দেশের কল্যাণের জন্য আমি এমন কিছু করতে চাই, যাতে আমার দেশ আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয়। আমি ভালোভাবে পড়াশোনা করে সৎ ও যোগ্য নাগরিক হয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখব। আমি সততা, পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি গাছ লাগিয়ে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতে চাই। কারণ- আমি পরিবেশকে সুস্থ রাখতে চাই। আমি দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে সাহায্য করতে চাই। এ কাজে দেশের নিয়ম মেনে চলব এবং সবাইকে সচেতন হতে উৎসাহ দেব। দেশের সম্পদ নষ্ট না করে সংরক্ষণ করব এবং তা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেই চেষ্টা করব। এভাবে আমার জ্ঞান, শ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে চাই।
Related Question
View Allতিতুমীরের জন্ম ১৭৮২ সালে।
তিতুমীর গ্রামের মাদ্রাসায় পড়াশোনা শুরু করেন। তিনি ডন-কুস্তি করতেন, লাঠিখেলা করতেন, তির ছোড়া শিখতেন, তরবারি চালনা শিখতেন। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীন হওয়ার কথা বলতেন। এজন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা বানিয়ে তরুণদের সেখানে প্রশিক্ষণ দিতে লাগলেন। একপর্যায়ে তিতুমীর কয়েকটা নীলকুঠি দখল করে নিলেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিতুমীর বলেন- লড়ে যাও! দেশের জন্য লড়ে যাও!
ম্যাজিস্ট্রেট আলেকজান্ডারকে পাঠানো হয়েছিল তিতুমীরকে দমন করার জন্য।
নীলচাষিরা বিভিন্ন উপায়ে তাদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন। প্রথমত তারা দাবি তুলেছিলেন চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা যাবে না। এরপর তারা নীলচাষ করতে অস্বীকৃতি জানান। তারা জমিদার ও ইংরেজ নীলকরদের বিরুদ্ধে এক হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। অনেক গ্রামে চাষিদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তারা বেশকিছু নীলকুঠি দখল করে নেন।
তিতুমীর হায়দারপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সৈয়দ বংশের সন্তান।
ছোটোবেলায় তিতুমীরের একবার কঠিন অসুখ করেছিল। তখন তাকে তেতো ওষুধ খেতে দেওয়া হয়। তার বাবা-মা ভেবেছিলেন সে তেতো ওষুধ খাবে না। কিন্তু সে তেতো ওষুধ সবই খায়। তেতো ওষুধ তার প্রিয় বলে বাবা তার নাম দেন তিতু বা তিতুমীর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!