আমরা যখন কোনো একটা শব্দ করি তখন আমাদের ফুসফুস থেকে বাতাস গলা দিয়ে বের হয়ে আসে। আমাদের গলায়, ফুসফুসে বাতাস ঢোকার জন্য এবং বের হওয়ার জন্য রয়েছে wind pipe, এর উপরে শব্দ সৃষ্টি করার জন্য রয়েছে স্বরযন্ত্র। সেখানে দুটি পর্দা ভালবের মতো কাজ করে। এই পর্দা দুটির নাম ভোকাল কর্ড। বাতাস বের করার সময় এগুলো কাঁপতে পারে এবং শব্দ তৈরি হয়। এই ভোকাল কর্ড সবার একই রকম নয়। কারো শক্ত, কারো নরম ফলে কম্পনের ধরন ভিন্ন হওয়ার জন্য কম্পাঙ্ক ভিন্ন হয়। এরপর বাতাস মাধ্যমের মধ্যদিয়ে যাওয়ার সময় সূত্রানুসারে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে যায়।
Related Question
View Allতরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কণা কোনো বিন্দু থেকে যাত্রা আরম্ভ করে আবার একই দিক থেকে সেই বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে পূর্ণ স্পন্দন বলে
তরঙ্গের উপরস্থ কোনো কণার পর্যায়কাল বেশি হলে কম্পাঙ্কের কমে যাবে
হুকের সূত্রের কারণে সরল স্পন্দন গতি সৃষ্টি হয়
স্প্রিং-এর গতি স্পন্দন গতি
স্প্রিং ধ্রুবককে k দিয়ে প্রকাশ করা হয়
স্প্রিং এর উপর, প্রযুক্ত বল তার অবস্থানের সরণের সাথে সামানুপাতিক
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!