ধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সমাজের সকল ধর্মের মানুয়ের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় থাকা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত হয়। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ধর্মীয় সম্প্রীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে সংঘাত এড়াতেও সাহায্য করে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকলে সকলের মধ্যে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে। সকলের মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পায়।
ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়। ইসলাম ভিন্ন ধর্মের লোকদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে নির্দেশনা দেয়। বিভিন্ন কাজে তাদের সহযোগিতা করতে উৎসাহিত করে। মহান আল্লাহ সকল মানুষের প্রতি ইনসাফ অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদ্ব্যবহার এরং ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। (সূরা আল-মুমতাহিনা, আয়াত: ৮)
মহানবি (স.) ও তাঁর সাহাবিগণও অমুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখেছিলেন। তাই শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে ধর্মীয় সম্প্রীতির অনেক গুরুত্ব রয়েছে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত।
ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়।
মহানবি (স.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন।
আমরা ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাজে সহযোগিতা করব।
ধর্মে দীক্ষিত করার ব্যাপারে কাউকে জোর করা বা বাধ্য করা যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!