পৃথিবীকে একটি গোলক বিবেচনা করে উপযোগী স্লাইড ক্যালিপার্সের সাহায্যে এর ব্যাসার্ধ মাপতে পারব। কিন্তু এটা কেবল অনুধাবনযোগ্য- প্রয়োগযোগ্য নয়। তাছাড়া গাণিতিক সমীকরণ ব্যবহার করে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ নির্ণয় করা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে, প্রথমে একটি ভূ-গোলকের ০° অক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বরাবর দুটি দ্রাঘিমারেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব কাটা কম্পাস দিযে পরিমাপ করতে হবে। ভূ-গোলকে উল্লিখিত পরিমাপের সাথে তুলনা করে পাওয়া যায়। বিষুবরেখা বরাবর দুটি দ্রাঘিমারেখার মধ্যবর্তী দূরত্ব প্রায়
পৃথিবীর পরিধি = 111 360
= 39960 km
পরিধি,
পৃথিবী যেহেতু সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, কিছুটা চ্যাপ্টা তাই পৃথিবীর ব্যাসার্ধ 6371 km হতে প্রাপ্ত মান কিছুটা ভিন্ন।
বিজ্ঞান বলতেই হয়তো তোমাদের চোখে বিজ্ঞানের নানা যন্ত্রপাতি, আবিষ্কার, গবেষণা, ল্যাবরেটরি- এসবের দৃশ্য ফুটে ওঠে, বিজ্ঞানের আসল বিষয় কিন্তু যন্ত্রপাতি, গবেষণা বা ল্যাবরেটরি নয়, বিজ্ঞানের আসল বিষয় হচ্ছে তার দৃষ্টিভঙ্গি। এই সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে বিজ্ঞান আর সেটি এসেছে পৃথিবীর মানুষের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। বিজ্ঞানের রহস্য অনুসন্ধানের জন্য কখনো সেটি যুক্তিতর্ক দিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়, কখনো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, আবার কখনো প্রকৃতিতে এই প্রক্রিয়াটিকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অসংখ্য বিজ্ঞানী মিলে বিজ্ঞানকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই অধ্যায়ে পদার্থবিজ্ঞানের এই ক্রমবিকাশের একটি ধারাবাহিক বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাস পড়লেই আমরা দেখব এটি তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক বিজ্ঞানীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে। ল্যাবরেটরিতে গবেষণা করতে হলেই নানা রাশিকে সুক্ষ্মভাবে পরিমাপ করতে হয়। পরিমাপ করার জন্য কীভাবে এককগুলো গড়ে উঠেছে, সেগুলো কীভাবে পরিমাপ করতে হয় এবং পরিমাপের জন্য কী ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয় সেগুলোও এই অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।
Related Question
View Allভার্নিয়ার ধ্রুবক : স্লাইড ক্যালিপার্স প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের চেয়ে ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগ যতটুকু ছোট তার পরিমাণকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!