এসএমএস এর পূর্ণরূপ হলো Short Message Service. যার অর্থ সংক্ষিপ্ত বার্তা।
Laptop Computer হচ্ছে Desktop Computer-এর আদলে তৈরি, যা AC ব্যাটারিচালিত ব্যক্তিগত কম্পিউটারের সহজে বহনযোগ্য সংস্করণ যা ওজনে হালকা, বহনযোগ্য একটি Computer.
উদ্দীপকে মাহমুদুল হাসান একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। তার উদ্যোগে তার কর্মরত প্রতিষ্ঠানের এমডিকে বলে ডিজিটাল সরঞ্জাম কিনে এর সুফল সম্পর্কে সকলকে অভিহিত করেন। ফলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কাজের গতি এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের উদ্যোগের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান ক্রমশ উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমান যুগে ডিজিটাল সরঞ্জামের ব্যবহার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্যোগী হচ্ছে হাসানের মতো অনেক উদ্যোক্তা। তারা তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করছে বিভিন্ন উৎপাদন পদ্ধতি গড়ে তুলছে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠান। যার ছোঁয়া আমাদের দেশের মতো সকল উন্নয়নশীল দেশেও লেগেছে। এমনকি আমাদের দেশের কৃষি ব্যবস্থায় বর্তমানে ডিজিটাল সরঞ্জামের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়েছে। ফলে ক্রমশ। উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা আমাদের দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল ও। সমৃদ্ধ করেছে। সুতরাং উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য মাহমুদুল হাসানের মতো উদ্যোক্তাদের যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে।
বর্ণিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে বর্তমান বিশ্বের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে।
কারণ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পদ্ধতি অনেকাংশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশাসনিক ব্যয় হ্রাস পায় এবং কাজের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়। এ পদ্ধতিতে প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশাসনিক কাজকর্মগুলো মূলত প্রযুক্তিনির্ভর হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি অনলাইনে ও কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। তাছাড়া প্রশাসনিক নিয়মনীতিগুলো অনলাইনে সংরক্ষিত থাকে যা কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণমেনে চলতে বাধ্য। এতে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণ রাষ্ট্রীয় আইন ও সরকারি নিয়মনীতিগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই জানতে পারে। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ সহজে নিয়মের ব্যত্যয় করতে পারেন না। ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হয়। কারণ আসামি শনাক্তকরণ এবং আসামি গ্রেফতার ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ডিজিটাল পদ্ধতি সহায়তা করে। এছাড়াও প্রশাসনিক তথ্যগুলো ইন্টারনেট ও অনলাইনে সংরক্ষিত থাকে জনগণ খুব সহজেই প্রশাসন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কী হচ্ছে না হচ্ছে তা জানতে পারে। ফলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
Related Question
View All"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।
ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।
সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।
সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।
ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)
ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!