উত্তরঃ

গীতিনাট্য: বাল্মীকি-প্রতিভা

নৃত্যনাট্য: চিত্রাঙ্গদা


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গীতিনাট্য ও নৃত্যনাট্য ধারার এক পথিকৃৎ। তিনি ইউরোপীয় অপেরার আদলে বাংলা গীতিনাট্যের সূচনা করেন এবং পরবর্তীতে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের ধারাকে অবলম্বন করে নৃত্যনাট্যকে একটি স্বতন্ত্র শিল্পরূপ দান করেন।

গীতিনাট্য: এটি মূলত গান-প্রধান নাটক, যেখানে সংলাপের পরিবর্তে চরিত্রগুলির বক্তব্য ও কাহিনীর অগ্রগতি মূলত গানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথের গীতিনাট্যগুলি ভারতীয় শাস্ত্রীয় রাগ এবং লোকসংগীতের সুর দ্বারা প্রভাবিত।

  • উল্লেখযোগ্য গীতিনাট্য: বাল্মীকি-প্রতিভা (১৮৮১), কালমৃগয়া (১৮৮২), মায়ার খেলা (১৮৮৮), তাসের দেশ (১৯৩৩, পরবর্তীতে নৃত্যনাট্যে রূপান্তরিত)।

নৃত্যনাট্য: এটি নৃত্য-প্রধান নাটক, যেখানে কাহিনী, চরিত্রগুলির আবেগ ও বিভিন্ন ঘটনা মূলত নৃত্য ও সঙ্গীতের মাধ্যমে পরিবেশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ মণিপুরী, কথাকলি, ভরতনাট্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ভারতীয় নৃত্যের ধারাকে নিজস্ব শৈলীতে সমন্বয় করে নৃত্যনাট্যের একটি বিশেষ আঙ্গিক তৈরি করেন।

  • উল্লেখযোগ্য নৃত্যনাট্য: চিত্রাঙ্গদা (১৯৩৬), চণ্ডালিকা (১৯৩৩), শ্যামা (১৯৩৯), নটির পূজা (১৯২৬), শাপমোচন (১৯৩১)।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ১৯২২ সালে; অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থ।

কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কবিতা 'বিদ্রোহী' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক 'বিজলী' পত্রিকায়। কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর এটি পাঠক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। পরে একই বছর তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নি-বীণা'য় (প্রকাশকাল: ১৯২২) 'বিদ্রোহী' কবিতাটি দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। 'বিদ্রোহী' কবিতা বাংলা সাহিত্যে নজরুলের স্বতন্ত্র কবিসত্ত্বা এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ, লেখক ও মানবতাবাদী ব্যক্তি। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপায়ন ঘটে এবং তিনি বাংলা ভাষার এক নতুন ধারা তৈরি করেন। শিশুদের বাংলা শিক্ষাকে সহজ ও উন্নত করতে তিনি 'বর্ণপরিচয়' রচনা করেন, যা আজও বাংলা শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্ম ছিল সুদূরপ্রসারী ও বহুমুখী। তাঁর রচিত ও অনূদিত গ্রন্থাবলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি', 'শকুন্তলা', 'সীতার বনবাস', 'ভ্রান্তিবিলাস' ইত্যাদি। তিনি Chamber's Biography অবলম্বনে 'জীবনচরিত' রচনা করেন, যা জীবনীমূলক লেখার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এছাড়া, তাঁর লেখায় নৈতিক উপদেশ ও সামাজিক আদর্শের প্রতিফলন দেখা যায়, যা 'উপদেশ' শিরোনামের রচনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এভাবেই তিনি বাংলা সাহিত্য ও সমাজ উভয়কেই সমৃদ্ধ করে গেছেন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ শওকত ওসমান; উপন্যাস

"আগুনের মেঘে" প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি উপন্যাস। শওকত ওসমান (১৯১৭-১৯৯৮) ছিলেন একজন বাঙালি মুসলমান কথাসাহিত্যিক, যিনি তাঁর সমাজ সচেতনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধবিরোধী চেতনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। তিনি তাঁর সাহিত্যিক জীবনে অসংখ্য উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ ও শিশুতোষ গ্রন্থ রচনা করেছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিকর্মের মধ্যে রয়েছে উপন্যাস "ক্রীতদাসের হাসি", "জননী", "চৌরসন্ধি", "আর্তনাদ", "রাজা উপাখ্যান"; গল্পগ্রন্থ "জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প", "উভয় কূল হারালো"; এবং নাটক "আমলার মামলা", "পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা"। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২), একুশে পদক (১৯৮৩) এবং স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭) সহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। "আগুনের মেঘে" উপন্যাসে লেখকের গভীর পর্যবেক্ষণ এবং সামাজিক অসংগতি ও মানব মনের জটিলতার বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ সঞ্চয়ন; ১৯৪৯ সালে

কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন একাধারে একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং মানবতাবাদী। তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর প্রজ্ঞা ও মননশীলতার জন্য পরিচিত। তাঁর প্রথম ও বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন হলো 'সঞ্চয়ন' যা ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই সংকলনে তাঁর বিভিন্ন সময়ে রচিত মূল্যবান প্রবন্ধগুলো স্থান পেয়েছে, যেখানে বিজ্ঞানমনস্কতা, যুক্তিবাদ, মানবতাবোধ এবং সমাজচিন্তার গভীর প্রতিফলন দেখা যায়। 'সঞ্চয়ন' বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন এবং এর মাধ্যমে কাজী মোতাহার হোসেন তাঁর সুচিন্তিত মতামত ও বিশ্লেষণ পাঠক সমাজে তুলে ধরেছেন, যা আজও প্রাসঙ্গিক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ হাজার বছর ধরে, সূর্যগ্রহণ

জহির রায়হান ছিলেন একজন স্বনামধন্য বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার। তিনি ১৯৬৪ সালে তার বিখ্যাত উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'-এর জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এটি তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম।

তার উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:

        
  • সূর্যগ্রহণ (এটি তার প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ)
  •     
  • একুশে ফেব্রুয়ারি
  •     
  • কয়েকটি মৃত্যু
  •     
  • গ্লাস ভাঙার শব্দ
  •     
  • সোনার হরিণ
  •     
  • একটি জিজ্ঞাসা

জহির রায়হান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নির্মিত চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেয়া' (১৯৭০) বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে এক কালজয়ী সৃষ্টি। ১৯৭১ সালের ৩০শে ডিসেম্বরের পর তিনি নিখোঁজ হন এবং ধারণা করা হয়, তিনি শহীদ হন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

মুনীর চৌধুরী (২৭ নভেম্বর ১৯২৫ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) ছিলেন একজন বাঙালি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং বুদ্ধিজীবী। তার রচিত কবর (রচনাকাল ১৯৫৩, প্রকাশকাল ১৯৬৬) পূর্ববাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক

জগন্নাথ কলেজে থাকাকালীন সময়ে ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম নাটক "মরক্কোর জাদুকর"।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
129

১। "প্রণমিয়া পাটুনী কহিল জোর হাতে, আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে"--অন্নদামঙ্গল কাব্য(ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর)

২. "মানুষ মরে গেলে পচে যায় ,বেঁচে থাকলে বদলায়..-রক্তাক্ত প্রান্তর,মুনির চৌধুরী

৩. ‘অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়’---- মুকুন্দরাম।

৪. ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন/হউক দূর অকল্যাণ সফল অশোভন।'--শেখ ফজলল করিম।

৫. "আমারে নিবা মাঝি লগে???..."পদ্মা নদীর মাঝি" -মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

৬. ‘যে জন দিবসে মনের হরষে জালায় মোমের বাতি’---(সদ্ভাব শতক)- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

৭. ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল।”- মদনমোহন তর্কালঙ্কার

৮. ‘সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি।’---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৯. ‘স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে’--- রঙ্গলাল মুখপাধ্যায়।

১০. মেয়ের সম্মান মেয়েদের কাছেই সব চেয়ে কম। তারা জানেও না যে, এইজন্যে মেয়েদের ভাগ্যে ঘরে ঘরে অপমানিত হওয়া এত সহজ। তারা আপনার আলো আপনি নিবিয়ে বসে আছে। তারপরে কেবলই মরছে ভয়ে,...ভাবনায়,...অযোগ্য লোকের হাতে...খাচ্ছে মার, আর মনে করছে সেইটে নীরবে সহ্য করাতেই স্ত্রীজন্মের সর্বোচ্চ চরিতার্থ।.....যোগাযোগ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১১. ‘চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে?”-- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

১১. ‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না কোলাহল করি সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না।’--- কাজী নজরুলর ইসলাম

১২.‘কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর; মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক,মানুষেতে সুরাসুর। --শেখ ফজলল করিম

১৩. ‘যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা, যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা’---- নির্মলেন্দু গুন।

১৪. ‘আমার দেশের পথের ধুলা খাটি সোনার চাইতে খাঁটি’----- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

১৫. ‘আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।’---- শামসুর রাহমান।

১৬. ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা বিপদে আমি না যেন করি ভয়’--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১৭. ‘রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা’-- কাজী নজরুলর ইসলাম

১৮.‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ দেখিতে চাই না আর’-জীবনানন্দ দাশ

১৯. ‘বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ’--- যতীন্দ্রমোহন বাগচী

২০. ‘ক্ষুধার রাজ্য পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’-- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

২১. ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’-----ভারতচন্দ্র

২২. ‘‘প্রীতি ও প্রেমের পূন্য বাধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গে আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।”---শেখ ফজলল করিম

২৩. ‘‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে।”--- সুফিয়া কামাল

২৪. “রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম ঘন্টা রাজছে রাতে রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে”- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

২৫.‘‘আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা ‘পরে তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে।” --রজনীকান্ত সেন

২৬. ‘‘সংসারেতেঘটিলে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়”- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২৭. ‘‘মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে ক’রে গমন হয়েছেন প্রাতঃস্মরনীয়।” --হেমচন্দ্রবন্দ্যোপাধ্যায়

২৮. ‘‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।”---কামিনী রায়।

২৯. “মুক্ত করো ভয়/ আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।/ সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান/সংকোচের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ/দুর্বলেরে রক্ষা করো দুর্জনেরে হানো/নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।”---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩০. ‘‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে।”----- জীবনানন্দ দাশ।

৩১. ‘‘হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছে পৃথিবীর পথে সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীদের অন্ধকারে মালয় সাগরে”---- জীবনানন্দ দাশ।

৩২.‘‘সব পাখি ঘরে আসে সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেন দেন; থাকে শুধু অন্ধকার”---জীবনানন্দ দাশ।

৩৩. ‘‘আমি যদি হতাম বনহংস বনহংসী হতে যদি তুমি”--- জীবনানন্দ দাশ।

৩৪.‘শোনা গেল লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে; কাল রাতে ফাণ্ডুন রাতের চাঁদ মরিবার হলো তার সাধ”----- জীবনানন্দ দাশ।

৩৫. ‘‘সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে,”--- জীবনানন্দ দাশ।

৩৬.‘‘হে সূর্য! শীতের সূর্য! হিমশীতল সুদীর্ঘ রাত তোমার প্রতীক্ষায়আমরা থাকি,”----- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

৩৭. ‘অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুদ্ধ স্বদেশ ভূমি।’-----সুকান্ত ভট্টাচার্য।

৩৮. ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছাসে,”--- - সুকান্ত ভট্টাচার্য।

৩৯. ‘হে মহা জীবন, আর এ কাব্য নয়, এবার কঠিন, কঠোর গদ্য আনো’ -----সুকান্ত ভট্টাচার্য।

৪০. ‘‘কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখে নি” ---সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

৪১. ‘‘আজি হতে শত বর্ষে পরে কে তুমি পড়িছ, বসি আমার কবিতাটিখানি কৌতূহল ভরে,”--- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৪২. ‘‘আজি হ’তে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে’--কাজী নজরুল ইসলাম

৪৩. ‘মহা নগরীতে এল বিবর্ন দিন, তারপর আলকাতরার মত রাত্রী’----- সমর সেন।

৪৪. ‘‘আমি কিংবদন্তীরকথা বলছি, আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি” ----আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।

৪৫. ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো এ তরী, আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।’------ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৪৬.‘‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার সময় তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।”-----হেলাল হাফিজ।

৪৭. ‘জন্মেই কুঁকড়ে গেছি মাতৃজরায়ন থেকে নেমে, সোনালী পিচ্ছিল পেট আমাকে উগড়ে দিলো যেন’------শহীদ কাদরী।

৪৮. ‘‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি”------- দাউদ হায়দার।

৪৯.‘মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’----অতুলপ্রসাদ সেন।

৫০.‘স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার? ভয়কি কি বন্ধু, আমরা এখনো’----আলাউদ্দিন আল আজাদ।

৫১.‘‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,”-- রুদ্র মোঃ শহীদুল্লাহ।

৫২.‘‘বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-নলে কিন্তু এ স্নেহের তৃঞ্চা মিটে কার জলে?”------ মধুসূদন দত্ত।

৫৩. ‘‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।”-----জসীম উদ্দিন।

৫৪.‘‘যে শিশু ভুমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুমঃ সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,”---সুকান্ত ভট্টাচার্য।

৫৫.‘‘আপনাদের সবার জন্য এই উদার আমন্ত্রন ছবির মতো এই দেশে একবার বেড়িয়ে যান।”----- আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।

৫৬. ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সকিনা বিবির কপালে ভাঙলো, সিথির সিদুঁর মুছে গেল হরিদাসীর”-- শামসুর রাহমান।

৫৭.‘‘জনতারসংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই।” হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে।--সিকান্দার আবু জাফর।

৫৮. ‘ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবীরের রাগে অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।”--- জসীম উদ্দিন।

৫৯. ‘তাল সোনাপুরের তালেব মাস্টার আমি, আজ থেকে আরম্ভ করে চল্লিশ বছর দিবসযামী’---আশরাফ ছিদ্দিকী।

৬০. ‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার বধুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।’----- চন্ডিদাস।

৬১. ‘রূপলাগি অখিঁ ঝুরে মন ভোর প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর।’ --------চন্ডিদাস।

৬২. ‘‘কুহেলী ভেদিয়া জড়তা টুটিয়া এসেছে বসন্তরাজ”---- সৈয়দ এমদাদ আলী।

৬৩. ‘‘হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি, পর ধন লোভে মত্ত করিনু ভ্রমন”-- মধুসূদন দত্ত।

৬৪.“মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ’ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৬৫.“এতই যদি দ্বিধা তবে জন্মেছিলে কেন?”– নির্মলেন্দু গুণ

৬৬. হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, – জীবনান্দ দাশ

৬৭. “বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে” – রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ্

৬৮. "ঝিনুক নীরবে সহো,/ঝিনুক নীরবে সহো,/ঝিনুক নীরবে সহে যাও, ভিতরে বিষের থলি/ মুখ বুঝে মুক্তা ফলাও।"--- আবুল হাসান

৬৯."এইখানেসরোজিনী শুয়ে আছে, জানিনা সে এইখানে শুয়ে আছে কিনা"- জীবনানন্দ দাস

৭০. "পৃথিবীর সবকটা সাদা কবুতর/ ইহুদী মেয়েরা রেঁধে পাঠিয়েছে/মার্কিন জাহাজে"---- আল মাহমুদ

৭১."তুমি যাবে ভাই? যাবে মোর সাথে,/ আমাদের ছোট গাঁয় ? গাছের ছায়ায় লতায় পাতায়/উদাসী বনের বায় ?" ---- জসীমউদ্‌দীন

৭২. অপদার্থ মানুষকে অনুকরণ করে নিজের মনুষ্যত্বকে হীন কর না, শুধু অর্থ ও সম্পদের সামনে তোমার মাথা যেন নত না হয়।

--মোহাম্মদ লুতফর রহমান

৭৩. সাহিত্য জাতির দর্পন স্বরূপ------প্রমথ চৌধুরী

৭৪.সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত------প্রমথ চৌধুরী

৭৫. শিক্ষার 'স্ট্যান্ডার্ড' মানে জ্ঞানের 'স্ট্যান্ডার্ড', মিডিয়ামের 'স্ট্যান্ডার্ড' নয়।---আবুল মনসুর আহমদ

৭৬.বিদেশি ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষিত হইবার পর, আগে নয়।---আবুল মনসুর আহমদ

৭৮. ‘‘এ দুর্ভাগা দেশ হতে হে মঙ্গলময় /দূর করে দাও তুমি সর্ব তুচ্ছ ভয়-/ লোক ভয়, রাজভয়, মৃত্যু ভয় আর/দীনপ্রাণ দুর্বলের এ পাষাণভার।”---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৭৯. রাজনীতিবিদদের কামড়াকামড়ির দায় রাজনীতির নয়,বরং বুর্জোয়া কাঠামোর নড়বড়ে গঠনই রাষ্ট্রের বারোটা বাজিয়ে দেয় ।(সংস্কৃতিরভাঙ্গা সেতু)--আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

৮০. “বিপ্লব, অবিশ্যি, শান্ত ভাবেও হতে পারে- অনেকখানি সময় লাগিয়ে ছোট-মাঝারিকিস্তিতে; বহু শত বৎসর পরে যোগফলে মহাবিপ্লবের চেহারাটা অনুমান করা যাবে। বড় বিপ্লব দিয়েই শুরু হতে পারে- ততটা শান্ত ভাবে নয়- বেশি মানবীয় শক্তি খরচ করে নয়। যে সভ্যতা দর্শনের আঁধার-খননেআবছা হয়ে ছিল এতকাল, তাকে যুক্তির পথে চালিয়ে নিয়ে ক্রমেই আলোকিত করে তুলবার জন্যে- পৃথিবীর সকলেরই নিঃশ্রেয়সের জন্যে এই বিপ্লব। অনেকেই এই রকম কথা বলছে। কিন্তু বিপ্লব আসেনি এখনও।-----জীবনানন্দ দাশ।

৮১. "বিপ্লব স্পন্দিত বুকে, মনে হয় আমিই লেনিন"- সুকান্ত ভট্টাচার্য

৮২.সত্যি যেদিন পাখিকে খাঁচা থেকে ছেড়ে দিতে পারি/সেদিন বুঝতে পারি পাখিই আমাকে ছেড়ে দিলে।/যাকে আমি খাঁচায় বাঁধি সে আমাকে আমার ইচ্ছেতে বাঁধে, সেই ইচ্ছের বাঁধন যে শিকলের বাঁধনের চেয়েও শক্ত। ......ঘরে বাইরে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৮৩. "মাধবী হঠাৎ কোথা হতে এল ফাগুন দিনের স্রোতে, এসে হেসেই বলে যাই যাই যাই।--মাধবীফুল গাছ সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৮৪."তরবারিগ্রহণ করতে হয় উচ্চশিরে উদ্ধত হস্ত তুলে, মালা গ্রহণ করতে হয় উচ্চশির অবনমিত করে,উদ্ধত হস্ত যুক্ত করে ললাট ঠেকিয়ে।"---কাজীনজরুল ইসলাম

৮৫.'বামন চিনি পৈতা প্রমাণ বামনী চিনি কিসে রে।' ---লালন

৮৬.যে খ্যাতির সম্বল অল্প তার সমারোহ যতই বেশি হয়, ততই তার দেউলে হওয়া দ্রুত ঘটে। ---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৮৭.বাহিরেরস্বাধীনতা গিয়াছে বলিয়া অন্তরের স্বাধীনতাকেও আমরা যেন বিসর্জন না দিই। ---কাজী নজরুল ইসলাম

৮৮. ....যেন হাঁক দিয়ে আসে,অপূর্ণের সংকীর্ণ খাদে,পূর্ণ স্রোতের ডাকাতি......অঙ্গে অঙ্গে পাক দিয়ে ওঠে,কালবৈশাখীর-ঘূর্ণি-মার-খাওয়া অরণ্যের বকুনি।---রবীন্দ্রনাথঠাকুর

৮৯।"এই অসুন্দরের শ্রদ্ধা নিবেদনের শ্রাদ্ধ দিনে বন্ধু, তুমি যেন যেওনা"....কাজী নজরুল ইসলাম

৯০।'কী পাইনি তারই হিসাব মেলাতে মন মোর নহে রাজি'--রবীন্দ্রনাথঠাকুর

৯১। "প্রহরশেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস,তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ।"--রবীন্দ্রনাথঠাকুর

৯২। 'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’---মাহবুব উল আলম চৌধুরী

৯৩। এক সে পদ্ম তার চৌষট্টি পাখনা,--------চর্যাপদ

৯৪। বিশ্বপিতা স্ত্রী ও পুরুষের কেবল আকারগত কিঞ্চিত ভেদ সংস্থাপন করিয়াছেন মাত্র। মানসিক শক্তি বিষয়ে ন্যূনাধিক্য স্থাপন করেন নাই। অতএব বালকেরা যেরূপ শিখিতে পারে বালিকারা সেরূপ কেন না পারিবেক।---মদনমোহন তর্কালঙ্কার

৯৫। যে মরিতে জানে সুখের অধিকার তাহারই। যে জয় করে ভোগ করা তাহাকেই সাজে। ---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৯৬।যে লোক পরের দুঃখকে কিছুই মনে করে না তাহার সুখের জন্য ভগবান ঘরের মধ্যে এত স্নেহের আয়োজন কেন রাখিবেন।-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (দুর্বুদ্ধি)।

৯৭।সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট।---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমস্যাপূরণ)।

৯৮।হঠাৎ একদিন পূর্নিমার রাত্রে জীবনে যখন জোয়ার আসে, তখন যে একটা বৃহৎ প্রতিজ্ঞা করিয়া বসে জীবনের সুদীর্ঘ ভাটার সময় সে প্রতিজ্ঞা রক্ষা করিতে তাহার সমস্ত প্রাণে টান পড়ে।--রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।

৯৯।নারী দাসী বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে নারী রানীও বটে। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।

১০০।মনে যখন একটা প্রবল আনন্দ একটা বৃহৎ প্রেমের সঞ্চার হয় তখন মানুষ মনে করে, ‘আমি সব পারি’। তখন হঠাৎ আত্নবিসর্জনের ইচ্ছা বলবতী হইয়া ওঠে। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মধ্যবর্তিনী)।

১০১।সংসারের কোন কাজেই যে হতভাগ্যের বুদ্ধি খেলে না, সে নিশ্চয়ই ভাল বই লিখিবে।-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(সম্পাদক)।

১০২।যে ছেলে চাবামাত্রইপায়, চাবার পুর্বেই যার অভাব মোচন হতে থাকে; সে নিতান্ত দুর্ভাগা। ইচ্ছা দমন করতে না শিখে কেউ কোনকালে সুখী হতে পারেনা।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (কর্মফল)।

১০৩।সামনে একটা পাথর পড়লে যে লোক ঘুরে না গিয়ে সেটা ডিঙ্গিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চায়-বিলম্বতারই অদৃষ্টে আছে।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (কর্মফল)।

১০৪।বিধাতাআমাদের বুদ্ধি দেননি কিন্তু স্ত্রী দিয়েছেন, আর তোমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন; তেমনি সঙ্গে সঙ্গে নির্বোধ স্বামীগুলোকেও তোমাদের হাতে সমর্পন করেছেন।- আমাদেরই জিত।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (কর্মফল)।

১০৫।বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয়, তখন আর গড়ে নেবার ফাঁক পাওয়া যায় না।-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(শেষের কবিতা)।

১০৬।লোকে ভুলে যায় দাম্পত্যটাএকটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(শেষের কবিতা)।

১০৭।পূর্ন প্রাণে যাবার যাহা ,রিক্ত হাতে চাসনে তারে,সিক্ত চোখে যাসনে দ্বারে।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।

১০৮।সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে ভালবাসার স্বাদ থাকেনা- তরকারীতে লঙ্কামরিচের মত। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (চোখের বালি)।

১০৯।সাধারনত স্ত্রীজাতিকাঁচা আম, ঝাল লন্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে। যে দুর্ভাগ্য পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হইতে বঞ্চিত সে-যে কুশ্রী অথবা নির্ধন তাহা নহে; সে নিতান্ত নিরীহ। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মনিহারা)।

১১০। যারে তুমি নিচে ফেল সে তোমাকে বাঁধিবে যে নিচে। পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১১১।মনেরে আজ কহযে, ভালমন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (বোঝাপড়া-কবিতা)।

১১২।আশাকে ত্যাগ করলেও সে প্রগলভতা নারীর মত বারবার ফিরে আসে। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১১৩।দুঃখেরবরষায় চক্ষের জল যেই নামল,বক্ষের দরজায় বন্ধুর রথ সেই থামল। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১১৪।"কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥"- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১১৫। যাকে বিয়ে করেছি সে কলস প্রতিদিনেরতৃষ্না মিটাই কিন্তু এতে স্নান করা যায় না আর যাকে ভালোবাসতাম সে কলস তাতে স্নান করা যায় কিন্তু বাড়ি আনা যায় না--রবীন্দ্রনাথ(শেষের কবিতা)

Related Question

View All
উত্তরঃ উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলাম।

'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে প্রেম, বিদ্রোহ, আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটকে উপজীব্য করা হয়েছে। এটি নজরুলের বিপ্লবী চেতনা ও রোমান্টিক ভাবধারার এক অনবদ্য মিশ্রণ।

কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ এবং দার্শনিক। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, যে কারণে তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার সাহিত্যে সাম্য, মানবতা এবং বিদ্রোহের বাণী প্রবলভাবে উচ্চারিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
491
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভানুসিংহের পদাবলী

ভানুসিংহ ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে "ভানুসিংহের পদাবলী" নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে লেখা একগুচ্ছ কবিতা নিয়ে গঠিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব সাহিত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কবিতাগুলো লেখেন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ ও মিলনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রাথমিক কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং একটি স্বতন্ত্র সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
383
উত্তরঃ

কাজী নজরুল ইসলামের 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের মূলবক্তব্য তৎকালীন গ্রাম বাংলার মুসলিম সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য ও কুসংস্কারের চিত্র তুলে ধরা। এটি মূলত শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, সামাজিক অবিচার এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক সাহসী প্রতিবাদ। উপন্যাসে প্রেম, আত্মত্যাগ এবং মানবিক সম্পর্কের জটিলতার পাশাপাশি সাম্যবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে, যেখানে নারীর সংগ্রাম বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।


'মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০) কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটি তাঁর সাম্যবাদী ভাবধারা ও গণমানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই উপন্যাসের পটভূমি হলো হুগলি জেলার মুসলিম অধ্যুষিত একটি গ্রামীণ জনপদ, যেখানে অভাবী ও শ্রমজীবী মানুষের দৈনন্দিন জীবন, তাদের ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সামাজিক শোষণ ও বঞ্চনা নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র আনসার ও মেজোবৌয়ের প্রেম, তাদের চারপাশের মানুষের জীবনযুদ্ধ, এবং তৎকালীন সমাজে প্রচলিত ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদী মনোভাব মূল উপজীব্য। নজরুল দেখিয়েছেন কীভাবে ক্ষুধা মানুষের নীতি-নৈতিকতাকে প্রভাবিত করে এবং কীভাবে মানুষ চরম সংকটের মুখেও মানবিকতা ও প্রেমকে আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করে।

বিশেষ করে, উপন্যাসে নারীর অর্থনৈতিক বঞ্চনা, সামাজিক নির্যাতন এবং তাদের আত্মমর্যাদা রক্ষার সংগ্রামকে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রেমকাহিনী নয়, বরং এটি শ্রেণি-সংগ্রাম, মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং শোষিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষার এক শক্তিশালী সাহিত্যিক দলিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
485
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews