' প্রবন্ধে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নারী জাগরণের যে মূল চেতনা, তা অত্যন্ত সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই বন্দিদশা থেকে মুক্তির আকুলতা এবং আত্ম-বিকাশের মাধ্যমে জীবনের পূর্ণতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা প্রধান। তাই মন্তব্যটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
5 hours ago
2
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews