বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। এদেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভ্রাতৃত্বের সাথে বসবাস করে আসছে। সকল ধর্মাবলম্বী মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো স্বাধীনভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করার সুযোগ পায়।
রাষ্ট্রীয়ভাবে সকল ধর্মের মানুষকে সমান নাগরিক অধিকার দেওয়া হয়েছে, যা সম্প্রীতিকে আরও মজবুত করেছে। সামাজিক যেকোনো কর্মকাণ্ডে বা সংকটে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে। এই ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতিই বাংলাদেশের সংহতি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি।
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত।
ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়।
মহানবি (স.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন।
আমরা ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাজে সহযোগিতা করব।
ধর্মে দীক্ষিত করার ব্যাপারে কাউকে জোর করা বা বাধ্য করা যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!