"বাংলা আমার আমি বাংলার 
বাংলা আমার জন্মভূমি 
গঙ্গা ও যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা, 
বহিছে যাহার চরণ চুমি। 

_______________

হৃদয় আমার বাংলার লাগি, 
যে দেশেই থাকি সদা থাকে জাগি, 
স্বর্গ হতেও শ্রেষ্ঠ সে আমার 
বাংলা আমার অমিয় ধারা।" 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ "আমি কোনো আগন্তুক নই" কবিতায় কবির চিরচেনা স্বজন হলো তাঁর জন্মভূমি এবং এর প্রকৃতি ও মানুষ।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি" - এই লাইনটিতে কবি বুঝিয়েছেন যে তিনি কল্পনাবাদী বা স্বপ্নের জগতে থেকেই নিজের জন্মভূমিতে আছেন। 

"স্বাপ্নিক নিয়ম" শব্দটি "আমি কোনো আগন্তুক নই" নামক একটি কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে কবি নিজের জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসাকে তুলে ধরেছেন। 

এই কবিতার প্রেক্ষাপটে, "স্বাপ্নিক নিয়ম" দ্বারা কবি বুঝিয়েছেন যে, যদিও তিনি বাস্তবে স্থানান্তরিত হতে পারেন, তবুও তার মন ও আত্মা সর্বদা তার জন্মভূমিতেই থাকে, যেন এক স্বপ্নের জগতে। 

অন্যভাবে বলা যায়, এটি একটি রূপক বা আলংকারিক শব্দ যা কবির গভীর আবেগ এবং জন্মভূমির প্রতি অটুট ভালোবাসাকে প্রকাশ করে।

Monirul Islam
Monirul Islam
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম স্তবক এবং 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতা উভয়ই জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা, মমতা এবং অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ককে তুলে ধরে। উভয় রচনাতেই মাতৃভূমির প্রাকৃতিক উপাদান, বিশেষ করে নদ-নদীর সঙ্গে কবির আত্মিক সংযোগ প্রকাশিত হয়েছে, যা জন্মভূমির প্রতি অকৃত্রিম মমত্ববোধের পরিচায়ক।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকে বলা হয়েছে, "বাংলা আমার আমি বাংলার, বাংলা আমার জন্মভূমি, গঙ্গা ও যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা, বহিছে যাহার চরণ চুমি।" এখানে কবি বাংলাকে নিজের সত্তার অংশ হিসেবে দেখেন, তাকে জন্মভূমি হিসেবে স্বীকার করেন এবং বাংলার নদ-নদীগুলোকে তার চরণে লুটিয়ে থাকা হিসেবে বর্ণনা করে একাত্মতা প্রকাশ করেন। এটি জন্মভূমির প্রতি এক অবিচল ভালোবাসার প্রতিফলন।

সৈয়দ শামসুল হকের 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতাতেও কবি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে তিনি এই মাটির সন্তান, এখানকার আলো-বাতাস, পলিমাটি, নদী-নালা এবং প্রকৃতির সাথে তার অস্তিত্ব ও পরিচয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কবি নিজেকে আগন্তুক বা বহিরাগত নন বরং জন্মভূমির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেন, যা উদ্দীপকের প্রথম স্তবকের ভালোবাসাপূর্ণ দেশাত্মবোধের সাথে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বহন করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

“আমি কোনো আগন্তুক নই” কবিতায় কবি সৈয়দ শামসুল হক তাঁর জন্মভূমির সাথে আত্মার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক এবং নিজেকে মাটির সন্তান হিসেবে ঘোষণা করেছেন। উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকটি এই কবিতার মূল চেতনার যথার্থ প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ, উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকে স্বদেশপ্রেম ও জন্মভূমির প্রতি গভীর মমত্ববোধের বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, যা 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার মূল বক্তব্যকে সমর্থন করে।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকে বলা হয়েছে, "হৃদয় আমার বাংলার লাগি, যে দেশেই থাকি সদা থাকে জাগি, স্বর্গ হতেও শ্রেষ্ঠ সে আমার বাংলা আমার অমিয় ধারা।" এই পঙ্‌ক্তিগুলোতে কবির জন্মভূমি বাংলার প্রতি এক গভীর আবেগ, ভালোবাসা এবং আত্মিক টান প্রকাশিত হয়েছে। কবি যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁর হৃদয় সব সময় বাংলার জন্য জাগ্রত থাকে। তিনি জন্মভূমিকে স্বর্গের চেয়েও শ্রেষ্ঠ মনে করেন এবং তাকে অমৃতধারার সাথে তুলনা করেন। এই অনুভূতি একজন মানুষের নিজের ভূমির প্রতি শেকড়বদ্ধতার এক চমৎকার উদাহরণ।

সৈয়দ শামসুল হকের “আমি কোনো আগন্তুক নই” কবিতায় কবি বারবার নিজেকে এই মাটির সন্তান হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি এই ভূমির ধুলিকণা, নদী, ফসলের মাঠ, এমনকি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে নিজের পরিচয়কে এক করে দেখেছেন। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন যে তিনি এই দেশের কোনো আগন্তুক বা বহিরাগত নন, বরং জন্মসূত্রে এবং আত্মিকভাবে তিনি এই দেশেরই অংশ। উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকের মর্মার্থও একই চেতনা ধারণ করে। সেখানে কবি প্রবাসে থাকলেও হৃদয়ে জন্মভূমিকে ধারণ করেন এবং তাকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করেন, যা তাঁর আত্মপরিচয় ও শেকড়সন্ধানী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।

সুতরাং, উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকে প্রকাশিত জন্মভূমির প্রতি অবিচল ভালোবাসা, গভীর মমত্ববোধ এবং আত্মিক সংযোগের যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা “আমি কোনো আগন্তুক নই” কবিতার মূল চেতনার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই কবি তাঁর জন্মভূমিকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন এবং এর সাথে তাঁর আত্মিক বন্ধনকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাই উক্তিটি যথার্থ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
152

আসমানের তারা সাক্ষী

সাক্ষী এই জমিনের ফুল, এই

নিশিরাইত বাঁশবাগান বিস্তর জোনাকি সাক্ষী

সাক্ষী এই জারুল জামরুল, সাক্ষী

পুবের পুকুর, তার ঝাকড়া ডুমুরের ডালে স্থির দৃষ্টি

মাছরাঙা আমাকে চেনে

আমি কোনো অভ্যাগত নই

খোদার কসম আমি ভিনদেশি পথিক নই

আমি কোনো আগন্তুক নই ।

আমি কোনো আগন্তুক নই, আমি

ছিলাম এখানে, আমি স্বাপ্নিক নিয়মে

এখানেই থাকি আর

এখানে থাকার নাম সর্বত্রই থাকা

সারা দেশে।

আমি কোনো আগন্তুক নই ৷

এই খর রৌদ্র জলজ বাতাস মেঘ ক্লান্ত বিকেলের

পাখিরা আমাকে চেনে

তারা জানে আমি কোনো অনাত্মীয় নই ।

কার্তিকের ধানের মঞ্জরী সাক্ষী

সাক্ষী তার চিরোল পাতার

টলমল শিশির – সাক্ষী জ্যোৎস্নার চাদরে ঢাকা

        নিশিন্দার ছায়া

অকাল বার্ধক্যে নত কদম আলী

তার ক্লান্ত চোখের আঁধার –

আমি চিনি, আমি তার চিরচেনা স্বজন একজন । আমি

জমিলার মা'র

শূন্য খা খা রান্নাঘর শুকনো থালা সব চিনি

সে আমাকে চেনে।

হাত রাখো বৈঠায় লাঙলে, দেখো

আমার হাতের স্পর্শ লেগে আছে কেমন গভীর । দেখো

মাটিতে আমার গন্ধ, আমার শরীরে

লেগে আছে এই স্নিগ্ধ মাটির সুবাস।

আমাকে বিশ্বাস করো, আমি কোনো আগন্তুক নই ।

দু'পাশে ধানের খেত

       সরু পথ

সামনে ধু ধু নদীর কিনার

আমার অস্তিত্বে গাঁথা । আমি এই উধাও নদীর

মুগ্ধ এক অবোধ বালক ৷
 

Related Question

View All
উত্তরঃ

“জমিলার মা'র শূন্য খাঁ খাঁ রান্নাঘর শুকনো থালা সব চিনি”— এই উক্তিটি দ্বারা কবি চরম দারিদ্র্য, অভাব-অনটন এবং মানুষের মৌলিক চাহিদার অপ্রাপ্যতাকে বোঝাতে চেয়েছেন। এর মাধ্যমে একটি পরিবারের অসহায়ত্ব ও সমাজের বঞ্চনার করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে ক্ষুধা ও দরিদ্রতা মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তোলে।

এখানে 'শূন্য খাঁ খাঁ রান্নাঘর' ও 'শুকনো থালা' বলতে খাদ্যের অভাব এবং পরিবারের সদস্যদের অনাহারে থাকার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। 'সব চিনি' শব্দগুচ্ছটি গভীর হতাশা ও মেনে নেওয়ার ভঙ্গিকে প্রকাশ করে, যেখানে ক্ষুধার্ত শিশুরা খাবারের আশায় থাকে কিন্তু তা কখনোই পূরণ হয় না। এই চিত্রটি তৎকালীন বা বর্তমান সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য ও মানবিক সংকটের ইঙ্গিত দেয় এবং সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রয়োজনীয়তার বার্তা বহন করে।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
960
উত্তরঃ কার্তিক

'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় কবি আহসান হাবীব কার্তিক মাসের উল্লেখ করেছেন। এই কবিতায় কবি জন্মভূমির সঙ্গে তাঁর নিবিড় ও আত্মিক সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে জন্মভূমি তাঁর কাছে কখনো অচেনা বা আগন্তুক নয়, বরং তাঁর সত্তার অংশ। কার্তিক মাসকে তিনি তাঁর গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্মৃতি জাগিয়ে তোলার জন্য ব্যবহার করেছেন, যা জন্মভূমির প্রতি তাঁর অবিচ্ছেদ্য ভালোবাসাকে প্রকাশ করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
635
উত্তরঃ

কদম আলী চরম দারিদ্র্য, অপুষ্টি এবং অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রমের কারণে অকাল বার্ধক্যে নত। তার জীবনজুড়ে ছিল অভাব-অনটন আর টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম, যা তাকে অল্প বয়সেই জরাগ্রস্ত করে তুলেছে।

অভাবের তাড়নায় সুষম খাদ্যের অভাব, রোগের চিকিৎসা না পাওয়া এবং দিনরাত শারীরিক শ্রমের ধকল মানুষের দেহ ও মনকে দ্রুত নিস্তেজ করে দেয়। এর ফলে স্বাভাবিক সময়ের আগেই শরীর দুর্বল, শীর্ণ ও রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে, যা বাহ্যিকভাবে অকাল বার্ধক্য হিসেবে প্রতীয়মান হয় এবং একজন ব্যক্তিকে কর্মক্ষমতা হারানোর দিকে ঠেলে দেয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.3k
উত্তরঃ

‘আমি কোনো আগন্তুক নই’ কবিতার মূল সুর হলো জন্মভূমির প্রতি কবির অবিচ্ছেদ্য টান ও আত্মিক সম্পর্ক। কবি তার জন্মভূমিকে শুধুমাত্র একটি স্থান হিসেবে দেখেন না, বরং এর প্রতিটি ধূলিকণা, গাছপালা, নদীনালা, আকাশ-বাতাস এবং মানুষের সাথে নিজেকে একাত্ম মনে করেন। এই ভূমি তার অস্তিত্বের অংশ, যেখানে তিনি কোনো আগন্তুক নন, বরং এর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত।

উদ্দীপকের সুমন বহু বছর পর তার গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসে এবং জন্মভূমির প্রতি তার গভীর টান ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে। গ্রামের লোকজনের উৎসুক দৃষ্টি, স্কুল বন্ধু ফরিদকে জড়িয়ে ধরা, তার ক্লান্ত চোখের চাহনিতে মর্মাহত হওয়া এবং বাড়ির আমগাছে টিয়া-শালিক দেখে রোমাঞ্চিত হওয়া – এ সবকিছুই সুমনের তার শেকড়ের প্রতি প্রবল আকর্ষণ ও একাত্মতার পরিচয় বহন করে। সে তার জন্মভূমির স্মৃতি ও অস্তিত্বের সাথে পুনরায় মিশে গিয়ে আনন্দিত হয়, যা তাকে নিজের আপন ভূমিতে ফিরে আসার অনুভূতি দেয়।

এই দিক থেকে, সুমনের ভাবনা 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতার কবির ভাবনার সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই জন্মভূমির প্রতি এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক, মমত্ববোধ এবং নিজেকে জন্মস্থানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উপলব্ধি করার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সুমন যেমন বহু বছর পর নিজ ভিটেতে ফিরে এসে তার জন্মভূমির প্রতিটি উপাদানের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করে, তেমনি কবিও তার জন্মভূমির সাথে নিজেকে অবিচ্ছিন্ন সত্তা হিসেবে ঘোষণা করেন। এই টানই তাদের উভয়কে জন্মভূমির সাথে যুক্ত করে আগন্তুক না হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
515
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews