Related Question

View All
উত্তরঃ মুর্ছা

‘বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’ অনুযায়ী ‘মূর্ছা’ বানানটি অশুদ্ধ। এই শব্দটির সঠিক ও প্রমিত বানান হলো ‘মুর্ছা’।

বানানটি অশুদ্ধ হওয়ার কারণ নিম্নরূপ:

        
  • বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মানুযায়ী, কিছু তৎসম ও তদ্ভব শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) ও দীর্ঘ ঊ-কারের (ূ) পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার (ি) ও হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে, বিশেষত যেখানে দীর্ঘস্বর ব্যবহারের নির্দিষ্ট কোনো ভাষাতাত্ত্বিক কারণ নেই অথবা দীর্ঘস্বর ব্যবহারের ফলে অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না।
  •     
  • ‘মূর্ছা’ শব্দটি সংস্কৃত ‘মূর্ছা’ (mūrchā) থেকে এলেও বাংলা একাডেমি আধুনিক বানানের সরলীকরণ ও প্রমিতকরণের অংশ হিসেবে এখানে প্রথম বর্ণের দীর্ঘ ঊ-কারের (ূ) পরিবর্তে হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহারের নিয়ম করেছে।
  •     
  • সুতরাং, প্রমিত বানান অনুযায়ী ‘মূর্ছা’ নয়, ‘মুর্ছা’ হলো সঠিক ও গ্রহণযোগ্য রূপ।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ সেইসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান ভুল রয়েছে:

        
  • বাহুল্য দোষ / বচনজনিত অশুদ্ধি: বাক্যে 'সেইসব' (বহুবচনাত্মক নির্দেশক) এবং 'গুলো' (বহুবচনাত্মক প্রত্যয়) একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলায় একই বাক্যে দুটি বহুবচনবোধক শব্দ বা প্রত্যয় পাশাপাশি ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ঘটে। তাই যেকোনো একটি বহুবচন রূপ ব্যবহার করতে হবে— হয় 'সেইসব প্রতিষ্ঠান' অথবা 'প্রতিষ্ঠানগুলো'।
  •     
  • বানানগত ভুল: 'উচিৎ' বানানটি অশুদ্ধ। বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বানান হলো 'উচিত' (শেষে 'ত' হবে, 'ৎ' নয়)।

অতএব, বাক্যটির শুদ্ধ রূপ: সেইসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া উচিত। (অথবা: প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া উচিত।)

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ আজ বৈকালে ঘুরে বেরিয়ে এসো।

ব্যাখ্যা:

প্রদত্ত বাক্যে 'ঘুড়ে' শব্দটি বানানগতভাবে অশুদ্ধ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী:

        
  • 'ঘোরা' ক্রিয়াপদ থেকে উৎপন্ন রূপটি হলো 'ঘুরে', 'ঘুড়ে' নয়। এখানে 'ড়'-এর স্থলে 'র' হবে।
  •     
  • অতএব, 'ঘুড়ে' শব্দটির পরিবর্তে 'ঘুরে' বসালে বাক্যটি শুদ্ধ রূপ লাভ করে।

অশুদ্ধ রূপ: আজ বৈকালে ঘুড়ে বেরিয়ে এসো।

শুদ্ধ রূপ: আজ বৈকালে ঘুরে বেরিয়ে এসো।

Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

আজকাল ভূরিওয়ালা লোক ভূড়ি ভূড়ি দেখা যায়। = আজকাল ভুঁড়িওয়ালা লোক ভূরি ভূরি দেখা যায়।

khandokar Munna
khandokar Munna
2 years ago
উত্তরঃ নদীটির প্রবহমানতা তাকে উচ্ছ্বসিত করে তুলেছে।

প্রদত্ত বাক্যটিতে শব্দপ্রয়োগ এবং বানানজনিত দুটি অশুদ্ধি রয়েছে:

      
  • শব্দপ্রয়োগগত ভুল: 'প্রবাহমানতা' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অপপ্রয়োগ। 'প্রবহমান' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি গঠিত হয় প্রবহমানতা
  •   
  • বানানগত ভুল: 'উচ্ছাসিত' বানানটি ভুল। সঠিক বানান হলো উচ্ছ্বসিত (এখানে 'চ্ছ'-এর সাথে 'ব-ফলা' যুক্ত হবে)।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ আমি অনাহূত হয়েই সেখানে গিয়েছি।

ব্যাখ্যা:

প্রদত্ত বাক্যটিতে প্রয়োগগত এবং বানানগত ভুল রয়েছে। বাক্যটি শুদ্ধ করার কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

      
  • 'রবাহুত' শব্দের অপপ্রয়োগ ও বানান ভুল: যাকে আহ্বান বা নিমন্ত্রণ করা হয়নি, তাকে বোঝাতে সঠিক শব্দটি হলো 'অনাহূত'। 'রবাহূত' শব্দটির অর্থ হলো বিনানিমন্ত্রণে ভোজনকারী বা অনাহূত অতিথি। তবে বাক্য গঠনে 'অনাহূত' শব্দটির ব্যবহারই প্রমিত ও সঠিক। এছাড়া 'অনাহূত' বানানে 'হ' বর্ণে দীর্ঘ-ঊ কার (ূ) ব্যবহৃত হয়।
  •   
  • 'আহুতি' শব্দের অপপ্রয়োগ: 'আহুতি' শব্দের অর্থ হলো যজ্ঞে ঘৃতাহুতি বা উৎসর্গ করা। সাধারণ গমনার্থে বা কোথাও উপস্থিত হওয়া বোঝাতে 'আহুতি দিতে গিয়েছি' শব্দগুচ্ছের ব্যবহার অসঙ্গত ও প্রয়োগগতভাবে অশুদ্ধ। তাই বাক্যের স্বাভাবিক অর্থ প্রকাশের জন্য 'গিয়েছি' বা 'উপস্থিত হয়েছি' ব্যবহার করা নিয়মসম্মত।

সংক্রান্ত শব্দার্থ ও সঠিক প্রয়োগ:

                                                              
অশুদ্ধ রূপশুদ্ধ রূপব্যাখ্যা
রবাহুতঅনাহূতযা আহ্বান করা হয়নি (বানানে 'ূ' কার প্রযোজ্য)
আহুতি দিতে গিয়েছিগিয়েছি / উপস্থিত হয়েছিগমনার্থে 'আহুতি' শব্দটির প্রয়োগ অসঙ্গত
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা:

প্রদত্ত বাক্যটিতে পদসংক্রান্ত অশুদ্ধি রয়েছে।

      
  • পদ সংক্রান্ত নিয়ম: 'লঙ্ঘন' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। বিশেষ্য পদের সাথে সরাসরি 'হয়েছে' ক্রিয়াপদ যুক্ত না হয়ে বিশেষণ পদ 'লঙ্ঘিত' ব্যবহৃত হয়।
  •   
  • বিকল্প প্রয়োগ: বিশেষ্য পদ 'লঙ্ঘন' ব্যবহার করতে চাইলে যৌগিক ক্রিয়া হিসেবে 'করা হয়েছে' যুক্ত করতে হয় (যেমন: 'বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে')।
  •   
  • অতএব, সঠিক ও প্রমিত রূপ হবে— 'বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।' অথবা 'বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে।'
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

নিহিতার্থ: অক্ষম ব্যক্তির বৃথা আস্ফালন বা অহেতুক তর্জন-গর্জন।

বাক্যে প্রয়োগ: নিজের তো কোনো ক্ষমতা নেই, অথচ সবাইকে ভয় দেখাচ্ছ; তোমার অবস্থা তো দেখছি ‘বিষ নেই কুলোপনা চক্কর’।


‘বিষ নেই কুলোপনা চক্কর’ প্রবাদটি বাংলা ভাষায় অত্যন্ত প্রচলিত একটি ভাবধর্মী প্রবাদ। এর বিস্তারিত প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:

        
  • উৎপত্তি ও মূল ভাব: বিষহীন সাপ যেমন বাস্তবে কারো কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না, অথচ কুলোর মতো বড় ফণা তুলে চক্কর দিয়ে মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে; ঠিক তেমনি সমাজে যেসব মানুষের কোনো সামর্থ্য বা ক্ষমতা নেই, তারা বাহ্যিক আস্ফালন বা তর্জন-গর্জনের মাধ্যমে নিজেদের জাহির করতে চায়।
  •     
  • প্রয়োগের ক্ষেত্র: কারো কোনো প্রকৃত ক্ষমতা বা প্রভাব না থাকা সত্ত্বেও যদি সে অহেতুক হুমকি দেয় বা অহংকার প্রকাশ করে, তবে তার আচরণকে নির্দেশ করতে এই প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়।
  •     
  • সমার্থক প্রবাদ: ‘শূন্য কলসি বাজে বেশি’, ‘কত ধানে কত চাল’, ‘আষাঢ়ে গর্জন’।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ যন্ত্রণার ওপর অতিরিক্ত যন্ত্রণা

নিহিতার্থ: বিপদের ওপর আরও বিপদ বা যন্ত্রণার ওপর অতিরিক্ত যন্ত্রণা।

বাক্যে প্রয়োগ: এমনিতেই চাকরিটা হারিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি, তার ওপর আবার পরিবারে হঠাৎ অসুস্থতা—এ যেন একেবারে গোদের উপর বিষফোঁড়া।

      
  • প্রবাদের পটভূমি: 'গোদ' (পা ফোলা রোগ বা এলিফ্যান্টায়াসিস) নিজেই একটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ব্যাধি। এই ব্যাধিগ্রস্ত শারীরিক স্থানে যদি পুনরায় কোনো বিষফোঁড়া ওঠে, তবে রোগীর যন্ত্রণা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
  •   
  • ব্যবহারিক ক্ষেত্র: বাস্তবে যখন কোনো চলমান সংকট বা দুঃখজনক পরিস্থিতির মধ্যে অতিরিক্ত আরেকটি নতুন বিপদ এসে উপস্থিত হয়, তখন এই প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

নিহিতার্থ: ছোট-বড় সব ধরনের কাজ করা (বা সব বিষয়ে পারদর্শী হওয়া)।

বাক্যে প্রয়োগ: অফিসে লোকবল কম থাকায় ম্যানেজার সাহেবকে চণ্ডীপাঠ থেকে জুতোসেলাই—সব কাজই একা হাতে সামলাতে হয়।


বিষয়বস্তুর বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

      
  • প্রবাদের মূল অর্থ: 'চণ্ডীপাঠ থেকে জুতোসেলাই' প্রবাদটি মূলত কোনো ব্যক্তির বহুমুখী কাজের ব্যস্ততা অথবা ছোট-বড় সব ধরনের কাজ করার বাধ্যবাধকতা বা সক্ষমতাকে নির্দেশ করে।
  •   
  • শব্দার্থ ও রূপক বিশ্লেষণ:     
            
    • চণ্ডীপাঠ: চণ্ডী হলো ধর্মীয় ও পবিত্র গ্রন্থ। 'চণ্ডীপাঠ' বলতে এখানে অত্যন্ত মহৎ, সম্মানজনক বা উচ্চমানের কাজকে বোঝানো হয়েছে।
    •       
    • জুতোসেলাই: জুতো সেলাই করা সাধারণ অর্থে মুচির কাজ, যা সমাজে অপেক্ষাকৃত তুচ্ছ বা নিম্নমানের কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
    •     
      
  •   
  • ব্যবহারিক প্রয়োগ: অতি উচ্চাঙ্গের বা সম্মানজনক কাজ থেকে শুরু করে অতি নগণ্য বা সাধারণ কাজ—সব ধরনের কাজই যখন একজন মানুষকে করতে হয়, তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের নিহিতার্থ ও সঠিক বাক্য গঠনে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
উত্তরঃ

নিহিতার্থ: অপাত্রে বা অযোগ্য ব্যক্তির নিকট মূল্যবান বস্তুর অর্পণ।

বাক্যে প্রয়োগ: একজন মূর্খ মানুষের হাতে এমন মূল্যবান ও প্রাচীন বই তুলে দেওয়া আর বানরের গলায় মুক্তোর হার দেওয়া একই কথা।


প্রবাদ-প্রবচন বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য:

      
  • ভাবার্থ: বানর যেমন মুক্তোর সৌন্দর্য বা অর্থনৈতিক মূল্য বোঝে না, তেমনি কোনো অপাত্রের হাতে মূল্যবান বস্তু বা সম্পদ অর্পিত হলে সে তার সঠিক মূল্যায়ন ও ব্যবহার করতে পারে না।
  •   
  • ব্যবহারিক দিক: সমাজে যখন কোনো অযোগ্য ব্যক্তির নিকট গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, জ্ঞান বা মূল্যবান সম্পদ তুলে দেওয়া হয়, তখন এই প্রবাদটি অলংকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  •   
  • সমার্থক প্রবাদ: 'উলু বনে মুক্তো ছড়ানো' বা 'শূকরের গলায় মুক্তোর হার'।
Satt AI
Satt AI
20 hours ago
512
উত্তরঃ

আলোচ্য উক্তিটি জ্ঞান ও বুদ্ধির গুরুত্ব এবং মুক্তির সাথে তাদের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক তুলে ধরে। মানবজীবনের সার্বিক উন্নতির জন্য জ্ঞানার্জন ও বুদ্ধির সঠিক প্রয়োগ অপরিহার্য। যখন জ্ঞান সীমিত থাকে, তখন মানুষের চিন্তার পরিধি সংকীর্ণ হয় এবং বিশ্ব সম্পর্কে তার ধারণা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই সীমাবদ্ধতা ব্যক্তি ও সমাজকে প্রগতির পথে বাধা দেয়, ফলে মানুষের মধ্যে অজ্ঞতা ও অন্ধকার বাসা বাঁধে।

অন্যদিকে, বুদ্ধি যখন আড়ষ্ট বা স্থবির হয়ে পড়ে, তখন মানুষ নতুন ধারণা গ্রহণ করতে, সমস্যা বিশ্লেষণ করতে কিংবা সৃজনশীল চিন্তাভাবনা করতে অক্ষম হয়। আড়ষ্ট বুদ্ধি কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস এবং গতানুগতিকতার জালে আবদ্ধ থাকে, যা মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে। বুদ্ধির এই জড়তা মানুষকে নতুন জ্ঞান অর্জনে নিরুৎসাহিত করে এবং তাকে মানসিকভাবে পরাধীন করে রাখে, যার ফলস্বরূপ ব্যক্তি নিজেকে চারপাশের পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে মানিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়।

প্রকৃত মুক্তি কেবল শারীরিক স্বাধীনতা নয়, এটি মূলত মানসিক ও আত্মিক মুক্তি। জ্ঞান ও বুদ্ধির উন্মোচন ছাড়া এই মুক্তি অর্জন অসম্ভব। জ্ঞান মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসে এবং তাকে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে শেখায়। বুদ্ধি তাকে অর্জিত জ্ঞানকে বিচার-বিশ্লেষণ করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলে। এই দুইয়ের সমন্বয়েই মানুষ আত্মসচেতন, আত্মনির্ভরশীল ও স্বাধীনচেতা হয়ে ওঠে এবং জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে পারে।

বস্তুত, জ্ঞান ও বুদ্ধির সজীব ও গতিশীল প্রবাহই ব্যক্তি ও সমাজকে সকল প্রকার স্থবিরতা, কুসংস্কার এবং সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত করে স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ এনে দেয়। যে সমাজে জ্ঞানচর্চা উপেক্ষিত এবং বুদ্ধির বিকাশ রুদ্ধ, সে সমাজে মানুষের অগ্রগতি হয় না এবং মুক্তি সেখানে কেবলই একটি অলীক স্বপ্ন হয়ে থেকে যায়। তাই মুক্তি অর্জনের জন্য নিরন্তর জ্ঞানচর্চা এবং বুদ্ধির প্রখরতা অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
508
(৩)

সারাংশ লিখুন:

অনেকে বলেন, আঁঠিই ফলের প্রধান অংশ এবং বৈজ্ঞানিক যুক্তির দ্বারা তাহার প্রমাণ করাও যায়। কিন্তু তথাপি অনেক রসজ্ঞ ব্যক্তি ফলের শস্যটি খাইয়া তাহার আঁঠি ফেলিয়া দেন। তেমনি কোনো কাব্যের মধ্যে যদি-বা কোনো বিশেষ শিক্ষা থাকে, তথাপি কাব্যরসজ্ঞ ব্যক্তি তাহার রসপূর্ণ কাব্যাংশটুকু লইয়া শিক্ষাংশটুকু ফেলিয়া দিলে কেহ তাঁহাকে দোষ দিতে পারে না। কিন্তু যাহারা আগ্রহ সহকারে কেবল ঐ শিক্ষাংশটুকুই বাহির করিতে চাহেন, আশীর্বাদ করি তাঁহারাও সফল হউন এবং সুখে থাকুন। আনন্দ কাহাকেও বলপূর্বক দেওয়া যায় না। কুসুম্ভফুল হইতে কেহ-বা তাহার রঙ বাহির করে, কেহ-বা তৈলের জন্য তাহার বীজ বাহির করে, কেহ-বা মুগ্ধনেত্রে তাহার শোভা দেখে। কাব্য হইতে কেহ-বা ইতিহাস আকর্ষণ করেন, কেহ-বা দর্শন উৎপাটন করেন, কেহ-বা নীতি, কেহ-বা বিষয়জ্ঞান উদ্‌ঘাটন করিয়া থাকেন, আবার কেহ-বা কাব্য হইতে কাব্য ছাড়া আর কিছুই বাহির করিতে পারেন না।

914
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

সারাংশ লিখুন:

অনেকে বলেন, আঁঠিই ফলের প্রধান অংশ এবং বৈজ্ঞানিক যুক্তির দ্বারা তাহার প্রমাণ করাও যায়। কিন্তু তথাপি অনেক রসজ্ঞ ব্যক্তি ফলের শস্যটি খাইয়া তাহার আঁঠি ফেলিয়া দেন। তেমনি কোনো কাব্যের মধ্যে যদি-বা কোনো বিশেষ শিক্ষা থাকে, তথাপি কাব্যরসজ্ঞ ব্যক্তি তাহার রসপূর্ণ কাব্যাংশটুকু লইয়া শিক্ষাংশটুকু ফেলিয়া দিলে কেহ তাঁহাকে দোষ দিতে পারে না। কিন্তু যাহারা আগ্রহ সহকারে কেবল ঐ শিক্ষাংশটুকুই বাহির করিতে চাহেন, আশীর্বাদ করি তাঁহারাও সফল হউন এবং সুখে থাকুন। আনন্দ কাহাকেও বলপূর্বক দেওয়া যায় না। কুসুম্ভফুল হইতে কেহ-বা তাহার রঙ বাহির করে, কেহ-বা তৈলের জন্য তাহার বীজ বাহির করে, কেহ-বা মুগ্ধনেত্রে তাহার শোভা দেখে। কাব্য হইতে কেহ-বা ইতিহাস আকর্ষণ করেন, কেহ-বা দর্শন উৎপাটন করেন, কেহ-বা নীতি, কেহ-বা বিষয়জ্ঞান উদ্‌ঘাটন করিয়া থাকেন, আবার কেহ-বা কাব্য হইতে কাব্য ছাড়া আর কিছুই বাহির করিতে পারেন না।

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews