চিত্রটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের কর্ম হিসেবে পৃথিবীতে টিকে যাওয়ার প্রতীক হওয়ার কারণে 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতায় শাশ্বত মানবজীবনের দর্শন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কৃষক সোনার ধান ফলিয়েছেন এবং তা কেটে সোনার তরীতে ভরে দিয়েছেন। যখনই তিনি তরীতে উঠতে চাইলেন তখনই ঘোষিত হলো অমোঘ বাণী, 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'। অর্থাৎ কৃষকের কৃতিত্বকে মহাকাল ঠাঁই দিলেও কৃষকের ঠাঁই হয় না। তেমনি মানুষ নয় বরং তার কর্মই প্রধান।
উদ্দীপকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা বিখ্যাত ছবিগুলো থেকে নির্বাচিত একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। শিল্পীকে তাঁর এই মহৎ কর্ম বিবেচনায় ঠাঁই দিলেও ব্যক্তি জয়নুল আবেদিনের ঠাঁই হয়নি। ঠিক তেমনি 'সোনার তরী' কবিতায়ও হাড়ভাঙা পরিশ্রমে উৎপাদিত ফসল সোনার তরীতে স্থান পেলেও কৃষকের স্থান হয়নি। অর্থাৎ মানুষ নয়, মহাকালের কাছে কর্মই বিবেচ্য।
Related Question
View Allচিকনাই শব্দের অর্থ কী
ব্যান্জনার্থে
উত্তর চাই
একজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
'কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা'—কবির এমন অনুভূতির কারণ কী?
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
