বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 2 weeks ago
উত্তরঃ

পদার্থের তিনটি অবস্থা হলো কঠিন, তরল ও বায়বীয়। অণুর ধারণায় পদার্থের এই তিন অবস্থা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
পদার্থের কঠিন অবস্থা: কঠিন পদার্থের অণুগুলো একে অপরের
সাথে শক্তভাবে এবং সুনির্দিষ্ট বিন্যাসে যুক্ত থাকে। এদের মধ্যে পারস্পরিক বল (আন্তঃআণবিক বল) খুব শক্তিশালী এবং নড়াচড়া করে না। এজন্য কঠিন পদার্থের আকার, আকৃতি ও আয়তন নির্দিষ্ট থাকে। যেমন- বরফ অবস্থায় পানির অণু একে অপরের সাথে শক্ত করে লেগে থাকে। অণুগুলোর মাঝখানে কোনো ফাঁক থাকে না এবং নড়াচড়াও করে না। ফলে বরফের আকার-আকৃতি ঠিক থাকে।

পদার্থের তরল অবস্থা: তরল পদার্থের অণুগুলো একে অপরের কাছাকাছি থাকে এবং তাদের মধ্যে আন্তঃআণবিক বল কম থাকে। তরল পদার্থের অণুগুলো কোনো নির্দিষ্ট বিন্যাসে যুক্ত থাকে না। পানির অণুগুলো এখানে একে অপরের থেকে আলাদা কিন্তু কাছাকাছি থাকে। তারা একটু বেশি নড়াচড়া করতে পারে এবং গড়িয়ে গড়িয়ে স্থান পরিবর্তন করে। ফলে তরল পদার্থকে এক পাত্র থেকে অন্য পাত্রে ঢালা যায়।
পদার্থের বায়বীয় অবস্থা: বায়বীয় পদার্থের অণুগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে না বরং এরা মুক্ত ও স্বাধীন। অণুগুলোর মাঝে আন্তঃআণবিক বল খুব দুর্বল এবং এরা দ্রুতগতিতে চারদিকে চলাচল করে। ফলে বাষ্পীয় অবস্থায় পানির নির্দিষ্ট কোনো আকার বা আয়তন নেই। এরা আবদ্ধ পাত্রের সবটুকু আয়তন জুড়ে থাকে, পাত্র খোলা রাখলে তা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

বাসাবাড়ির বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ পরিবেশকে দূষিত করে।এসব বর্জ্য পদার্থ যাতে পরিবেশকে দূষিত করতে না পারে সেজন্য
নিম্নোক্ত কাজসমূহ করা উচিত-
১. ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে সঠিকভাবে মাটির নিচে পুঁতে রাখা। এতে এগুলো পচে গিয়ে জৈব সারে পরিণত হবে।
২. পুরানো জিনিসপত্র ফেলে না দিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা। এতে পরিবেশে বর্জ্যের পরিমাণ কমে যায় এবং পরিবেশও দূষিত হয় না।
৩. যে সকল জিনিস পুনরায় ব্যবহার করা যায় না সেগুলো পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে নতুন জিনিস তৈরি করা। এতে পরিবেশ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৪. যে কোনো জিনিসের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

চিনির শরবতে ময়লা থাকলে সেই মিশ্রণ থেকে নিম্নোক্ত দুইটি ধাপে মিশ্রণের উপাদানগুলোকে পৃথক করতে পারি-
১. মিশ্রণ থেকে ময়লা পৃথকীকরণ: প্রথমে ময়লাযুক্ত চিনির
শরবতকে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিয়ে মিশ্রণ থেকে ময়লাকে আলাদা করা হয়।
২. মিশ্রণ থেকে চিনি পৃথক করা এ পর্যায়ে ছাঁকনিকৃত মিশ্রণটিকে একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে তাপ দিতে হবে। তাপ দিতে দিতে এক পর্যায়ে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যাবে এবং চিনি পাত্রের তলায় পড়ে থাকবে।
এভাবেই আমরা ময়লাযুক্ত চিনির শরবতের মিশ্রণ থেকে ময়লাকে পৃথক করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থকে ভাঙলে একই ধরনের পরমাণু পাওয়া যায়, সে সকল পদার্থকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। অর্থাৎ মৌলিক পদার্থগুলো একই ধর্মের পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত। তিনটি
মৌলিক পদার্থ হলো-

১. অক্সিজেন অণু,
২. হাইড্রোজেন অণু,
৩. নাইট্রোজেন অণু।

অক্সিজেন অণুকে ভাঙলে দুটি অক্সিজেন পরমাণু পাওয়া যায়।

O2O+O

হাইড্রোজেন অণুকে ভাঙলে দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু পাওয়া যায়।

H2H+H

নাইট্রোজেন অণুকে ভাঙলে দুটি নাইট্রোজেন পরমাণু পাওয়া যায়।

N2N+N

যেহেতু দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেকটি পদার্থের অণুকে ভাঙলে একই ধরনের পরমাণু পাওয়া যায়, সেহেতু এরা মৌলিক পদার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পানিকে (H2O) ভাঙলে দুটি হাইড্রোজেন (H) এবং একটি অক্সিজেন (০) পরমাণু পাওয়া যায়, তাই পানি যৌগিক পদার্থ। চককে (CaCO3) ভাঙলে একটি ক্যালসিয়াম ধাতু (Ca), একটি কার্বন (C) পরমাণু এবং তিনটি অক্সিজেন (০) পরমাণু পাওয়া যায়। এ কারণে চক যৌগিক পদার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

অণু হলো কোনো পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ, যা ঐ পদার্থের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
অন্যদিকে, পদার্থের গঠনগত একককে পরমাণু বলে।'
অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ :

অণুপরমাণু
১. পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণাই হলো অণু।১. প্রত্যেক পদার্থের গাঠনিক একক হলো পরমাণু।
২. অণুর স্বাধীন অস্তিত্ব আছে।২. পরমাণুর স্বাধীন অস্তিত্ব নেই।
৩. অণুকে ভাঙলে পরমাণু পাওয়া যায়।৩. পরমাণু অবিভাজ্য, যাকে যার ভাঙা যায় না।
৪. অণু মিলে হয় পদার্থ৪. পরমাণু মিলে হয় অণু।

৫. উদাহরণ:

অক্সিজেন অণু

৫. উদাহরণ:

অক্সিজেন পরমাণু

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি এবং আয়তন আছে, সে সকল পদার্থকে কঠিন পদার্থ বলে।
কঠিন পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. আন্তঃআণবিক বল খুবই শক্তিশালী।
২. অণুগুলো সুনির্দিষ্ট বিন্যাসে আবদ্ধ থাকে।
৩. অণুগুলো একে অপরের সাথে শক্তভাবে যুক্ত থাকে।
তিনটি উদাহরণ
: ১. মোম
, ২. বরফ,
৩. চক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

তিনটি তরল পদার্থের উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে সকল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু আকার ও আকৃতি নেই, তাদেরকে তরল পদার্থ বলে।
তরল পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো-
১. আন্তঃআণবিক বল কম থাকে।
২. অণুগুলোর সুনির্দিষ্ট কোনো বিন্যাস নেই।
৩. অণুগুলো একে অপরের কাছাকাছি থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যে সকল পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি এবং আয়তন কিছুই নেই, তাদেরকে বায়বীয় পদার্থ বলে।
বায়বীয় পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. আন্তঃআণবিক বল খুবই দুর্বল।
২. অণুগুলোর সুনির্দিষ্ট বিন্যাস নেই।
৩. অণুগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে না বরং এরা মুক্ত ও স্বাধীন।
তিনটি উদাহরণ: ১. বাতাস, ২. হাইড্রোজেন গ্যাস, ৩. অক্সিজেন, গ্যাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

একাধিক ভিন্ন ভিন্ন পদার্থ যখন পাশাপাশি অবস্থান করে নিজ নিজ ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে, তখন তাকে মিশ্রণ বলে।
মিশ্রণ দুই প্রকার।
যথা-
১. সমসত্ব মিশ্রণ,
২. অসমসত্ব মিশ্রণ।
মিশ্রণের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মিশ্রণের উপাদানগুলো মিলেমিশে পাশাপাশি অবস্থান করে।
২. উপাদানের' নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য বা গুণাগুণ বজায় রাখে।
উদাহরণ:
সমসত্ব মিশ্রণ:
চিনির শরবত,
অসমসত্ব মিশ্রণ :
বালু ও ইটের গুঁড়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যে মিশ্রণে মিশ্রণের উপাদানগুলো মিশ্রণের সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত থাকে, সেই মিশ্রণকে সমসত্ব মিশ্রণ বলে।
সমসত্ব মিশ্রণের দু'টি বৈশিষ্ট্য:
১. মিশ্রণের উপাদানগুলোর অবস্থান সর্বত্র একই থাকে।
২. মিশ্রণের উপাদানগুলোর সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত থাকে।
দুইটি উদাহরণ: খাবার স্যালাইন, চিনির শরবত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

যে মিশ্রণে মিশ্রণের উপাদানগুলো সাধারণভাবে মিশ্রিত থাকে, কোথাও বেশি বা কোথাও কম, সেই মিশ্রণকে অসমসত্ব মিশ্রণ বলে।
অসমসত্ব মিশ্রণের দুইটি বৈশিষ্ট্য:
১.. মিশ্রণে প্রতিটি উপাদানের উপস্থিতি বোঝা যায়।
২. মিশ্রণের উপাদানগুলোর সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত থাকে না।
দুইটি উদাহরণ: ১. বালু ও ইটের গুঁড়ার মিশ্রণ, ২. ঝালমুড়ি ও চানাচুরের মিশ্রণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

কোনো অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বা আবর্জনা যখন পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের সাথে মিশে পরিবেশের ক্ষতি করে, তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।
পানি দূষণের তিনটি কারণ:
১. গৃহস্থালির ময়লা-আবর্জনা পানিতে ফেলা।
২. কলকারখানার আবর্জনা ও বর্জ্য নদীর পানিতে ফেলা।
৩. কৃষি জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করা।
পানি দূষণরোধে করণীয়: গৃহস্থালির আবর্জনা, কলকারখানার
বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ পানিতে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা। এতে পানি দূষণ কমে যাবে। তাছাড়া কৃষি জমিতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার না করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

কোনো বস্তুর ব্যবহার শেষে তা ফেলে না দিয়ে অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য রেখে দেওয়াকে বস্তুর সংরক্ষণ বলে।

বস্তু সংরক্ষণের দুইটি উপায় হলো-
১. বস্তুর পুনর্ব্যবহার করা।
২. বস্তুর পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা।

বস্তু ব্যবহারের পর যেখানে-সেখানে না ফেলে এবং এগুলো পুনরায় অন্য কাজে ব্যবহার করা হলে কিংবা অন্য বস্তু উৎপাদনের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করলে পরিবেশে আবর্জনার পরিমাণ কমে যায়। এতে পরিবেশও দূষণমুক্ত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পুরোনো কোনো বস্তু ফেলে না দিয়ে তা অন্য কাজে ব্যবহার করাই বস্তুর পুনর্ব্যবহার।
পুনর্ব্যবহার করা যায় এমন তিনটি পদার্থ হলো-
১. খালি পানির বোতল,
২. লেখা কাগজ ও
৩. পুরানো জামা।

উল্লেখিত বস্তু তিনটি তৈরির উপকরণের নাম নিচে লেখা হলো-

বস্তুর নামউপকরণের নাম
খালি পানির বোতলপ্লাস্টিক
লেখা কাগজবাঁশ বা কাঠ
পুরানো জামাসুতা
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পুরানো বা অকেজো, ভাঙা কোনো বস্তু ফেলে না দিয়ে তা দিয়ে অন্য কোনো বস্তু তৈরি করার প্রক্রিয়া হলো রি-সাইকেল।
রি-সাইকেল করা যায় এমন দুইটি বস্তু হলো-
১. ভাঙা কাচ, ২. লেখা কাগজ।
আমরা দৈনন্দিন জীবনে অনেক জিনিস ব্যবহার করি। এসব জিনিস ব্যবহারের ফলে অনেক বর্জ্য উৎপন্ন হয়; যেমন- শাক-সবজির খোসা, মাছ-মাংস কাটার পর আবর্জনা ইত্যাদি। এগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানের মাটিতে পুঁতে রাখলে তা পচে গিয়ে জৈব সার তৈরি করে, যা আমরা কৃষি জমিতে সার হিসেবে ব্যবহার করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
উত্তরঃ

পদার্থের অবস্থা তিনটি। যথা- কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
কঠিন পদার্থ : বরফ, চক, খাতা, কলম ইত্যাদি।
তরল পদার্থ: পানি, তেল, মবিল ইত্যাদি।
বায়বীয় পদার্থ: বায়ু, অক্সিজেন গ্যাস, নাইট্রোজেন গ্যাস ইত্যাদি।
কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য: কঠিন পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. আন্তঃআণবিক বল খুবই শক্তিশালী।
২. অণুগুলো সুনির্দিষ্ট বিন্যাসে আবদ্ধ থাকে।
তরল পদার্থের বৈশিষ্ট্য: তরল পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. অণুগুলোর সুনির্দিষ্ট কোনো বিন্যাস নেই।
২. নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু আকৃতি নেই।
বায়বীয় পদার্থের বৈশিষ্ট্য: বায়বীয় পদার্থের দুইটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. অণুগুলোর সুনির্দিষ্ট বিন্যাস নেই।
২. নির্দিষ্ট আয়তন ও আকৃতি কিছুই নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 weeks ago
19

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews