ভূমিকা: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) ২০৩০ এবং উন্নত বাংলাদেশ ২০৪১ অর্জনে পরিকল্পনায় গুণগত পরিবর্তন আনা জরুরি।
- প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও সুশাসন: উন্নয়ন কেবল অবকাঠামোয় নয়, বরং সুশাসনে নিহিত। সংবিধানের ৭৭অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'ন্যায়পাল' নিয়োগ এবং প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা উন্নয়নের পূর্বশর্ত।
- জ্বালানি নিরাপত্তা ও ডাইভার্সিফিকেশন: আমদানিনির্ভর জ্বালানির বদলে অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান এবং নবায়নযোগ্য শক্তিকে (সৌর, বায়ু) গ্রিডে যুক্ত করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির ৪০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
- মানবসম্পদ ও কারিগরি শিক্ষা: সাধারণ শিক্ষার বেকারত্ব দূর করতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (4IR) উপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (TTC) স্থাপন এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুবিধা দিতে হবে।
- রপ্তানি বহুমুখীকরণ: একক পোশাক খাতের ঝুঁকি এড়াতে চামড়া শিল্প, হালকা প্রকৌশল (Light Engineering) এবং ব্লু ইকোনমিকে কাজে লাগিয়ে সামুদ্রিক সম্পদ রপ্তানিতে জোর দিতে হবে।
- আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগ: কানেক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য কেবল সড়ক নয়, রেল ও নৌ-পথের সংযোগ বৃদ্ধি করে ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট সুবিধার মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে।
Related Question
View AllSDG শব্দের পূর্ণরূপ Sustainable Development Goal.
SDGs হলো Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। এটি ২০১৫ সালে শেখ হওয়া সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে প্রতিস্থাপন করেছে। SDGs এর মেয়াদকাল ২০১৬ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে।
SDG = Sustainable Development Goals.
SDG এর লক্ষ্য ১৭টি। এগুলো হলোঃ ১. দারিদ্র্য নির্মূল; ২. ক্ষুধামুক্তি; ৩. সুস্বাস্থ্য; ৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা; ৫. লিঙ্গ সমতা; ৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন; ৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি; ৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি; ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো; ১০. বৈষম্য হ্রাস; ১১. টেকসই শহর ও জনগণ; ১২. পরিমিত ভোগ; ১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ; ১৪. পানির নিচে প্রাণ; ১৫. স্থলভাগের জীবন; ১৬. শাস্তি ও ন্যায়বিচার এবং ১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।
'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের লেখক হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উল্লেখ্য, গ্রন্থটির ভূমিকা লেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (৭ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে)। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে (১৮ মাঘ ১৪২৬); মোড়ক উন্মোচন করা হয় ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে; গ্রন্থটির লোগো করেন রফিকুন নবী; প্রচ্ছদ ও গ্রন্থ-নকশা করেন তারিক সুজাত; ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ড. ফকরুল আলম; সম্পাদনা করেন বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান; গ্রন্থটির প্রচ্ছদে ব্যবহৃত লোগোটি চীনে অনুষ্ঠিত ১৯৫২ সালের পিকিং সম্মেলনের লোগো 'শান্তির কপোত'। তাঁর রচিত অন্য দুটি গ্রন্থ হলোঃ 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' এবং 'কারাগারের রোজনামচা'।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!