দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খল অবস্থা কাটিয়ে একটি রাজবংশ বাংলার সিংহাসনে আসে। অল্পবিস্তর ছেদ পড়লেও এ রাজবংশ ৪০০ বছর বাংলা শাসন করে। উত্থান-পতন সভ্যতার নিয়ম। যথানিয়মে এক সময় এ রাজবংশের পতনও অনিবার্য হয়ে পড়ে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

প্রাগৈতিহাসিক যুগকে প্রস্তর যুগ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

ব্রিটিশরা ২০০ বছরের শাসনক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে ১৯৪৭খ্রিস্টাব্দে ভারত উপমহাদেশ ছেড়ে চলে যায়। জন্ম নেয় পাকিস্তান নামের এক স্বাধীন রাষ্ট্র। পাকিস্তান ছিল দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ে একটি বেমানান রাষ্ট্র। পশ্চিম অংশটিকে বলা হতো পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব অংশটিকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান। পাকিস্তানের শাসনক্ষমতা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙালি শাসকদের হাতে। তারা নানাভাবে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে শোষণ করত। তাই বলা হয়, ব্রিটিশদের কাছ থেকে অর্জিত স্বাধীনতা সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তানিরা স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে পাল রাজবংশের কথা বলা হয়েছে। পাল রাজবংশ বাংলাদেশের প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ। এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল শতবর্ষব্যাপী কলহ, নৈরাজ্য ও হানাহানির অবসান ঘটিয়ে বরেন্দ্র (গৌড়)-এর সিংহাসনে বসেন। কথিত আছে যে, প্রজাদের প্রতিনিধি বা কর্মচারীদের প্রতিনিধিরা গোপালকে নির্বাচন করে। গোপাল ছিলেন পাল বংশের যোগ্য শাসক। ধর্মপাল, দেবপালও এ বংশের বিখ্যাত শাসক ছিলেন। পালবংশের দীর্ঘ ৪০০ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, স্থাপত্য, চিত্রশিল্প ও শিল্পকলাসহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে উৎকর্ষ অর্জন করে। দীর্ঘ এ শাসনামলে পাল শাসকদের অনেকেই দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে শাসন পতন অনিবার্য হয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি হলো, "উত্থান-পতন সভ্যতার নিয়ম। যথানিয়মে এক সময় এ রাজবংশের পতনও অনিবার্য হয়ে পড়ে।" বাক্যটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। কেননা পৃথিবীতে কোনো রাজবংশই দীর্ঘসময় তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। উত্থান-পতন সভ্যতার নিয়ম। যথানিয়মে এক সময় প্রত্যেক রাজবংশেরই পতন অনিবার্য হয়ে পড়ে। উদ্দীপকে পার্ল রাজবংশের কথা বলা হয়েছে। বরেন্দ্র (গৌড়)-এর সিংহাসনে বসেন। দীর্ঘ ৪০০ বছর পাল শাসকরা তাদের দক্ষতা ও বিচক্ষণতা দিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। গোপাল একজন যোগ্য শাসক ছিলেন। ধর্মপাল, দেবপালও এ বংশের বিখ্যাত শাসক ছিলেন। পালবংশের দীর্ঘ শাসনামলে বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, স্থাপত্য, চিত্রশিল্প ও শিল্পকলাসহ অন্যান্য অনেক 'ক্ষেত্রে উৎকর্ষ অর্জন করে। এতদসত্ত্বেও উত্থান-প্রতনের সভ্যতার এ নিয়মানুযায়ী ৪০০ বছর রাজত্ব করার পর এক সময় পাল রাজবংশের পতনও অনিবার্য হয়ে পড়ে। পাল শাসকদের অনেকেই দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে শাসন পরিচালনা করলেও কেউ কেউ তা পারেনি। তাছাড়া রাজ্য বিদ্রোহ, উত্তরাধিকার নিয়ে ভ্রাতৃ কলহ প্রভৃতিতে পালবংশ একটা সময় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অনিবার্য পতন ঘটে। পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত বাক্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
140

বাংলাদেশের ইতিহাস

১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হলেও বাংলার ইতিহাস অনেক প্রাচীন। প্রাচীন যুগ থেকে হিসেব করলে মৌর্য, শুঙ্গ, কুষাণ, গুপ্ত, পাল ও সেন শাসনের ধারাবাহিকতায় এসেছিল মধ্যযুগ। বখতিয়ার খলজির নদীয়া জয়ের পর বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম শাসন। ইলিয়াসশাহী ও হোসেনশাহী বংশ বাংলায় গড়ে তোলে শক্তিশালী শাসন কাঠামো। এরপর পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর বাংলা ও ভারতবর্ষ চলে গিয়েছিল ইংরেজদের অধীনে। তাদের হাত থেকে মুক্তির পর বর্তমান বাংলাদেশের নাম হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান। দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি আমাদের এই বাংলাদেশ।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • বাংলায় মানব বসতির ধারা বর্ণনা করতে পারব
  • রাজনৈতিক ইতিহাসের যুগ বিভাজন করতে পারব;
  • প্রাচীন বাংলার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবন বর্ণনা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলার রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব:
  • ঔপনিবেশিক যুগে বাংলার রাজনৈতিক জীবন বর্ণনা করতে পারব।
  • দেশটির জন্মকথা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারব;

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধারণ অর্থে টোল বলতে বোঝায় চতুষ্পাঠী, সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শাস্ত্রাদি অধ্যয়নের পাঠশালা। প্রাচীন বাংলাদেশে হিন্দুদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বলা হতো টোল। টোলের প্রধান পাঠ্য বিষয় ছিল হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পাঠদান করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
1k
উত্তরঃ

তথ্য-১ এর মতো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবময় ক্ষেত্রটি কৃষি।
প্রাচীন যুগে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। এ সময় কৃষিতে উদ্বৃত্ত ছিল। ধান ছিল প্রধান ফসল। প্রচুর আখও উৎপাদন হতো। আখ থেকে উৎপাদিত গুড় ও চিনির খ্যাতি ছিল। এই গুড় ও চিনি বিদেশে রপ্তানি হতো। তুলা, সরিষা ও পান চাষের জন্যও বাংলাদেশের খ্যাতি ছিল। নারিকেল, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা, ডুমুর প্রভৃতি ফলের কথাও জানা যায়।

উদ্দীপকের তথ্য-১ এ প্রধান ফসল হিসেবে প্রচুর পরিমাণে ধান উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে এবং রপ্তানিকৃত দ্রব্য হিসেবে চিংড়ি ও ব্যাঙের কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকের এসব তথ্যে বাংলাদেশের আধুনিক যুগের কৃষি খাতের তথ্য ফুটে উঠেছে; যা প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবময় কৃষি ক্ষেত্রের সাথে সংগতিপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
441
উত্তরঃ

তথ্য-২ এ উল্লিখিত বিষয়গুলো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবের সাথে সাদৃশ্যপূণ- উক্তিটির সাথে আমি একমত।
প্রাচীন বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল সমৃদ্ধ ও গৌরবময়। সে সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। তখন কৃষিতে উদ্বৃত্ত ছিল। আখ থেকে উৎপাদিত চিনি ও গুড়ের বেশ খ্যাতি ছিল এবং এসব দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি হতো। প্রাচীন যুগ থেকেই তাঁতিরা মিহি সুতি ও রেশমি কাপড় বুননে পারদর্শী ছিল। তাঁতিদের উৎপাদিত মসলিন কাপড় পৃথিবী বিখ্যাত ছিল এবং এসব কাপড় বিদেশে রপ্তানি হতো। কৃষিতে উদ্বৃত্ত হওয়ায় এবং শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে বিকাশ লাড় করে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন বন্দর ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে যেত তৎকালীন বাংলাদেশের পণ্য।
উদ্দীপকের তথ্য-২ এ আকাশপথে আমেরিকায় তৈরি পোশাক রপ্তানির কথা বলা হয়েছে এবং পাটজাত দ্রব্যের বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত এসব বিষয় প্রাচীন বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি ও তখনকার ব্যবসা-বাণিজ্য বিকাশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নে উল্লিখিত উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
373
উত্তরঃ

মাৎস্যন্যায় হলো এমন এক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যেখানে শক্তিশালী দুর্বলকে শোষণ করে এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
230
উত্তরঃ

সমতট অঞ্চল হলো বাংলাদেশে দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের একটি প্রাচীন জনপদ। এই অঞ্চলটি বর্তমানে কুমিল্লা এবং বিক্রমপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। খড়গ, দেব, চন্দ্র এবং বর্ম রাজবংশ এই অঞ্চলে শাসন করতেন। এটি বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ এখানে ৩০টির মতো বৌদ্ধবিহারের কথা উল্লেখ করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
841
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews