তিতুমীর ছোটোবেলা থেকেই দেশের মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলতেন। তিনি অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি দেখেন এ দেশের কৃষকদের ওপর ইংরেজরা ও জমিদাররা অন্যায় শোষণ করছে। কৃষকদের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে খাজনা নেওয়া হচ্ছে। তখন তিনি কৃষকদের একত্র করেন এবং প্রতিবাদের ডাক দেন। তিনি খাজনা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি কৃষকদের বলেন যে, সর জমি আমাদের। তাই লড়াই করে ইংরেজদের দেশ থেকে তাড়ানোর কথা বলেন। তিনি নীল চাষের বিরুদ্ধে কথা বলেন। কয়েকটি নীলকুঠি দখল করে নেন। কৃষকরা তাঁর নেতৃত্বে ইংরেজদের। বরুদ্ধে যুদ্ধ করে। তিনি শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছেন কৃষকদের অধিকারগ করার জন্য।
Related Question
View Allতিতুমীরের জন্ম ১৭৮২ সালে।
তিতুমীর গ্রামের মাদ্রাসায় পড়াশোনা শুরু করেন। তিনি ডন-কুস্তি করতেন, লাঠিখেলা করতেন, তির ছোড়া শিখতেন, তরবারি চালনা শিখতেন। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীন হওয়ার কথা বলতেন। এজন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা বানিয়ে তরুণদের সেখানে প্রশিক্ষণ দিতে লাগলেন। একপর্যায়ে তিতুমীর কয়েকটা নীলকুঠি দখল করে নিলেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিতুমীর বলেন- লড়ে যাও! দেশের জন্য লড়ে যাও!
ম্যাজিস্ট্রেট আলেকজান্ডারকে পাঠানো হয়েছিল তিতুমীরকে দমন করার জন্য।
নীলচাষিরা বিভিন্ন উপায়ে তাদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন। প্রথমত তারা দাবি তুলেছিলেন চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা যাবে না। এরপর তারা নীলচাষ করতে অস্বীকৃতি জানান। তারা জমিদার ও ইংরেজ নীলকরদের বিরুদ্ধে এক হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। অনেক গ্রামে চাষিদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তারা বেশকিছু নীলকুঠি দখল করে নেন।
তিতুমীর হায়দারপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সৈয়দ বংশের সন্তান।
ছোটোবেলায় তিতুমীরের একবার কঠিন অসুখ করেছিল। তখন তাকে তেতো ওষুধ খেতে দেওয়া হয়। তার বাবা-মা ভেবেছিলেন সে তেতো ওষুধ খাবে না। কিন্তু সে তেতো ওষুধ সবই খায়। তেতো ওষুধ তার প্রিয় বলে বাবা তার নাম দেন তিতু বা তিতুমীর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!