বাংলাদেশের সাথে ছকে নির্দেশিত সংস্থা সার্কের অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
সার্কের প্রতিষ্ঠা হয় মূলত বাংলাদেশের উদ্যোগে। ১৯৮৫ সালে সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বসে ঢাকায় এবং ঢাকাতেই এর জন্ম হয়। কাজেই সার্ক সৃষ্টিতে বাংলাদেশের অবদান অপরিসীম। দক্ষিণ এশীয় কোনো কোনো দেশে খাদ্য ঘাটতি প্রকট। এর মোকাবিলায় . বাংলাদেশের সুপারিশ অনুযায়ী একটি 'ফুড রিজার্ভ সিস্টেম' গড়ে তোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির লেনদেন এবং আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে সার্ক ফোরামের প্রতিটি সভায় আগ্রহভরে যোগদানের মধ্য দিয়ে সার্কের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করছে। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রতিবেশী দেশসমূহের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসন ও ব্যবসায় বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিশেষে বলা যায়, সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের সাথে সার্কের সম্পর্ক অতি নিবিড় ও ঘনিষ্ঠ।
Related Question
View Allআসিয়ানের পূর্ণরূপ- Association of South-East Asian Nations.
পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি সম্পন্ন হয় তাকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি বলা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বেড়েই চলেছে। কারণ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি।
নেপালে গিয়ে রাহাতের গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠন করেছে সার্ক (SAARC)। এ দেশসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। সার্ক সদস্য দেশগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে।
উদ্দীপকের রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালের শিল্পকলা একাডেমিতে গান পরিবেশন করে, যা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত। আর দুই দেশের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালে গান পরিবেশন করেন। এটি যুক্তিযৌক্তিক।
উক্ত কাজটি তথা সাংস্কৃতিক কাজটি ছাড়াও সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে কাজ করে উক্তিটি যথার্থ। সার্ক সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য। কল্যাণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা। উক্ত অঞ্চলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও সমস্যা দূর করে পারস্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে রাহাতের নেপালে গিয়ে গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অংশ। সংস্কৃতি ছাড়াও সংস্থাটির কর্মকান্ড সমাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। অর্থাৎ সার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্ভাব বজায় রাখার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
বর্তমানে আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ, জাতিসংঘ ইত্যাদি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
