এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট বর্ণের আলোকরশ্মির ক্ষেত্রে। আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইন এর অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক থাকে। এটিই হলো স্নেলের সূত্র।
হীরকের সঙ্কট কোণ 24° বলতে বুঝায়, হীরক হতে বায়ুতে আলোর প্রতিসরণের সময় 24° কোণে আলো আপতিত হলে প্রতিসরিত রশ্মি মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতল ঘেঁষে যায় অর্থাৎ প্রতিসরণ কোণ 90° হয়। আপতিত রশ্মি 24° অপেক্ষা বেশি কোণে আপতিত হলে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
আমরা জানি, ঘন হতে হালকা মাধ্যমে আলোর প্রতিসরণের বেলায় আপতন কোণ সংকট কোণের সমান হলে, প্রতিসরণ কোণ 90° হয়।
প্রথম ক্ষেত্রে, ক্রান্তি কোণ, = 60°
কঠিন মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক,
২য় ক্ষেত্রে, ক্রান্তিকোণ, = = 70°
এখন, তরলের প্রতিসরণাঙ্ক, হলে,
অতএব, তরলের প্রতিসরণাঙ্ক 1.085
মাধ্যম দুটির প্রতিসরণাঙ্কের পার্থক্য যত কম সংকট কোণ তত বেশি হবে। এ বিষয়টি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

আমরা জানি যে, n, sin 0₁ = n2 sin 02, অর্থাৎ n₁ থেকে n₂ বড় হলে 02 থেকে ০, বড় হবে। যদি n₂ থেকে n₁-এর দিকে আলো পাঠানো হয় তবে প্রতিফলনের নিয়ম অনুযায়ী আলো খানিকটা প্রতিফলিত হবে, খানিকটা শোষিত হবে এবং বাকিটা প্রতিসরিত হবে। যেহেতু, ০₂ থেকে ৪, বড় হবে। কাজেই 90° অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর এ₂ এর কোনো একটি মানের জন্য 0, = 90° হয়ে যাবে এবং এর চেয়ে বৃহত্তর আপতন কোপের জন্য আলোর প্রতিসরিত হওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকবে না। এরপর আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে 1₂ মাধ্যমে ফিরে আসবে। ₂ এর যে মানের জন্য ০₁ = 90° হয় তাকেই মাধ্যমম্বয়ের মধ্যকার সংকট কোণ বলে।
Related Question
View Allদুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।
উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্বের মধ্যে কোনো লক্ষ্যবস্তু থাকলে সেই বস্তুর অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত বিশ্ব গঠিত হয়। আবার অবতল লেন্সের সামনে কোনো বন্ধু থাকলে তার অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত বিশ্ব গঠিত হয়। তাই লেন্সের খুব কাছাকাছি কিন্তু পিছনে একটি আঙুল ধরলে যদি আঙুলটিকে সোজা এবং আকারে বড় দেখায় তবে লেন্সটি উত্তল এবং আঙুলটিকে সোজা ও আকারে ছোট দেখালে লেন্সটি অবতল। এভাবে স্পর্শ না করে একটি লেন্সকে শনাক্ত করা যায়।
উদ্দীপক হতে পাই,
চশমার লেন্সের ক্ষমতা, P=-2D
চশমার লেন্সের ফোকাস দূরত্ব, f=?
আমরা জানি,
সুতরাং শিউলীর চশমার ফোকাস দূরত্ব - 50 cm অর্থাৎ শিউলীর চশমার ব্যবহৃত লেন্সটি অবতল, যার ফোকাস দূরত্ব 50 cm
'গ' হতে পাই, লেন্সটি অবতল এবং এর ফোকাস দূরত্ব, f= 50 cm = 0.5 m বস্তুটি মূলত বক্রতার কেন্দ্রে অবস্থান করবে। এখন, লক্ষ্যবস্তুটি 1 m দূরে রাখা হলে এক্ষেত্রে রশ্মিচিত্রটি নিম্নরূপ হবে।

এখানে, AB লক্ষ্যবস্তুর ৪ বিন্দু থেকে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে আগত BP আলোক রশ্মি লেন্সে প্রতিসরণের পর প্রতিসরিত রশ্মি PS এমনভাবে ছড়িয়ে যাবে যেনো মনে হবে তা ফোকাস থেকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে। এবং অপর রশ্মিটি B হতে আলোক কেন্দ্র দিয়ে যাবে এবং পাতলা লেন্স হওয়ায় এটি কোনো পথ পরিবর্তন করবে না। তাই প্রতিসরিত রশ্মি OT সোজা পথে চলে যাবে। এই প্রতিসরিত রশ্মিদ্বয় PS এবং OT সম্মুখ দিকে কোথাও মিলিত হবে না। তাই এদেরকে পিছনে বর্ধিত করলে B' বিন্দুতে মিলিত হবে এবং এখানেই AB লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হবে। যেহেতু রশ্মিদ্বয় প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয়নি তাই গঠিত বিম্বটি হবে অবাস্তব।
প্রতিবিম্বের অবস্থান: ফোকাস ও আলোক কেন্দ্রের মাঝে
প্রতিবিম্বের আকৃতি: ছোট/খর্বিত।
প্রতিবিম্বের প্রকৃতি: অবাস্তব এবং সিধা।
এভাবে, টগর রশ্মিচিত্রের সাহায্যে উদ্দীপকের লেন্সটির কার্যক্রম শিউলীকে বুঝিয়ে দিলো।
কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম না নিয়ে দীর্ঘদিন ও দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করলে চোখে যে ধরনের সমস্যা দেখা দেয় তাই কৃম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম।
গ্রাউন্ডিং বা ভূসংযোগ তার হলো নিম্নরোধের তার। এটি সাধারণত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ধাতব ঢাকনার সাথে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন কারণে বর্তনী ত্রুটিযুক্ত থাকতে পারে। যেমন- যদি জীবন্ত তার সঠিকভাবে সংযুক্ত না থাকে এবং তা যদি বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ধাতব ঢারুনাকে স্পর্শ করে তবে ব্যবহারকারী বৈদ্যুতিক শক দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন। ধাতব ঢাকনাটি ভূসংযুক্ত অবস্থায় থাকলে এমনটি ঘটবে না। এক্ষেত্রে জীবন্ত তার থেকে উচ্চমানের তড়িৎারাহ ধাতব ঢাকনা হয়ে ভূসংযোগ তার দিয়ে মাটিতে চলে যাবে। ফলে ফিউজটি পুড়ে যাবে এবং তড়িৎ্যন্ত্রের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
