উত্তরঃ

নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাসিক বর্ণ - ঙ, ঞ, ণ, ন, ম ৷

উত্তরঃ

অর্থপূর্ণ বাক্য গঠনের শর্ত তিনটিঃ যোগ্যতা; আকাঙ্ক্ষা; আসত্তি।

উত্তরঃ

যে বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দগঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে । অথবা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বা শব্দের পরে যে শব্দখণ্ড যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে ‘প্রত্যয়' বলে ৷

উত্তরঃ

বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

উত্তরঃ

ক্রিয়ার কাল তিন প্রকারঃ 
১. বর্তমান কাল: সকালে সূর্য ওঠে। 
২. অতীতকাল: বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন। 
৩. ভবিষ্যত কাল : সে পরশু বাড়িতে যাবে।

201

যে কোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলে। বাংলা ভাষার বর্ণ সম্পর্কিত চিহ্ন বা প্রতীককে বাংলা বর্ণমালা বলে।

বাংলা বর্ণমালা
বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশ (৫০)টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ এগার (১১)টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ঊনচল্লিশটি (৩৯)টি।
১. স্বরবর্ণ : অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ(১১টি)
২. ব্যঞ্জনবর্ণ : ক খ গ ঘ ঙ (৫টি)
চ ছ জ ঝ ঞ (৫টি)

ট ঠ ঢ ঢ ণ  (৫টি)
ত থ দ ধ ন  (৫টি)

প ফ ব ভ ম  (৫টি)
য র ল   (৩টি)
শ ষ স হ  (৪টি)
ড় ঢ় য় ৎ  (৪টি)

মোট ৫০টি
বিশেষ জ্ঞাতব্য : ঐ, ঔ - এ দুটি দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির চিহ্ন। যেমন – . অ + ই = ঐ, অ + উ =ঔ

বর্ণ এর প্রকারভেদঃ

বাক প্রত্যঙ্গজাত প্রত্যেকটি ধ্বনি এককের জন্য প্রত্যেক ভাষায়ই লেখার সময় এক একটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বাংলায় এ প্রতীক বা চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। ধ্বনি নির্দেশক প্রতীককে বর্ণ বলে বা ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ। যেমন: অ, আ, ক, খ।

বর্ণ দুই প্রকার। যথা: ক. স্বরবর্ণ খ. ব্যঞ্জনবর্ণ।

স্বরবর্ণ: স্বরধ্বনি দ্যোতক লিখিত সাংকেতিক চিহ্নকে স্বরবর্ণ বলে।

যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি।

ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জন ধ্বনি দ্যোতক চিহ্নকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।

যেমন: ক, খ, গ, ঘ ইত্যাদি।

ভাষার মূল উপাদানধ্বনি (শব্দও হতে পারে)
ভাষার বৃহত্তম এককবাক্য
ভাষার মূল উপকরণ
ভাষার ছাদ বলা হয়
বাক্যের মৌলিক উপাদানশব্দ
বাক্যের মূল উপাদান
বাক্যের মূল উপকরণ
বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক
ধ্বনির উপকরণ
বর্ণের উপকরণ
শব্দের মূল উপাদানধ্বনি
শব্দের মূল উপকরণ
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক
শব্দের ক্ষুদ্রতম একক
ভাষার স্বর বলা হয়
শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশবর্ণ (ধ্বনিও হতে পারে)
শব্দের অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশরূপ
ভাষার অর্থযুক্ত ক্ষুদ্রতম এককরূপমূল
ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নবর্ণ
ভাষার ইট বলা হয়

মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকার। যথা:

বর্ণের নাম

সংখ্যা

স্বরবর্ণ

ব্যঞ্জনবর্ণ

মাত্রাহীন বর্ণ১০টি৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ,ঁ)
অর্ধমাত্রার বর্ণ৮টি১টি (ঋ)৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)
পূর্ণমাত্রার বর্ণ৩২টি৬টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, উ)২৬টি

Related Question

View All
উত্তরঃ

ক্রিয়ার কাল তিন প্রকারঃ 

১. বর্তমান কাল: সকালে সূর্য ওঠে। 

২. অতীতকাল: বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন। 

৩. ভবিষ্যত কাল: সে পরও বাড়িতে যাবে।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
768
উত্তরঃ

৫০টি (১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ)।

471
উত্তরঃ

চিড়িয়াখানা = চিড়িয়া + খানা = চিড়িয়াখানা

Prince Mondal
Prince Mondal
2 years ago
329
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews