ঢেউগুলো নিরুপায়, ভাঙে দু ধারে'- চরণটির মাধ্যমে মহাকালের কালস্রোতের আপন গতিতে সবকিছুকে নস্যাৎ করার কথা বোঝানো হয়েছে।
মহাকাল তার আপন নিয়মে নিরন্তর বয়ে চলছে। কেনো কিছুই তার এই গতিকে স্তব্ধ করতে পারে না। ফলে এই স্রোতে মানুষ তার অনিবার্য পরিণতি মৃত্যুকে এড়াতে পারে না। নির্দয়ের মতো ছুটে চলা এই কালস্রোত কেবল মানুষের সুকৃতিময় কর্মফলকেই গ্রহণ করে, ব্যক্তিমানুষকে নয়। সংগত কারণেই অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে মানুষকে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের কালস্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঢেউগুলোর নিরুপায় ভেঙে পড়ার মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই ইঙ্গিতময় হয়ে ধরা দিয়েছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!