উত্তরঃ

শহরের পথে থরে থরে বরকতের মতো ভাষা শহীদদের রক্ত ফুটেছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

'সালামের মুখে আজ তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা' উক্তিটির মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদ সালামের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাঙালির নবচেতনা ও স্বতন্ত্র জাতিসত্তার উন্মেষকে বোঝানো হয়েছে। ভাষা আন্দোলনের শহীদেরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন এবং একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্ন বুনেছিলেন, যার ফলে পরাধীন পূর্ববাংলা যেন নতুন করে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল।

এই উক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, সালামের মতো অগণিত ভাষাসৈনিকের আত্মবলিদান বৃথা যায়নি। তাদের এই সর্বোচ্চ ত্যাগের ফলেই তৎকালীন পরাধীন পূর্ব বাংলার মানুষ নিজেদের অধিকার ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি সচেতন হয়ে ওঠে। তাদের আত্মত্যাগই শোষণমুক্ত, স্বাধীন ও সবুজ-শ্যামল এক বাংলাদেশের স্বপ্নকে বেগবান করেছিল, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা আন্দোলনের পথ সুগম করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটিতে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের শহিদদের রক্তদান ও আত্মত্যাগের প্রসঙ্গটি প্রকাশ পেয়েছে।

'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি শামসুর রাহমান বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারির শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেছেন, যা বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপন করেছিল। উদ্দীপকের পঙক্তিগুলো "ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ / দুপুর বেলার অক্ত / বৃষ্টি ঝরে, বৃষ্টি কোথায় / বরকতেরই রক্ত" সরাসরি সেই রক্তদানের বেদনাবিধুর ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিকেই তুলে ধরে, যেখানে বরকতসহ অনেক শহিদ প্রাণ দিয়েছিলেন।

কবিতার মূল বার্তা হলো, বায়ান্নোর সেই আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি, বরং তা বাঙালি জাতির স্বাধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের প্রতিটি ধাপে, বিশেষত ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে, অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। উদ্দীপকের 'বরকতেরই রক্ত' সেই ঐতিহ্যেরই ধারক ও বাহক, যা বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদের শক্তি জুগিয়েছে এবং চূড়ান্ত স্বাধীনতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করেছে। এটি ৫২-এর চেতনার ৬৯-এ ব্যাপ্তি ঘটানোর স্মারক হিসেবেই কবিতায় উপস্থাপিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

কবি শামসুর রাহমান রচিত "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতাটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের রক্তস্নাত ইতিহাসকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি কবিতার এই গভীর তাৎপর্যকে একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানায়।

উদ্দীপকে প্রদত্ত পঙক্তিগুলো হলো— "ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ / দুপুর বেলার অক্ত / বৃষ্টি ঝরে, বৃষ্টি কোথায় / বরকতেরই রক্ত।" এই পঙক্তিগুলো সরাসরি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির সেই মর্মান্তিক মুহূর্তকে নির্দেশ করে, যখন মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় বাঙালি তরুণরা জীবন উৎসর্গ করেছিল। বরকতের রক্তকে বৃষ্টির সাথে তুলনা করার মধ্য দিয়ে সেই দিনের ভয়াবহতা, আত্মত্যাগ এবং মাটির সাথে মিশে যাওয়া শহীদের রক্তের চিরন্তন প্রভাব অত্যন্ত বেদনাবিধুরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এটি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ বরকতের আত্মদানকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

যদিও উদ্দীপকের এই অংশটি "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতার একটি অবিচ্ছেদ্য ও অত্যন্ত শক্তিশালী পঙক্তিসমূহ, এটি সমগ্র কবিতার একটি খণ্ডচিত্র বা প্রতিচ্ছবি মাত্র। কবিতাটি কেবল ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকেই ধারণ করে না, বরং এর ব্যাপকতা আরও বিস্তৃত। এটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদ, মতিউরসহ আরও অনেক শহীদের আত্মত্যাগের মহিমাকে ১৯৫২ সালের ঘটনার পরম্পরা হিসেবে উপস্থাপন করে। কবি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে দুটি ভিন্ন সময়ের আত্মত্যাগকে একীভূত করে একটি অবিচ্ছিন্ন আন্দোলনের ধারাকে ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে একুশের চেতনা পরবর্তী সকল গণআন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। উদ্দীপকে শুধুমাত্র ১৯৫২ সালের একটি নির্দিষ্ট মুহূর্তকে কেন্দ্র করে বরকতের আত্মত্যাগকে প্রতীকীভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা কবিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের একটি অংশ মাত্র।

সুতরাং, উদ্দীপকের উল্লিখিত পঙক্তিগুলো নিঃসন্দেহে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের এক মর্মস্পর্শী চিত্র, যা "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতার মর্মমূলে প্রোথিত। তবে এটি সমগ্র কবিতার মূল সুর, যা ১৯৫২ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরে, তার একটি অংশবিশেষ বা খণ্ডচিত্র হিসেবেই বিবেচিত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ করতলে উদ্যত বৈঠা ছিল।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত মানুষ এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় বর্ণিত পূর্বপুরুষ উভয়েই শ্রমজীবী, সৃজনশীল ও উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠীর প্রতীক, যারা সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তাদের নিরন্তর শ্রম ও অবদানই মানব সমাজের অগ্রগতি ও বিকাশের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

উদ্দীপকে 'কারখানার রাজা, লাঙ্গলের নাবিক, উত্তাল ঢেউয়ের শাসক উদ্যত বৈঠাহাতে মাল্লাদল, এবং কামার কুমোর তাঁতি'—এইসব মানুষের কথা বলা হয়েছে। এরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রমী, যারা উৎপাদন ও সেবামূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, দক্ষতার সাথে কাজ করে সমাজের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে এবং সভ্যতাকে সচল রাখে। তাদের 'মেহনতের প্রভু' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, যা তাদের শ্রমের মর্যাদা ও অপরিহার্যতাকে বোঝায়।

'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আমাদের পূর্বপুরুষদের শ্রম ও সৃষ্টির মহিমাকে তুলে ধরেছেন। কবিতার পূর্বপুরুষরা ছিলেন সেই সব মানুষ যারা লাঙল দিয়ে মাটি চষেছে, ফসল ফলিয়েছে, ঘর নির্মাণ করেছে, শিল্প সৃষ্টি করেছে এবং নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সংগ্রাম করেছে। উদ্দীপকের শ্রমজীবী মানুষগুলো সেই পূর্বপুরুষদেরই আধুনিক প্রতিচ্ছবি। উভয় ক্ষেত্রেই, শ্রম, সৃষ্টিশীলতা এবং জীবনের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা মানুষের কিংবদন্তি হয়ে ওঠার মূল কারণ। তাদের রক্ত ও ঘামেই সমাজের ধারা প্রবাহিত হয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জাতির অস্তিত্ব ও অগ্রগতির প্রাণস্বরূপ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

“উদ্দীপকটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলবক্তব্যেরই ধারক” - মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপকে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি যে সম্মান ও তাদের অবদানকে মহিমান্বিত করা হয়েছে, তা আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূল সুরের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। কবিতাটি শ্রম, ঐতিহ্য ও পূর্বপুরুষের অবদানকে স্মরণ করে মানবসভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের কথা বলে, যা উদ্দীপকের মূলভাবের সাথে একাত্ম।

উদ্দীপকের শুরুতেই 'কারখানার রাজা, লাঙ্গলের নাবিক, উত্তাল ঢেউয়ের শাসক উদ্যত বৈঠাহাতে মাল্লাদল, এবং কামার কুমোর তাঁতি'র মতো শ্রমজীবী মানুষদের কথা বলা হয়েছে। তাদের 'মেহনতের প্রভু' এবং 'আনুগত্যে শাণিত রক্তে ঢল হয়ে যায় বয়ে, তোমার শিরাময় সারা পথে পথে' বলে তাদের শ্রমের গুরুত্ব ও তাদের আত্মত্যাগকেই বোঝানো হয়েছে। এই শ্রমজীবী মানুষেরাই সভ্যতার কারিগর, তারাই সমাজ ও জাতির প্রাণশক্তি, যাদের অবদান ছাড়া কোনো সভ্যতা টিকে থাকতে পারে না। উদ্দীপকে এই মানুষগুলোর অপরিহার্য ভূমিকা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি বারবার শ্রমজীবী ও ঐতিহ্যের ধারক-বাহকদের কথা বলেছেন। এই কবিতা মানুষের মুখে ভাষা, হাতে লাঙল, জমিতে ফসলের বীজ বোনার মধ্য দিয়ে সভ্যতার উন্মোচন ও ক্রমবিকাশের কথা বলে। যারা নিরন্তর শ্রমে নিজেদের ও সমাজকে টিকিয়ে রেখেছে, কবি তাদেরই 'কিংবদন্তি' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, 'আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি। তাদের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল। তাদের পিঠে রক্তজবার মত ক্ষত ছিল।' এ কথাগুলো উদ্দীপকের 'মেহনতের প্রভু' ও 'শাণিত রক্তে ঢল হয়ে যায় বয়ে' পংক্তিগুলোর সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত, যা শ্রমিকের ত্যাগ ও সৃষ্টির মহিমাকে প্রতিষ্ঠা করে।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকটি প্রকৃতপক্ষে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূল সুরকে ধারণ করেছে। উভয়ক্ষেত্রেই শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা, তাদের নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং সভ্যতা বিনির্মাণে তাদের অনবদ্য অবদানকে তুলে ধরা হয়েছে। শ্রমের মাধ্যমে জীবনের জয়গান গাওয়া এবং ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতাই উদ্দীপক ও কবিতার মূলভিত্তি, যা তাদের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ককে নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ জীবনের আতিশয্যে দারুণ উগ্র সুখের প্রতি সাধ জাগলে বিরাট দুঃসাহসেরা উঁকি দেয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

''সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে''—এ উক্তিটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, সমাজের সকল প্রথাগত বাধা ও ভীরুতাকে অতিক্রম করে এক অদম্য উদ্দীপনা ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞার সাথে আত্মোৎসর্গ করা। এখানে 'শপথের কোলাহল' বলতে প্রবল অঙ্গীকার ও সম্মিলিত প্রতিজ্ঞার ধ্বনিকে বোঝানো হয়েছে, যা প্রচলিত নিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ইঙ্গিত দেয়।

কবি এ পংক্তির মাধ্যমে আত্মাকে কোনো মহৎ উদ্দেশ্য বা বিদ্রোহের মন্ত্রে দীক্ষিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এটি ব্যক্তিজীবনের ক্ষুদ্র স্বার্থপরতা পরিহার করে বৃহত্তর মানবগোষ্ঠীর মুক্তির জন্য বা কোনো আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বস্ব ত্যাগের মানসিকতাকে নির্দেশ করে। এই উক্তির মধ্য দিয়ে আপসহীন সংগ্রাম ও দৃঢ় অঙ্গীকারের ভাব প্রকাশ পেয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
536

আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ 

স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, 

আঠারো বছর বয়সেই অহরহ 

বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি ।

[ আঠারো বছর বয়সের নেই ভয় 

পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা, 

এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়- 

আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা ।

এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য 

বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে, 

প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য 

সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে ।

(আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর) * 

তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা, 

এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর

 এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা ।

আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার 

পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,

 দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার

 ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ । 

আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে 

অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো, 

এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে 

এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো 

তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি, 

এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে, 

বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী 

এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে । 

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয় 

পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে, 

এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়— 

দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে ৷৷

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews