গঠন অনুসারে শব্দের প্রকারভেদ লিখুন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে। এগুলো হলোঃ
০১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগঃ মৌলিক এবং সাধিত ।
০২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগঃ যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় 
০৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগঃ তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি

319

শব্দ :

অর্থ হলো শব্দের প্রাণ। এক বা তার অধিক ধ্বনির সমন্বয়ে যদি কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় তবে তাকে শব্দ বলে।

শব্দের উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়: ক্+অ+ল+অ+ম্ = ধ্বনি। এ ধ্বনি পাঁচটির মিলিত রূপ হলো 'কলম'। 'কলম' এমন একটি বস্তুকে বোঝাচ্ছে, যা দিয়ে লেখা যায়। 'কলম'- 'ক', 'ল', 'ম' ধ্বনিসমষ্টির মিলিত রূপ, যা অর্থপূর্ণ। সুতরাং 'কলম' একটি শব্দ।

এ রকম : আমি, বাজার, যাই ইত্যাদিও শব্দ। এগুলোর আলাদা আলাদা অর্থ আছে। কিন্তু এ রকম আলাদা আলাদা শব্দ মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারে না। তাই অর্থপূর্ণ শব্দ জুড়ে জুড়ে মানুষ তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে থাকে।

যেমন - "আমি বাজারে যাই।" এটি একটি বাক্য। এখানে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পেয়েছে

অন্য একটি উদাহরণ হিসেবে বললে বাক্যের মধ্যে কতকগুলি শব্দ থাকে। যেমন - 'গাছে অনেক ফুল ফুটেছে'; এখানে- গাছে , অনেক, ফুল ও ফুটেছে , এখানে এই চারটি শব্দ।

বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে।

১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) মৌলিক ও (খ) সাধিত

২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) যৌগিক, (খ) রূঢ়ি এবং (গ) যোগরূঢ়

৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) তৎসম, (খ) অর্ধ-তৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) দেশি ও (ঙ) বিদেশি ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

গঠনভেদে শব্দ ২ প্রকার। এ দুটি হলোঃ মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। উল্লেখ্য, অর্থমূলক শ্রেণিভেদে ৩ প্রকার। এই ৩টি হলোঃ যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়। উৎসমূলক শ্রেণিভেদে ৫ প্রকার । এগুলো হলোঃ তৎসম, অর্ধ-তত্মম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশ ।

399
উত্তরঃ

শব্দ গঠন: পৃথিবীর অন্যান্য ভাষার মতো বাংলা ভাষায়ও কতকগুলো সুনির্দিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়। এই শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াও যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়। বৈচিত্র্যময় শব্দ তৈরির এই প্রক্রিয়াসমূকেই সাধারণভাবে শব্দ গঠন বলা যেতে পারে। নিচে বাংলা ভাষায় শব্দগঠনের উল্লেখযোগ্য ৫টি প্রক্রিয়া উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো-

১. সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠন: এই প্রক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদ একপদে পরিণত হয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন: মহৎ যে জন = মহাজন, জায়া ও পতি = দম্পতি ইত্যাদি।

২. উপসর্গযোগে শব্দ গঠন: এ ক্ষেত্রে ধাতু বা শব্দের পূর্বে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন: প্র+হার=প্রহার, পরা+জয়-পরাজয় ইত্যাদি।

৩. সন্ধির সাহায্যে শব্দ গঠন: পাশাপাশি দুটি বর্ণের একত্রীকরণের ফলে এই প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, পর + উপকার = পরোপকার ইত্যাদি।

৪. প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠন: ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করেও নতুন নতুন শব্দ গঠন করা যায়। যেমন: 

ক) কৃৎ প্রত্যয় যোগে: পড় + আ=পড়া, পঠ + অক পাঠক ইত্যাদি। 

খ) তদ্ধিত প্রত্যয়যোগেঃ কলম দানি= কলমদানি, নাম + তা = নামতা ইত্যাদি। 

৫. বিভক্তির সাহায্যে শব্দ গঠন: শব্দের শেষে বিভক্তি যোগ করেও নতুন শব্দ গঠন করা যায়। যেমন: কর + এ= করে, রহিম + এর = রহিমের ইত্যাদি।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
17.2k
উত্তরঃ

শব্দ: এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে কোনো অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শব্দ বলে।

267
উত্তরঃ

শব্দ গঠন বা সাধিত শব্দ গঠন: 

যে যে উপায়ে বা পদ্ধতিতে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব উপায় বা পদ্ধতিকে বলা হয় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া। বিভিন্ন উপায়ে বা প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠিত হয়। উপায়গুলো নিম্নরূপ:

ক. উপসর্গযোগে শব্দ গঠন: শব্দের শুরুতে উপসর্গ বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: আ + হার = আহার, প্র + হার = প্রহার, বি + হার = বিহার, অনা + হার = অনাহার ইত্যাদি।

খ. সন্ধিযোগে শব্দ গঠন: পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। দুটি বর্ণ বা ধ্বনি মিলে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, সু + আগত = স্বাগত, দেব+ ঋষি = দেবর্ষি ইত্যাদি।

গ. প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন: প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: ডুব্‌ + অন্ত ডুবন্ত, ইতর + আমি = ইতরামি ইত্যাদি।

ঘ. সমাসযোগে শব্দ গঠন: পরস্পর অর্থ সংগতি বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক পদ একপদে পরিণত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: নীল যে আকাশ = নীলাকাশ, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।

ঙ. শব্দ দ্বৈত বা দ্বিরুক্তি যোগে শব্দ গঠন: একই শব্দ দুইবার ব্যবহার করে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে। যেমন: জ্বর জ্বর, কালো কালো ইত্যাদি।

চ. পদাশ্রিত নির্দেশক যোগে শব্দ গঠন: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি, টুকু, টে, গুলা, গুলো, গুলিন, টুকুন, কেতা, পাটি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যোগে নতুন শব্দ গঠন করা যায়। যেমন: কলম + টি = কলমটি, দুধ + টুকু = দুধটুকু, আম + গুলো = আমগুলো ইত্যাদি।

ছ. পদ পরিবর্তন করে শব্দ গঠন: অনেক সময় পদ পরিবর্তন করে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: সুন্দর > সৌন্দর্য, লবণ> লাবণ্য, মানব > মানবিক, মধুর মাধুর্য, লোক > লৌকিক ইত্যাদি।

জ. বিভক্তি যোগে শব্দ গঠন: বিভক্তি যোগ করে নতুন নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: কলম এ কলমে, খাতায় খাতায়, মানুষ + এর = মানুষের ইত্যাদি।

ঝ. বহুবচনের মাধ্যমে শব্দ গঠন: বহুবচনবাচক শব্দযোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়। যেমন: গ্রন্থ আবলি = গ্রন্থাবলি, পাখি সব পাখিসব ইত্যাদি।

ঞ. বাক্য সংকোচনের মাধ্যমে শব্দ গঠন: যেমন লাভ করার ইচ্ছা = লিপ্সা, হনন করার ইচ্ছা = জিঘাংসা, খ (আকাশে) তে চড়ে যে = খেচর ইত্যাদি।

1.1k
উত্তরঃ

বাংলা ভাষার শব্দসম্ভারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: গঠনমূলক, অর্থমূলক, উৎসমূলক।

115
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews