মহৎ ও আদর্শসম্পন্ন জীবনচরিত সকলের অনুকরণীয়। যা আমাদের আদর্শিক জীবন গঠনে প্রেরণা জোগায়। একাগ্রতা, অধ্যবসায়, ত্যাগ ও সংযমের শিক্ষা দেয়। আমাদের সৎ ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে সাহায্য করে ও কল্যাণ চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। তাই জীবনচরিত পাঠ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Related Question
View Allআনন্দ থের'র দুটি উপদেশ নিচে দেওয়া হলো-
১. শ্রদ্ধাবান, শীলবান, জ্ঞানবান ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব করবে। তাদের সঙ্গ উত্তম।
২. ক্রোধী, অহংকারী ও সংঘভেদকারী ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্ব করবে না। তাদের সঙ্গী হওয়া উচিত নয়।
কৃশা গৌতমীর উপদেশগুলো হলো-
ক. সাধু ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা জ্ঞানিগণ প্রশংসা করেন। সাধু ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করলে জ্ঞানী হওয়া যায়।
খ. সৎ মানুষের অনুসরণ কর। এতে জ্ঞান বর্ধিত হয়।
গ. চতুরার্য সত্য সম্পর্কে জ্ঞানলাভ কর।
ঘ. আমি আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, নির্বাণ উপলব্ধি করেছি।
ঙ. আমি বেদনামুক্ত, ভারমুক্ত। আমার চিত্ত সম্পূর্ণ মুক্ত।
অর্হত্বপ্রাপ্ত হয়ে অভিরূপা নন্দা বলেছিলেন, এ দেহ অশুচি এবং ব্যাধির আলয়। এতে অহংকারের কিছু নেই। অনিষ্টকর অহংকার পরিত্যাগ কর। মনকে শান্ত ও সংযত কর।
বুদ্ধ আনন্দ থেরকে তাঁর সেবায় নিযুক্ত করলে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তিনি সেবা করতেন। বুদ্ধ যখন উপদেশ দিতেন, তখন তিনি মনোযোগসহকারে শুনতেন। সব মনে রাখতেন এবং বুদ্ধের যেকোনো উপদেশ প্রয়োজনে অন্যকে হুবহু বলতে পারতেন। তাই তিনি 'ধর্মভান্ডারিক' ও 'শুতিধর' আখ্যা পান।
কৃশা গৌতমী দীক্ষা লাভ করতে গেলে বুদ্ধদেব বলেন-বন্যার স্রোত যেমন গ্রাম, নগর, ভাসিয়ে নিয়ে যায়, তেমনি ভোগবিলাসে রত মানুষও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ধ্বংস হয়ে যায়। এ জগতে সকল বস্তুই অনিত্য। জন্ম হলে তার মৃত্যু অনিবার্য। সুতরাং দুঃখ পেলেও মেনে নিতে হবে।
কৃশা গৌতমীর তিনটি উপদেশ :
১. সাধু ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা জ্ঞানীগণ প্রশংসা করেন।
২. সৎ মানুষের অনুসরণ করলে। এতে জ্ঞান বর্ধিত হয়।
৩. চতুরার্য সত্য সমন্ধে জ্ঞান লাভ করো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!