পৃথিবীতে কোনো কিছুই অর্জন করা সহজ নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কিউবা, যুগোস্লাভিয়া, পোল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়া ও পূর্ব জার্মানি নৈতিক সমর্থন প্রদান করলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গণচীন এর বিরোধিতা করে। ফলে বাংলাদেশের বিজয় দেরিতে আসে

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

জাতিসংঘের ক্ষমতাশীল পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্রের বিশেষ ক্ষমতাকে 'ভেটো ক্ষমতা' বলা হয়।
সদস্য রাষ্ট্র আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া- এই পাঁচটি রাষ্ট্র বিশেষ ক্ষমতাবলে জাতিসংঘের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানাতে পারে। আবার কোনো রাষ্ট্র সদস্য হতে চাইলে তাকে জাতিসংঘের সদস্য করা না করার ব্যাপারে মত প্রদান বা বাধাদান করতে পারে। জাতিসংঘের পাঁচটি রাষ্ট্রের এই বিশেষ ক্ষমতাই হলো ভেটো প্রদানের ক্ষমতা।

উত্তরঃ

বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গণচীনের বিরোধিতার বেশকিছু কারণ রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার সরকারি নীতি ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। প্রথম দিকে অস্ত্র এবং সমর্থন দিয়ে মার্কিন সরকার পাকিস্তানকে সহায়তা করে। তবে নিজ দেশে বিরোধী দলের চাপে মার্কিন সরকার ভারতে অবস্থানরত বাঙালি শরণার্থীদেরও আর্থিক সহায়তা করেছিল। ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সঙ্কো ভারতের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রচণ্ড ভারত বিরোধী ও পাকিস্তান ঘেঁষা নীতি অনুসরণ করতে থাকে। স্বভাবতই তাদের এ ভূমিকা বাংলাদেশের বিপক্ষে যায়। তবে মার্কিন আইনসভা, কংগ্রেস ও সিনেটের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
গণচীন: গণচীন ছিল ভারত বিরোধী পাকিস্তানের বন্ধুরাষ্ট্র।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে দেখা যায় চীন দখলদার, একনায়ক, স্বৈরাচার ও আগ্রাসী পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টকে নিরঙ্কুশ সমর্থ দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার প্রতিটি কার্যক্রমে চীন অন্ধের মতো সমর্থন দিয়েছে। চীন পাকিস্তানকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করেছিল এবং লাখ লাখ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ জাতিসংঘে সদস্যপদের আবেদন করলে চীন সেখানেও বিরোধিতা করেছিল।
তাই বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রশাসন বিপক্ষে অবস্থান করেছিল।

উত্তরঃ

বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
বিশ্বের পরাশক্তিগুলো তাদের স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করেছিল। কোনো কোনো পরাশক্তি বাংলাদেশের পক্ষে আবার কোনো কোনো পরাশক্তি পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করেছিল। এসব পরাশক্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং মুসলিম দেশগুলো পাকিস্তানের পক্ষে অন্যদিকে ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান করে। তবে ১৯৭১ সালের ২৫

মার্চের কালরাত এবং পরবর্তী সময়ের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গ বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। তবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বড় অবদান ভারতের। সে সময় ইরাক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জানায়। মার্কিন প্রশাসনের বিরোধিতা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল। ব্রিটেন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত গঠনের মূলকেন্দ্র। এর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান ও কানাডার প্রচার মাধ্যমগুলো পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিশ্বজনমত গঠনে সাহায্য করে। তাছাড়া ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ইতালি, স্পেন, ডেনমার্ক, সুইডেন প্রভৃতি রাষ্ট্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন ব্যক্ত করে। এমনকি কিউবা, যুগোস্লাভিয়া, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া প্রভৃতি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন জানায়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

215

Role of Bengalies Living Abroad and Other Countries in Our War of Independence

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় বাঙালির ওপর পাকিস্তানি সৈন্যদের নারকীয় তাণ্ডব এবং তাদের দোষরদের লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যাযজ্ঞের ভয়াবহতায় বিশ্ব বিবেক থমকে দাঁড়ায়। বিশ্বের বিবেকবান প্রতিটি মানুষ ও বিভিন্ন দেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এগিয়ে আসে, আবার কিছু কিছু দেশ বিরোধিতা করে। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম প্রহরে যে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তাতে প্রবাসী বাঙালিরা ব্যাপকভাবে সাড়া দেয়। প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন দিয়ে সহযোগিতার বিভিন্ন স্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায়ে বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টে সদস্যদের নিকট আবেদন করা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে প্রেরণ এবং পাকিস্তান যাতে বহির্বিশ্ব থেকে আর্থিক সাহায্য, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের সরকারের নিকট আবেদনসহ জনমত গঠনে প্রবাসী বাঙালি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন। প্রবাসী বাঙালিদের এসব উদ্যোগের উদ্যোগের ফলে পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন দেশ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।

পাকিস্তানি আমলে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও এর গতি-প্রকৃতি-ড. মোঃ ওয়াহেদুল ইসলাম স্যার এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে সর্বপ্রথম 'দৈনিক জয়বাংলা' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

459
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারত সরকার বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক দিক দিয়ে নানাভাবে সহায়তা করে।
পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে ভারত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি শরণার্থী সমস্যা মোকাবিলাসহ সামরিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে সাহায্য করে। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন, বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র ও মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভারত সরকার ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছিল।

519
উত্তরঃ

রিফাতের লেখাটি মূলত চীনকে ইঙ্গিত করে লেখা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চীনের প্রথম পর্যায়ের ভূমিকা হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চীন পাকিস্তানপন্থি থাকলেও মোটামুটিভাবে বাঙালির সংগ্রাম বিরোধী কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গোপনে সে পাকিস্তানের সামরিক চক্রকে নৈতিক শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল এবং সরাসরি সামরিক উপকরণ সরবরাহ করেছিল। ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত- েচুক্তি স্বাক্ষরের পর চীনের পাকিস্তানপন্থি নীতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসে চীন-পাকিস্তানকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, জাতীয় স্বার্থরক্ষায় চীন পাকিস্তানকে সাহায্য করবে। তখন পর্যন্তও চীনের বক্তব্যে বাঙালি বিরোধী তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৯৭১ সালের ৫ নভেম্বর চীনাদের আস্থাভাজন ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে যায় চীন থেকে অতিরিক্ত অঙ্গীকার বা সাহায্য পাওয়ার আশায়। কিন্তু চীনের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী চি পেঙ ফি পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। বাঙালিবিরোধী বক্তব্য না রাখলেও পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে চীন নিয়মিতভাবে পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করে।
তাই বলা যায়, রিফাতের ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো চীন।

407
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে এই দেশটি অর্থাৎ চীনের বিরোধিতার কোনো ছাপ না পাওয়া গেলেও দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী ছিল।
পাকিস্তান ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের পূর্বাঞ্চলে সামরিক হামলা করলে শুরু হয় সরাসরি পাক-ভারত যুদ্ধ। এ সময় হতে চীন জাতিসংঘে সরাসরি বাঙালিবিরোধী ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। পাক-ভারত যুদ্ধের জন্য চীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে দায়ী করে। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করার লক্ষ্যে ৫ ও ৭ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। কিন্তু প্রস্তাব দুটোর বিরুদ্ধে চীন প্রথম ভেটো প্রয়োগ করে এবং চীনের নিজস্ব প্রস্তাবে ভারতকে আগ্রাসী পক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের মাত্র ৪০ দিনের মাথায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী আসন লাভের পর প্রথম প্রস্তাবেই ভেটো প্রয়োগ করেছিল। এছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে চীন এক বিবৃতিতে 'তথাকথিত' বাংলাদেশের সৃষ্টির জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের তীব্র সমালোচনা করে। তবে পরবর্তীতে চীন তার নীতি পরিবর্তন করে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, এই দেশটির অর্থাৎ চীনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী উক্তিটি যথার্থ।

275
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য। পরিচালিত হত্যাকাণ্ডই হলো বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।
ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়ি, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার বদ্ধভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। জাতির সূর্য সন্তানদের তারা অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করে। যুদ্ধের পর বিভিন্ন বধ্যভূমিতে যেসব লাশ পাওয়া যায় তাদের কারও হাত-পা বাঁধা ছিল, কারও জিহ্বা কাটা ছিল, চক্ষু উপড়ানো ছিল কিংবা হাত-পা ভাঙা ছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যার দিনটিকে অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর 'বুদ্ধিজীবী দিবস' ঘোষণা করা হয়।

649
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews