উত্তরঃ

‘ধ্বনি'র সাধারণ অর্থ যেকোনো ধরনের আওয়াজ'। কিন্তু ব্যাকরণ ও ভাষাতত্ত্বের পারিভাষিক অর্থে মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি আওয়াজকে ধ্বনি বলে। ধ্বনি দু-প্রকার । যথাঃ স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি ।

উত্তরঃ

বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে। এগুলো হলোঃ
০১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগঃ মৌলিক এবং সাধিত ।
০২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগঃ যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় 
০৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগঃ তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি

উত্তরঃ

সতীর্থ = সমান তীর্থ যাদের (বহুব্রীহি সমাস)। 

শিক্ষামন্ত্রী = শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়)। 

প্রগতি = প্র (প্রকৃষ্ট) গতি (প্রাদি সমাস)।

উত্তরঃ

মুখ্য = গৌণ, 

ঋজু = বক্র, 

সুজন = দুর্জন ।

উত্তরঃ

পূর্নর্জাগরন = পুনর্জাগরণ

নুন্যতম = ন্যূনতম

আইনজীবি  = আইনজীবী ।

উত্তরঃ

যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে = প্রত্যুৎপন্নমতি । 

উত্তরঃ

যা প্রবাহিত হচ্ছে = প্রবাহমান । 

উত্তরঃ

মৃত্তিকা দিয়ে নির্মিত = মৃন্ময়।

উত্তরঃ

অসুর = দৈত্য দানব (ছোটবেলায় অসুরের গল্প শোনাতো আমার মা)। 

কুজন = মন্দ লোক (কুজনের কথায় কান দিও না)। 

কূজন = পাখির বাসা (কখনো কূজন ভেঙ্গো না) ।

কতক = কিছু; কেউ কেউ (কতক মানুষ সর্বদা অপরের গীবত করে)।

কথক = বক্তা; ব্যাখ্যাকারী (কথকের কথা যেন শেষ হতে চায় না) ।

215

শব্দ :

অর্থ হলো শব্দের প্রাণ। এক বা তার অধিক ধ্বনির সমন্বয়ে যদি কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় তবে তাকে শব্দ বলে।

শব্দের উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়: ক্+অ+ল+অ+ম্ = ধ্বনি। এ ধ্বনি পাঁচটির মিলিত রূপ হলো 'কলম'। 'কলম' এমন একটি বস্তুকে বোঝাচ্ছে, যা দিয়ে লেখা যায়। 'কলম'- 'ক', 'ল', 'ম' ধ্বনিসমষ্টির মিলিত রূপ, যা অর্থপূর্ণ। সুতরাং 'কলম' একটি শব্দ।

এ রকম : আমি, বাজার, যাই ইত্যাদিও শব্দ। এগুলোর আলাদা আলাদা অর্থ আছে। কিন্তু এ রকম আলাদা আলাদা শব্দ মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করতে পারে না। তাই অর্থপূর্ণ শব্দ জুড়ে জুড়ে মানুষ তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে থাকে।

যেমন - "আমি বাজারে যাই।" এটি একটি বাক্য। এখানে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পেয়েছে

অন্য একটি উদাহরণ হিসেবে বললে বাক্যের মধ্যে কতকগুলি শব্দ থাকে। যেমন - 'গাছে অনেক ফুল ফুটেছে'; এখানে- গাছে , অনেক, ফুল ও ফুটেছে , এখানে এই চারটি শব্দ।

বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হতে পারে।

১. গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) মৌলিক ও (খ) সাধিত

২. অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) যৌগিক, (খ) রূঢ়ি এবং (গ) যোগরূঢ়

৩. উৎসমূলক শ্রেণিবিভাগ : (ক) তৎসম, (খ) অর্ধ-তৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) দেশি ও (ঙ) বিদেশি ।

Related Question

View All
উত্তরঃ অযৌক্তিক

বাংলা ব্যাকরণে 'এক কথায় প্রকাশ' বা 'বাক্য সংকোচন' হলো একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা, যা মূল অর্থকে অক্ষুণ্ণ রাখে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট করে তোলে।

প্রদত্ত বাক্য "যুক্তিসংগত নয়" বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যার পেছনে কোনো যুক্তি, কারণ বা ভিত্তি নেই, যা অযৌক্তিক বা অসমর্থনীয়। এই অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে হলে 'অযৌক্তিক' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এখানে 'অ' উপসর্গটি 'নয়' বা 'বিরুদ্ধ' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'যৌক্তিক' শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'যুক্তিসংগত নয়' ভাবটি সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (যেমন - বিসিএস, ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি) বাংলা ব্যাকরণের এই অংশটি প্রায়শই আসে। এটি ভাষার সঠিক ব্যবহার এবং শব্দভান্ডার যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিছু প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:

        
  • যা কষ্টে লাভ করা যায় – দুর্লভ
  •     
  • যা দমন করা যায় না – অদম্য
  •     
  • যা সহজে ভেঙে যায় – ভঙ্গুর
  •     
  • যার সীমা নেই – অসীম
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
565
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews