জনাব আকরাম ভালো দেখে বাজার থেকে দুই কেজি আঙুর কিনলেন। বাড়িতে এসে দেখেন এর প্রায় চার ভাগের এক ভাগই পচা। কৌতূহলী হয়ে তিনি আঙুরগুলো মেপে দেখলেন তাতেও কম। জনাব আকরাম বাজারে গিয়ে দোকানিকে বললেন, তোমার এরূপ আচরণের পরিণতি কিন্তু শুভ নয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

আদল শব্দের শাব্দিক অর্থ ন্যায়বিচার বা ন্যায়পরায়ণতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

ইসলামি সমাজব্যবস্থা তাওহিদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। তাওহিদ মানে হচ্ছে আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করা। অর্থাৎ জন্ম, মৃত্যুসহ জীবনের প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর ফায়সালা বিনা দ্বিধায় মেনে নেয়া। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি স্তরে আল্লাহর বিধান মেনে চলা। সামাজিক রীতিনীতি ও আচার-আচরণে আল্লাহর হুকুম মেনে চলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

দোকানি যে কাজ করেছে তা ইসলামি শরিয়তের বিধানমতে অবৈধ এবং জঘন্য। এরূপ কাজ ইসলামে নিষিদ্ধ। প্রথমত, দোকানি পচা আঙুর দিয়েছে যা ইসলামে অবৈধ। কোন প্রকৃত ইমানদার ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্যের যাবতীয় দোষ-ত্রুটি ক্রেতাকে না জানিয়ে বিক্রি করতে পারে না। এই বিষয়ে মহানবি (স) বলেছেন- 'জেনে শুনে ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রি করা কারও জন্য বৈধ নয়, যতক্ষণ না ত্রুটির ব্যাপারে ক্রেতাকে অবহিত করা হয়। (বুখারি)

দ্বিতীয়ত, দোকানি ওজনে কম দিয়েছে। এ বিষয়েও ইসলাম কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করা ইসলাম সমর্থন করে না। এই মর্মে আল্লাহ বলেন, হে ইমানদারগণ! তোমরা একজনের সম্পদ অন্যজনে অন্যায়ভাবে খাবে না। কেবল পরস্পরের মধ্যকার সম্মতিক্রমে ব্যবসায় বৈধ। তোমরা একজনে অপরজনকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু। আর এ ধরনের কাজ এক প্রকারের চুরি। চুরি ইসলামে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। আর চুরির শাস্তি হাত কাটা। তাই বলা যায়, দোকানির এরূপ কাজ তথা ওজনে কম দেওয়া এবং ভালো দ্রব্য দেখিয়ে মন্দ দ্রব্য বিক্রি করা প্রতারণার শামিল, যা ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্য ও হারাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

দোকানি যেরূপ আচরণ করেছে তা ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এরূপ কাজের দুই ধরনের পরিণতি লক্ষ করা যায়। প্রথমত, পৃথিবীতে এরূপ কাজ করলে আইন মোতাবেক শাস্তিলাভ করতে হবে। আর অন্যদিক হলো মানুষ তথা ক্রেতা যখন বুঝবে যে বিক্রেতা খারাপ পণ্য দেয় এবং ওজনেও কম দেয় তখন ক্রেতারা ওই দোকানি থেকে কোনো কিছু ক্রয় করতে আসবে না। এতে সে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

দ্বিতীয়ত, শরিয়তের দৃষ্টিতে এই দোকানি শাস্তির সম্মুখীন হবে। আর আখিরাতেও তাকে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, 'যে প্রতারণা করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়' প্রতারণাকারী হলো মুনাফিক। তাই আমরা সবাই এ ধরনের অনাচার থেকে দূরে থাকব। এসব কাজ ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্য ও হারাম। সুতরাং বলা যায়, দোকানির উক্ত আচরণ তথা প্রতারণার পরিণতি হলো ইহকালীন মানুষের লাঞ্ছনা, আর্থিক ক্ষতি এবং পরকালীন ভয়াবহ শাস্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
192

Related Question

View All
উত্তরঃ

আল্লাহর একত্ববাদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে ও পরিচালিত হয় বলে ইসলামি সমাজব্যবস্থাকে তাওহিদভিত্তিক সমাজব্যবস্থা বলা হয়। তাওহিদ ইসলামি সমাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা, আইনপ্রণেতা এবং সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে অন্তরে বিশ্বাস ও মুখে স্বীকার করাকে তাওহিদ বলে। তাওহিদে বিশ্বাস ছাড়া কোনো ব্যক্তিই মুমিন বা মুসলমান হতে পারে না। তাই ইসলামি সমাজের সব কর্মকাণ্ড এ মৌলিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
318
উত্তরঃ

জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও শিক্ষা বিস্তারে মুসলমানদের অবদান অপরিসীম। আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা বিস্তারের মহৎ কাজটি রাসুল (স) তাঁর নিজ গৃহ থেকে সর্বপ্রথম শুরু করেন। তিনি হযরত আরকাম (রা) এর বাড়িতে 'দারুল আরকাম' নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। রাসুল (স) মদিনায় হিজরতের পর মসজিদে নববিকে উন্মুক্ত শিক্ষাকেন্দ্রে রূপ দেন। সাহাবিরাও শিক্ষা বিস্তারে বিরাট ভূমিকা রাখেন। আবু বকর (রা) কুরআন শরিফকে গ্রন্থাবদ্ধ করেন। উসমান (রা) কুরআন সংকলন করেন। উমর (রা) শিক্ষকদের সম্মানী নির্ধারণ করেন এবং শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে সাহাবিদের বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রেরণ করেছেন। উমর বিন আব্দুল আজিজ (রা)-এর সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে হাদিস সংকলন, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন, ফিকহ সম্পাদনা পরিষদ গঠন করা হয়। আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে 'বায়তুল হিকমাহ' নামে একটি বিজ্ঞানাগার তৈরি করেন।

ইবনে সিনা, আল রাযি, ইবনে রুশদ, ইবনে আব্বাস, ইমাম গাযযালি (র) অসামান্য অবদান রাখেন। গণিতশাস্ত্রে মুসলমানদের অবদান অবিস্মরণীয়। বীজগণিতের জনক মুসা আল খারিযমি। পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষা-বিস্তার এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় মুসলমানগণ অবদান রেখে গেছেন। তাদের দেখানো পথে বর্তমান বিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন গবেষণা ও অধ্যয়ন করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতি সাধন করছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
345
উত্তরঃ

বর্তমানে ইমামগণ জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও শিক্ষা বিস্তারের কাজে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত হতে পারেন। মক্তবে পাঠদান, জুমার উদ্দীপকে শিক্ষক পাঠদানকালে শিক্ষার্জনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করছিলেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) শিক্ষা অর্জনের যে তাগিদ দিয়েছেন তা উল্লেখ করেন এবং বর্তমান সময়ে এরই ধারবাহিকতায় মসজিদের ইমামগণও আল্লাহ ও রাসুল (স) এর মিশন বিভিন্নভাবে সমাজে পরিচালিত করতে পারে তার দিকেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

ইমামগণ শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মক্তব প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যা মসজিদে অথবা মসজিদের বাইরেও পরিচালিত হতে পারে। যেখানে ছোট ছোট শিশুরা কুরআন, হাদিস, আদব-আখলাক, হালাল-হারাম ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারে। তাছাড়া বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র বা গণবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে পারে। যার দ্বারা সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ হোক ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই শিক্ষা অর্জন করবে এবং নিরক্ষরতা দূর করবে। ইমাম সাহেব প্রতি শুক্রবার সমকালীন বিভিন্ন বিষয়ের ওপর খুতবায় আলোচনা করতে পারেন এবং কুরআন ও হাদিসের আলোকে সমস্যার সমাধান করতে পারেন। ইমামগণ সেমিনার সিম্পোজিয়াম, পত্র-পত্রিকা, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও এই মহান কাজটি করতে পারেন। এভাবে তারা মানুষকে সকল প্রকার অন্যায় কাজ থেকে যেমন বিরত রাখতে পারেন তেমনি শিক্ষা অর্জনে উৎসাহ প্রদান করে শিক্ষা বিস্তারে মূল্যবান ভূমিকা রাখতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
318
উত্তরঃ

মসজিদকে কেন্দ্র করে ইসলামি সমাজের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় একে ইসলামি সমাজের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয়। মসজিদকে কেন্দ্র করেই ইসলামি সমাজ গড়ে ওঠে ও পরিচালিত হয়। আল্লাহর ইবাদতের পাশাপাশি সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষকে ইমান-আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
520
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews