বশিষ্ঠ মুনির জীবন থেকে আমরা ক্ষমাশীলতা, অহিংসা, সহনশীলতা ও ত্যাগের শিক্ষা 'পাই। যখন রাজা বিশ্বামিত্র পরাজিত হওয়ার পর তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলেন, বশিষ্ঠ মুনি তখন তাঁকে শুধু ক্ষমাই করেননি, বরং তাঁকে ভালোভাবে রাজ্য শাসন করতে বলে ব্রহ্মর্ষি হওয়ার আশীর্বাদ করেন, যা তাঁর মহৎ ক্ষমাশীলতার পরিচয়। তিনি আরও বলেন, তপস্যাই শ্রেষ্ঠ শক্তি। যার মাধ্যমে তিনি মানুষকে ত্যাগ ও অহিংসার পথে চলতে উৎসাহিত করেন। তাই তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদেরও হিংসা বর্জন করে মানুষের মঙ্গল ও কল্যাণের জন্য ভাবতে হবে।
Related Question
View Allবেদের কবিতাগুলোকে বলা হয় মন্ত্র।
মুনি-ঋষিরা ছিলেন অনেক গুণের অধিকারী।
সকল প্রকার বলের চেয়ে জ্ঞানবল শ্রেষ্ঠ।
বশিষ্ঠ একজন পৌরাণিক মুনি।
ছোটবেলায় শ্রীচৈতন্যদেবের নাম ছিল নিমাই।
বালক নিমাই ছিলেন খুব চঞ্চল ও দুরন্ত, তবে খুবই মেধাবী ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!