‘ধ্বনি'র সাধারণ অর্থ যেকোনো ধরনের আওয়াজ'। কিন্তু ব্যাকরণ ও ভাষাতত্ত্বের পারিভাষিক অর্থে মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ধ্বনি দু-প্রকার । যথাঃ স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি ।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে। এগুলো হলোঃ
০১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগঃ মৌলিক এবং সাধিত ।
০২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগঃ যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়
০৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগঃ তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি
সতীর্থ = সমান তীর্থ যাদের (বহুব্রীহি সমাস)।
শিক্ষামন্ত্রী = শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়)।
প্রগতি = প্র (প্রকৃষ্ট) গতি (প্রাদি সমাস)।
মুখ্য = গৌণ,
ঋজু = বক্র,
সুজন = দুর্জন ।
পূর্নর্জাগরন = পুনর্জাগরণ
নুন্যতম = ন্যূনতম
আইনজীবি = আইনজীবী ।
যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে = প্রত্যুৎপন্নমতি ।
যা প্রবাহিত হচ্ছে = প্রবাহমান ।
মৃত্তিকা দিয়ে নির্মিত = মৃন্ময়।
অসুর = দৈত্য দানব (ছোটবেলায় অসুরের গল্প শোনাতো আমার মা)।
কুজন = মন্দ লোক (কুজনের কথায় কান দিও না)।
কূজন = পাখির বাসা (কখনো কূজন ভেঙ্গো না) ।
কতক = কিছু; কেউ কেউ (কতক মানুষ সর্বদা অপরের গীবত করে)।
কথক = বক্তা; ব্যাখ্যাকারী (কথকের কথা যেন শেষ হতে চায় না) ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!