ইসলামি শরিয়হ অর্থাৎ ফিকহ শাস্ত্র সংকলনে যাঁরা অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন ইমাম আবু হানিফা (র)।
ইমাম আবু হানিফা (র) কুরআন-হাদিস সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করে মুসলমানদের জন্য একটি আইনশাস্ত্র প্রণয়ন করেন। এটি ফিকহ শাস্ত্র নামে পরিচিত। এ শাস্ত্রে নামায, রোযা, হাজ্জ, যাকাত, ব্যবসায় বাণিজ্য, বিচারব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ফিকহ শাস্ত্রকে নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ আইন শাস্ত্র হিসেবে প্রণয়নের লক্ষ্যে তিনি বড় বড় আলিমদের নিয়ে তাঁর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেন। এতে বিখ্যাত আলিমদের মধ্যে ছিলেন ইমাম মোহাম্মদ ও ইমাম আবু ইউসুফ প্রমুখ।
ইমাম আবু হানিফা (র)-এর নেতৃত্বে গঠিত কমিটির দীর্ঘ ত্রিশ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে একটি সংকলন প্রকাশিত হয়। এ গ্রন্থের নাম 'ফীকহুল আকবর'। এ না হলে সাধারণ মানুষ ইসলামের বিধান পালন করতে অসুবিধায় পড়ত।
ইমাম আবু হানিফা (র) ফিকহ শাস্ত্র প্রণয়নে পবিত্র কুরআনকে প্রাধান্য দান করেছেন। হাদিস অনুসরণের বেলায় তিনি অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কুরআনকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। পরিশেষে বলা যায়, ইমাম আবু হানিফা ছিলেন উচ্চশ্রেণির আবিদ, আল্লাহ ভীরু। ফিকহ শাস্ত্র সংকলনে তাঁর অবদান অতুলনীয়। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সাধনায় তিনি যে আদর্শ রেখে গেছেন তা আমরা অনুসরণ করব।
Related Question
View Allহযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দাদার নাম আব্দুল মুতালিব।
সত্যবাদী, পরোপকারী, শান্তিকামী যুবক হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততায় মুগ্ধ হয়ে আপনপর সকলে তাঁকে আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করল।
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ 'মহামানব মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শের সাথে উদ্দীপকের সাঈদের কাজের আংশিক মিল রয়েছে। মহানবি (স.) শুধু একজন দীন প্রচারকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মানবীয় গুণের অধিকারী। মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ কামনাই ছিল রাসুল (স.)-এর সাধনা। তিনি আরববাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কুরাইশ গোত্রের সমমনা কয়েকজনকে সাথে নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' নামের একটি মানব কল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন।
উদ্দীপকের সাঈদ সাহেব মহানবি (স.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুরআনের শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে এলাকায় মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। গরিব-দুঃখীদের অবস্থা চিন্তা চিন্তা করে করে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত আফরোজা বেগমের কার্যক্রম মহানবি (স.)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে মিল রয়েছে।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন আরবের একজন বিখ্যাত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। তিনি মহানবির সুন্দর চরিত্র, সততা দেখে তাঁর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
হযরত মুহাম্মদ (স.) হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে বাড়িতে এসে খাদিজা (রা.)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। সব শুনে তিনি মহানবিকে সান্ত্বনা দিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ইসলাম প্রচারে মুহাম্মদ (স.)-কে সাহস ও উৎসাহ প্রদান করতেন।
'কুতুবে হানাফিয়্যা' তে তিরাশি হাজার মাসআলা নিয়ে রচিত হয়েছিল।
আইনের শাসন বলতে আইনের যথাযথ প্রয়োগকে বোঝায়। অর্থাৎ যেখানে দোষী বা অপরাধীকে আইন মোতাবেক শাস্তি দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা হয় তাই আইনের শাসন। এক কথায় আইনের শাসনের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!