নিচের বানানগুলোর শুদ্ধরূপ লিখুনঃ 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কথপোকথোন = কথোপকথন

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

জ্বাজ্জল্যমাণ = জাজ্বল্যমান 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

রেজিষ্ট্রেশন = রেজিস্ট্রেশন 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

গর্ধব= গর্দভ 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

নিশিথিনি = নিশীথিনী 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
87

Related Question

View All
উত্তরঃ

অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. যৌগিক শব্দ

২. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং

৩. যোগরূঢ় শব্দ

 

যৌগিক শব্দ: যেসব শব্দ প্রকৃতি ও প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়ে অভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাদের যৌগিক শব্দ বলে।

উদাহরণ: (i) গৈ + অক = গায়ক (গান করে যে)।

 (ii) মিথ্যা + উক = মিথ্যুক (মিথ্যা কথা বলে যে)। 

(iii) বাবু+আনা = (বাবুর ভাব)। 

(iv) কৃ+তব্য= কর্তব্য (যা করা উচিৎ)। 

(v) দুহিতা + ষ্ণ = দৌহিত্র ।

 

রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: যে সকল শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রুঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।

উদাহরণ: (i) হস্ত + ইন = হস্তী (হস্ত আছে যার); কিন্তু 'হস্তী' বলতে একটি পশুকে বোঝায়।

 (ii) গো + এমনা = গবেষনা (অর্থ গরু খোঁজা)। কিন্তু বর্তমান অর্থে ব্যপক অর্থায়ন ও পর্যালোচনা এরূপ বাঁশি, তৈল, প্রধান ইত্যাদি।

 

যোগরূঢ় শব্দ: সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।

উদাহরণ: (i)পঙ্কজ= পক্ষে জন্মে যা পঙ্কজ। অথচ পঙ্কে অনেক কিছুই জন্মে। কিন্তু পঙ্কজ বলতে পদ্মফুলকেই বোঝানো হয়। 

(ii) রাজপুত = রাজার পুত্র কিন্তু যোগরূপ হিসেবে জাতি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এরূপ মহাযাত্রা, জলধি ইত্যাদি।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
2.7k
উত্তরঃ

যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় তাকে বাক্য বলে। একটি সার্থক বাক্যের গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্য: ভাষার বিচারে একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। যথা: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।

আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তা-ই আকাঙ্ক্ষা। যেমন: চাঁদ পৃথিবীর চারিদিকে' বললে বাক্যটি সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না, আরও কিছু শোনার ইচ্ছা হয়। বাক্যটি এভাবে পূর্ণাঙ্গ করা যায়- চাঁদ পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে'। এখানে আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি হয়েছে বলে এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।

আসত্তি: বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই আসত্তি। মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পরপর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। যেমন: কাল বিতরণী হবে উৎসব কলেজে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত। এখানে পদগুলোর সঠিকভাবে সন্নিবেশ না হওয়ায় বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাবটি যথাযথভাবে প্রকাশিত হয়নি। তাই এটিকে বাক্য বলা যায় না। এ ক্ষেত্রে পদগুলোকে নিচের যথাস্থানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে। কাল আমাদের কলেজে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এটি একটি আসত্তি সম্পন্ন বাক্য। 

যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদগুলোর অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলনবন্ধনের নামই যোগ্যতা। যেমন: বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। কারণ, বাক্যটিতে পদগুলোর অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় রয়েছে। কিন্তু বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে বললে বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারাবে, কারণ রৌদ্র প্লাবন সৃষ্টি করে না।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে আমরা বলতে পারি যে এই তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্যের উপর বাক্যের সার্থকতা নির্ভর করে।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
1.4k
উত্তরঃ

কেউকেটা (নগণ্য ব্যক্তি): করিম সাহেবের মত কেউকেটা লোকের পক্ষে এ কাজ সম্ভব না।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

গো-মূর্খ (নিরেট মূর্খ বা বর্ণজ্ঞানহীন); হারিম সাহেবের গো-মূর্খ ছেলেটার এমন রূপসী গুণবতী বৌ জুটলো, একেই বলে ভাগ্য।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ): গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে চললে জীবনে উন্নতির কোন আশা নেই। 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

জলে কুমীর ডাঙ্গায় বাঘ (উভয়সঙ্কট): আবুল হোসেন বড় বেকায়দায় পড়েছিল, একদিকে মাতৃআজ্ঞা লঙ্ঘনের ফলে উদ্ভূত পাপ অন্যদিকে মাতৃআজ্ঞা অমান্য করার জন্য পিতাদেশ, কোন দিকে যাবে এ যেন তার জলে কুমীর ডাঙ্গায় বাঘ।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

সাক্ষী গোপাল (ব্যক্তিত্বহীন নিষ্ক্রিয় দর্শক): যারা সাক্ষী গোপাল তাদের দিয়ে কোন কাজ হয় না।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

ঘরের শত্রু বিভীষণ (যে স্বজন শত্রু): ঘরের শত্রু বিভীষণ করছে ক্ষতি ভীষণ।  

Tamanna
Tamanna
2 years ago
111
উত্তরঃ

শব্দ গঠন: পৃথিবীর অন্যান্য ভাষার মতো বাংলা ভাষায়ও কতকগুলো সুনির্দিষ্ট নিয়মের মাধ্যমে নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়। এই শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াও যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়। বৈচিত্র্যময় শব্দ তৈরির এই প্রক্রিয়াসমূকেই সাধারণভাবে শব্দ গঠন বলা যেতে পারে। নিচে বাংলা ভাষায় শব্দগঠনের উল্লেখযোগ্য ৫টি প্রক্রিয়া উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো-

১. সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠন: এই প্রক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদ একপদে পরিণত হয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন: মহৎ যে জন = মহাজন, জায়া ও পতি = দম্পতি ইত্যাদি।

২. উপসর্গযোগে শব্দ গঠন: এ ক্ষেত্রে ধাতু বা শব্দের পূর্বে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন: প্র+হার=প্রহার, পরা+জয়-পরাজয় ইত্যাদি।

৩. সন্ধির সাহায্যে শব্দ গঠন: পাশাপাশি দুটি বর্ণের একত্রীকরণের ফলে এই প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, পর + উপকার = পরোপকার ইত্যাদি।

৪. প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠন: ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করেও নতুন নতুন শব্দ গঠন করা যায়। যেমন: 

ক) কৃৎ প্রত্যয় যোগে: পড় + আ=পড়া, পঠ + অক পাঠক ইত্যাদি। 

খ) তদ্ধিত প্রত্যয়যোগেঃ কলম দানি= কলমদানি, নাম + তা = নামতা ইত্যাদি। 

৫. বিভক্তির সাহায্যে শব্দ গঠন: শব্দের শেষে বিভক্তি যোগ করেও নতুন শব্দ গঠন করা যায়। যেমন: কর + এ= করে, রহিম + এর = রহিমের ইত্যাদি।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
17.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews