জনাব সেলিম সাহেব সরকার পরিচালনার একটি বিভাগের প্রধান। তিনি কর্তৃক নিয়োগ লাভ করেন। এই বিভাগের সদস্যগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন। তার বিভাগের কাছে রাষ্ট্রপতি কোনো আইনের ব্যাখ্যা চাইলে এ বিভাগ রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিয়ে থাকেন ।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

সচিবালয় হলো সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র, যেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে নীতি প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটি সরকারি কার্য পরিচালনার মূল ভিত্তি।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন। এটি একটি পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি, যেখানে সাধারণ জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন না।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। সাধারণত, সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত প্রার্থীই এই পদে নির্বাচিত হন, যা বাংলাদেশের সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের জনাব সেলিম সাহেব সরকারের বিচার বিভাগের প্রধান।

সরকারের যে বিভাগ আইন অনুযায়ী বিচার কাজ পরিচালনা করে তাকে বিচার বিভাগ বলে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, জেলা ও দায়রা আদালত এবং অন্যান্য অধস্তন আদালত নিয়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ গঠিত। সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত—আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। দেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। বিচারকগণ নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকেন এবং তাদের নিয়োগের পর কার্যকাল শেষ হওয়ার আগে সহজে অপসারণ করা যায় না।

উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব সেলিম সাহেব সরকার পরিচালনার একটি বিভাগের প্রধান হিসেবে বিচার বিভাগের বৈশিষ্ট্য ধারণ করেন। এই বিভাগের সদস্যগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন, যা বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকদের অবসর গ্রহণের বয়সের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এছাড়াও, তার বিভাগের কাছে রাষ্ট্রপতি কোনো আইনের ব্যাখ্যা চাইলে এ বিভাগ রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যা বিচার বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা এবং কাজের সাথে সম্পর্কিত। এসব বৈশিষ্ট্য বিচার বিভাগকেই নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব সেলিম সাহেব যে বিভাগের প্রধান, তা হলো বিচার বিভাগ। একটি রাষ্ট্রের সুশাসন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে বিচার বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এই বিভাগ সত্যিই অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

উদ্দীপকে বিচার বিভাগের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, এই বিভাগের সদস্যগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন। বিচারকদের এই দীর্ঘ এবং নির্দিষ্ট কর্মকাল তাদের বিচারিক স্বাধীনতা ও নির্ভীকতা নিশ্চিত করে, যা কোনো প্রকার চাপ বা প্রলোভন ছাড়াই নিরপেক্ষভাবে বিচার কার্য পরিচালনার জন্য অপরিহার্য। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতির আইনের ব্যাখ্যা চাওয়ার ক্ষমতা প্রমাণ করে যে বিচার বিভাগ সংবিধান ও আইনের চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারক হিসেবে কাজ করে, যা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি।

বিচার বিভাগ সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষক হিসেবে কাজ করে। এটি সংবিধানের ব্যাখ্যা করে, সংবিধানবিরোধী আইন বাতিল করে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। যখন কোনো নাগরিক তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়, তখন বিচার বিভাগ তাকে প্রতিকার প্রদান করে। এটি আইন প্রণয়নকারী ও শাসন বিভাগের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের বাড়াবাড়ি থেকে নাগরিকদের রক্ষা করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে। একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া আইনের শাসন বা গণতন্ত্র কার্যকর হতে পারে না।

পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের বর্ণিত বিচার বিভাগ রাষ্ট্র পরিচালনায় এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কার্যক্রম নাগরিকদের অধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সর্বোপরি ন্যায়বিচার সংরক্ষণে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর কার্যকারিতাই একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক সমাজের বুনিয়াদকে শক্তিশালী করে তোলে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
185

Related Question

View All
উত্তরঃ নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে একজন রাজা বা রানী থাকলেও তার ক্ষমতা সংবিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে এবং প্রকৃত শাসন ক্ষমতা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে থাকে।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

সমাজতন্ত্রে ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকার করা হয় না কারণ এটি সম্পদের সুষম বন্টন এবং অর্থনৈতিক সমতার পরিপন্থী। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে ব্যক্তি মালিকানার পরিবর্তে সমাজের সকল উৎপাদন উপায়ের (যেমন: জমি, কারখানা, মূলধন) মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের হাতে থাকে।

ব্যক্তিগত মালিকানা থাকলে সমাজে শ্রেণি বৈষম্য ও শোষণ তৈরি হয় বলে সমাজতন্ত্র বিশ্বাস করে। তাই সম্পদের কেন্দ্রীকরণ রোধ করে সকলের জন্য সমান সুযোগ ও সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত মালিকানার বিলোপ সাধন করা হয়, যেখানে উৎপাদন হয় সমাজের প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে, ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

'ক' ছকে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থাকে নির্দেশ করে।

রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান একই ব্যক্তি হন। রাষ্ট্রপতি একই সাথে রাষ্ট্রের প্রধান এবং সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই ব্যবস্থায় আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার সুস্পষ্ট পৃথকীকরণ থাকে এবং প্রতিটি বিভাগ নিজস্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে কাজ করে। এর ফলে সাধারণত মন্ত্রীসভা আইনসভার কাছে যৌথভাবে দায়ী থাকে না।

উদ্দীপকের 'ক' ছকের বৈশিষ্ট্যগুলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থার মৌলিক দিক। ছকে উল্লিখিত 'রাষ্ট্রপ্রধান প্রকৃত শাসক ও সরকারপ্রধান' বৈশিষ্ট্যটি রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার মূল পরিচয়, যেখানে রাষ্ট্রপতিই চূড়ান্ত ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অধিকারী হন। একইভাবে, 'ক্ষমতার পৃথকীকরণ হয়' দ্বারা আইন ও শাসন বিভাগের কার্যপরিধি ও স্বাধীনতার সুস্পষ্ট বিভাজনকে বোঝানো হয়েছে, যা রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ আইনসভার উপর নির্ভরশীল থাকে না। এছাড়াও, 'দলীয় মনোভাব কম থাকে' বৈশিষ্ট্যটিও এ ব্যবস্থার একটি দিক, যেখানে শাসন বিভাগের উপর আইনসভার দলীয় প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকে, ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধিক স্বাধীনতা থাকে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

ছক 'খ' এ বর্ণিত সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা বাংলাদেশে কার্যকর রয়েছে।

ছক 'খ' এ উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ যেমন - আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, আইনসভার সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হওয়া এবং নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতি বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র বিদ্যমান যেখানে রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীই সরকারপ্রধান ও প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, সরকারব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির। এখানে আইনসভা (জাতীয় সংসদ) সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী এবং এর সদস্যদের মধ্য থেকেই শাসন বিভাগ গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা এবং তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভাই রাষ্ট্রের প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে। ছক 'খ' এর বর্ণনা অনুযায়ী, আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান, কারণ মন্ত্রীরা আইনসভার সদস্য এবং তাদের কাজের জন্য আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। এই বৈশিষ্ট্যগুলো বাংলাদেশে কার্যকর সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়, যেখানে আইনসভা সকল ক্ষমতার উৎস।

সুতরাং, ছক 'খ'-এর বৈশিষ্ট্যগুলো বাংলাদেশের বর্তমান সংসদীয় সরকারব্যবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এই ব্যবস্থায় জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালিত হয় এবং সরকার তার কাজের জন্য আইনসভার কাছে জবাবদিহি করে, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
217
উত্তরঃ যে শাসনব্যবস্থায় একজন রাজা বা রানী রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন এবং তার ক্ষমতা কোনো সংবিধান বা আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে না, তাকে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র বলে।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের প্রধান কারণ হলো নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। এ ধরনের রাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে, প্রতিটি নাগরিকের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে এবং রাষ্ট্র এই অধিকার পূরণে বদ্ধপরিকর।

মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের দারিদ্র্যমুক্ত, স্বাস্থ্যবান ও শিক্ষিত করে গড়ে তোলে, যা জাতীয় উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। এর ফলে সমাজে বৈষম্য কমে আসে এবং নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাশীল হয়ে দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

মিজান সাহেবের বসবাসরত দেশ কানাডাতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থা হলো এমন একটি শাসন ব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সংবিধান দ্বারা বন্টন করে দেওয়া হয়। উভয় সরকারই তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে। সাধারণত বৃহৎ আয়তন, জাতিগত বৈচিত্র্যপূর্ণ ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত দেশগুলোতে এই ধরনের সরকারব্যবস্থা দেখা যায়, যেখানে কেন্দ্রের পাশাপাশি আঞ্চলিক বিষয়গুলোর প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উদ্দীপকে মিজান সাহেবের বসবাসরত দেশ কানাডার সরকারব্যবস্থার যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কানাডায় প্রদেশগুলোর মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দেওয়া হয়, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। এছাড়া, উদ্দীপকে এই সরকারব্যবস্থাটিকে ব্যয়বহুল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে, যা একাধিক সরকার কাঠামো ও প্রশাসনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার একটি প্রায়শই পরিলক্ষিত দিক।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রাইসা জাপানে গিয়ে যে সরকার ব্যবস্থা দেখতে পায়, তা হলো এককেন্দ্রিক সরকার। অন্যদিকে তার চাচা মিজান সাহেব কানাডায় যে সরকার ব্যবস্থা দেখতে পান, তা হলো যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা অধিক কার্যকর।

রাইসা জাপানে দেখে যে সেখানকার সরকার কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয় এবং এর কোনো আলাদা অস্তিত্ব নেই। এটি এককেন্দ্রিক সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এ ধরনের সরকার ব্যবস্থায় সাধারণত একটি কেন্দ্রীয় সরকার থাকে এবং সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। বাংলাদেশের আয়তন ছোট, এখানে জাতিগত ও ভাষাগত বৈচিত্র্য খুব বেশি নেই এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন হয়। এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন দ্রুত হয় এবং প্রশাসনিক ব্যয়ও কম হয়। এটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

অন্যদিকে, রাইসার চাচা মিজান সাহেব কানাডায় যে সরকার ব্যবস্থা দেখেন, তা হলো যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার। এখানে ক্ষমতা প্রদেশগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় এবং এটি ব্যয়বহুল। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা বড় আয়তনের এবং বহু জাতি, ধর্ম ও ভাষার মানুষের বসবাসকারী দেশের জন্য অধিক উপযোগী, যেখানে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ আবশ্যক হয়। যেহেতু বাংলাদেশের ভৌগোলিক আকার ছোট এবং জনগণের মধ্যে তেমন জাতিগত ও ভাষাগত বৈচিত্র্য নেই, তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের মতো ব্যয়বহুল ও ক্ষমতা বন্টনের জটিল ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই। বরং এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থাই এখানে অধিকতর দক্ষতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ব্যবস্থাও এককেন্দ্রিক। দেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই এই ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে এবং এটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই উদ্দীপকে বর্ণিত সরকার ব্যবস্থা দুটির মধ্যে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থাই বাংলাদেশের জন্য অধিক কার্যকর ও উপযোগী।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
203
উত্তরঃ গণতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং জনগণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাসক নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কার্যপরিচালনায় অংশগ্রহণ করে। এটি জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, জনগণের শাসন।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার দুর্বল সরকার হিসেবে বিবেচিত হওয়ার প্রধান কারণ হলো, এতে ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারগুলোর মধ্যে সাংবিধানিকভাবে বিভক্ত থাকে। এই ক্ষমতার বিভাজন অনেক সময় নীতি নির্ধারণ, আইন প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ধীরগতি এবং জটিলতা সৃষ্টি করে।

যেহেতু উভয় স্তরের সরকারের নিজস্ব স্বতন্ত্র কর্মপরিধি ও এখতিয়ার থাকে, তাই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উভয় স্তরের সরকারের মধ্যে সমন্বয় ও সমঝোতার প্রয়োজন হয়। এই সমন্বয়ের অভাব বা মতবিরোধের ফলে প্রশাসনিক কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের একটি কাঠামোগত দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রাপ্তির দেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালু আছে। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত আইনসভার আস্থাভাজন ব্যক্তি বা দল সরকার গঠন করে এবং তাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকারপ্রধান হন।

প্রাপ্তির দেশের বর্ণনা সংসদীয় সরকারব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যগুলোকে প্রতিফলিত করে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে, 'তার দেশে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।' এটি সংসদীয় ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। এছাড়াও, 'নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি আসনে জয়লাভকারী দল সরকার গঠন করেন এবং দলনেতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন' – এই বিষয়টি সংসদীয় পদ্ধতির সুস্পষ্ট নির্দেশক। যেখানে প্রধানমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রিসভা প্রকৃত শাসনক্ষমতার অধিকারী হন এবং আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকে, যা উদ্দীপকে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভা তাদের নীতি ও কাজের জন্য আইনসভার কাছে যৌথভাবে দায়ী থাকে। আইনসভা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে মন্ত্রিসভাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, আবার প্রধানমন্ত্রীও প্রয়োজনে আইনসভা ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারেন। এই পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই সংসদীয় সরকারের প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা প্রাপ্তির দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বিদ্যমান।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মন্ত্রিপরিষদ-শাসিত সরকার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং শাসন বিভাগ তার কাজের জন্য আইন বিভাগের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। সরকার প্রধান (প্রধানমন্ত্রী) ও তার মন্ত্রিসভা প্রকৃত শাসনক্ষমতার অধিকারী হন। বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এই মন্ত্রিপরিষদ-শাসিত পদ্ধতির অনুরূপ।

বাংলাদেশের সংবিধানে মন্ত্রিপরিষদ-শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো যেমন - নির্দিষ্ট সময় পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সরকার গঠন, দলনেতার প্রধানমন্ত্রী হওয়া, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন, মন্ত্রিসভার প্রকৃত শাসনক্ষমতার অধিকারী হওয়া এবং আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক - সবই বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ ব্যবস্থায় জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সংসদ আইন প্রণয়ন করে এবং শাসন বিভাগ সেই আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও জনবহুল দেশের জন্য মন্ত্রিপরিষদ-শাসিত সরকার ব্যবস্থা অত্যন্ত উপযোগী। এর প্রধান কারণ হলো, এ ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ আইন বিভাগের কাছে সম্পূর্ণরূপে দায়বদ্ধ থাকে, যা সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। আইনসভার সদস্যরা সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও প্রশ্ন উত্থাপন করে সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখতে পারে। এতে জনগণের স্বার্থ রক্ষা হয় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়। এছাড়া, এ ব্যবস্থায় দ্রুত আইন প্রণয়ন ও নীতি গ্রহণ সম্ভব হয়, কারণ আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা থাকে। দুর্যোগ মোকাবিলা বা জরুরি নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে এই দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা দেশের জন্য ফলপ্রসূ।

তবে, এই ব্যবস্থার কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকতে পারে, যেমন - আইনসভা ও শাসন বিভাগের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে, যা উন্নয়নকে ব্যাহত করে। তা সত্ত্বেও, বাংলাদেশের মতো গণতান্ত্রিক দেশের জন্য মন্ত্রিপরিষদ-শাসিত সরকার ব্যবস্থা অধিকতর উপযোগী। এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনমতের প্রতিফলন ঘটায় এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। সুষ্ঠু নির্বাচন, শক্তিশালী বিরোধী দল ও কার্যকর সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে পারলে এই ব্যবস্থা দেশের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
205
উত্তরঃ

মৌলিক গণতন্ত্র হলো ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান কর্তৃক প্রবর্তিত একটি পরোক্ষ নির্বাচনভিত্তিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পাকিস্তানি সরকারের ঘোষণার বিরুদ্ধে এবং বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভাষার প্রশ্নে বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে ছাত্রসমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলে। বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য এই পরিষদ গঠিত হয়, যা ভাষা আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব প্রদান করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

সোহেল মুক্তিযুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর (Mukti Bahini) সদস্য ছিলেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছিল মুক্তি বাহিনী। বাঙালি সামরিক ও বেসামরিক জনগণের সমন্বয়ে গঠিত এই বাহিনী দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত ছিল – নিয়মিত বাহিনী এবং গণবাহিনী (গেরিলা বাহিনী)। উদ্দীপকে সোহেল যেমন একটি বাহিনীর অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়ে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, তেমনি হাজার হাজার বাঙালি তরুণ ও যুবক মুক্তি বাহিনীতে যোগদান করে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিল।

উদ্দীপকের সোহেলের মতো সাধারণ মানুষেরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। কারখানার সহকর্মীদের যুদ্ধে যোগদানের অনুপ্রেরণায় সোহেল বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং মুক্তি বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন। স্বাধীনতা অর্জনে এই মুক্তি বাহিনীর অসামান্য অবদান ছিল এবং সোহেলের পা হারানোর ঘটনা তাদের আত্মত্যাগের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

সোহেল ও তার সঙ্গীরা ছিলেন এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, কারণ তারা নিজেদের জীবন ও ব্যক্তিগত সুখ-শান্তিকে তুচ্ছ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য যুদ্ধ করেছেন। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্য তাদের এই আত্মত্যাগ ছিল অতুলনীয় ও বিরল দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত।

উদ্দীপকের সোহেল একটি সাধারণ কারখানার কর্মী হয়েও যখন দেখেছেন তার সহকর্মীরা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিচ্ছেন, তখন তিনি অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রশিক্ষণের পর সরাসরি রণাঙ্গনে গিয়ে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি তার একটি পা হারিয়েছেন। যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হলেও সোহেল তার হারানো চাকরি এবং পরিবারের স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি। এই ব্যক্তিগত ক্ষতি সত্ত্বেও দেশের মুক্তির জন্য তার যে অবিচল সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ, তা তাকে ও তার মতো হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানের আসনে বসিয়েছে।

সোহেল ও তার সঙ্গীরা শুধুমাত্র অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেননি, তারা বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তাদের বীরত্ব, সাহস এবং আত্মোৎসর্গই আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। তারা দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যা অন্য কোনো কিছুর বিনিময়ে পরিমাপ করা যায় না। তাদের নিঃস্বার্থ সংগ্রাম ও জাতির প্রতি ভালোবাসা পরাধীনতার অন্ধকার থেকে মুক্তির আলো এনে দিয়েছে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি স্বাধীন ভূখণ্ড নিশ্চিত করেছে। তাই, সকল ত্যাগ ও দেশপ্রেমের বিচারে সোহেল ও তার সঙ্গীরা অবশ্যই এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে অবিস্মরণীয় ও চিরস্মরণীয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
362
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews