নিচের ছকচিত্রটি দেখ এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

বর্তমানে সার্কের সদস্য দেশ হলো আটটি।

উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়।
সার্ক (SAARC) একটি আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক সংগঠন। ১৯৮৫ সালে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লাভকরে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার কারণ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা।

উত্তরঃ

ছকে নির্দেশিত সংস্থাটি হলো সার্ক।
দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের শান্তিরক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সার্কের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। এ অঞ্চলের শান্তি, দারিদ্র্য দূরীকরণ, প্রামীণ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা, টেলিযোগাযোগ, আবহাওয়া, পরিবহণ ব্যবস্থা, প্রযুক্তি, ডাকব্যবস্থা, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সার্কের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো যৌথ কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়। সার্কের আদর্শ ও কর্মসূচি সহযোগিতা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্দীপকের ছকচিত্রে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও ভারতের নাম উল্লেখ আছে। যারা সবাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশ। যাদের সমন্বয়ে সার্ক গঠিত হয়েছে। তাই বলা যায়, ছকে নির্দেশিত সংস্থাটি সার্ক। শান্তিরক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ছকে নির্দেশিত সংস্থাটির ভূমিকা অপরিসীম।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের সাথে ছকে নির্দেশিত সংস্থা সার্কের অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
সার্কের প্রতিষ্ঠা হয় মূলত বাংলাদেশের উদ্যোগে। ১৯৮৫ সালে সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বসে ঢাকায় এবং ঢাকাতেই এর জন্ম হয়। কাজেই সার্ক সৃষ্টিতে বাংলাদেশের অবদান অপরিসীম। দক্ষিণ এশীয় কোনো কোনো দেশে খাদ্য ঘাটতি প্রকট। এর মোকাবিলায় . বাংলাদেশের সুপারিশ অনুযায়ী একটি 'ফুড রিজার্ভ সিস্টেম' গড়ে তোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির লেনদেন এবং আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে সার্ক ফোরামের প্রতিটি সভায় আগ্রহভরে যোগদানের মধ্য দিয়ে সার্কের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করছে। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রতিবেশী দেশসমূহের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসন ও ব্যবসায় বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিশেষে বলা যায়, সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের সাথে সার্কের সম্পর্ক অতি নিবিড় ও ঘনিষ্ঠ।

126

বর্তমানে আধুনিকযুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। এদের মধ্যে অন্যতম হলো জাতিসংঘ। বিশ্বে শান্তি স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ গঠন করা হয়। বিশ্বের প্রায় সকল রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে। তাছাড়া রয়েছে বিভিন্ন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ প্রভৃতি। এসব সংস্থা তাদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করে। আমরা পঞ্চম শ্রেণিতে জাতিসংঘের বিভিন্ন শাখা, জাতিসংঘের উন্নয়নমূলক সংস্থা ও সার্ক সম্পর্কে জেনেছি। এ অধ্যায়ের পাঠগুলোতে আমরা বিভিন্ন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সম্পর্কে জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • একই অঞ্চলভুক্ত বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র উল্লেখ করতে পারব;
  • বিশ্বের উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার গঠন এবং কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব;
  • পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহযোগিতা, সৌহার্দ, ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি সম্পন্ন হয় তাকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি বলা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বেড়েই চলেছে। কারণ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি।

491
উত্তরঃ

নেপালে গিয়ে রাহাতের গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠন করেছে সার্ক (SAARC)। এ দেশসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। সার্ক সদস্য দেশগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে।
উদ্দীপকের রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালের শিল্পকলা একাডেমিতে গান পরিবেশন করে, যা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত। আর দুই দেশের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালে গান পরিবেশন করেন। এটি যুক্তিযৌক্তিক।

616
উত্তরঃ

উক্ত কাজটি তথা সাংস্কৃতিক কাজটি ছাড়াও সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে কাজ করে উক্তিটি যথার্থ। সার্ক সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য। কল্যাণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা। উক্ত অঞ্চলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও সমস্যা দূর করে পারস্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে রাহাতের নেপালে গিয়ে গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অংশ। সংস্কৃতি ছাড়াও সংস্থাটির কর্মকান্ড সমাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। অর্থাৎ সার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্ভাব বজায় রাখার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

311
উত্তরঃ

বর্তমানে আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ, জাতিসংঘ ইত্যাদি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।

352
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews