বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'কি' এবং 'কী' এর পার্থক্য নিরূপণ করুন।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

'কি' পদটি একটি অব্যয় পদ। এটি একটি প্রশ্নবাচক অব্যয়। এটি অনেক সময় সংশয়সূচক অব্যয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 'কি' এর ব্যবহার প্রশ্নসূচক অব্যয় হিসেবেঃ তুমি কি যাবে? সে কি আজ আসবে? তোমরা কি এখন পড়াশোনা করবে। না? সংশয়-সূচক অবায় হিসেবেঃ সে কি আর কখনও ফিরবে! ওইটুকু ছেলে কি একা একা এতটা পথ যেতে পারবে অবজ্ঞার ভাব বোঝাতে অব্যয় হিসেবেঃ সাধে কি তোকে গাধা বলি! জানলে কি আর বলতাম না।

'কী' পদটি একটি সর্বনাম পদ । এটি একটি প্রশ্নসূচক সর্বনাম। তবে বিস্ময়বোধক অনায় হিসেবেও এর ব্যবহার আছে। প্রশ্নবোধক সর্বনাম হিসেবে: তুমি কী খেয়েছো? (উঃ- ভাত বা অন্য কিছু) আমার জন্য কী এনেছো? বিস্ময়সূচক অব্যয় হিসেবে: কী ভয়ানক দৃশ্য! কী! তুমি এই কাজ করতে পারলে?

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
523

সাধু ও চলিত রীতি পার্থক্য

সাধু রীতি

চলিত রীতি / প্রমিত রীতি

সাধু রীতি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত।চলিত রীতি পরিবর্তনশীল।
এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল।
সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।এ রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় উপযোগী
এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে
সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়।সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে বেশি হয়।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
254
উত্তরঃ

তাঁহারা আটটার পূর্বেই ডাক-বাংলায় উপস্থিত হইলেন। 

= তারা আটটার আগেই ডাক-বাংলায় উপস্থিত হলেন।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
273
উত্তরঃ
        
  • সাধু ভাষা সুনির্দিষ্ট ও ব্যাকরণসম্মত নিয়ম মেনে চলে, যেখানে চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।
  •     
  • সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করিতেছি', 'তাহাদিগকে'), চলিত ভাষায় এর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করছি', 'তাদের')।
  •     
  • সাধু ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি, অন্যদিকে চলিত ভাষায় তদ্ভব শব্দ অধিক ব্যবহৃত হয়।
  •     
  • সাধু ভাষা সাধারণত অপরিবর্তনীয় ও গাম্ভীর্যপূর্ণ এবং লিখিত রূপের জন্য বেশি উপযোগী। চলিত ভাষা মুখের ভাষা ও দৈনন্দিন কথোপকথনের জন্য অধিক স্বাভাবিক।
  •     
  • সাধু ভাষা নাটক ও সংলাপের অনুপযোগী হলেও দলিল, ধর্মগ্রন্থ ও আনুষ্ঠানিক রচনার জন্য ব্যবহৃত হয়। চলিত ভাষা নাটক, গল্প, উপন্যাস ও আধুনিক সাহিত্য রচনার জন্য অধিক উপযোগী।

বাংলা ভাষার দুটি প্রধান রীতি হলো সাধু ও চলিত রীতি। এ দুটি রীতিই বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে চলিত রীতির প্রবর্তন বাংলা ভাষাকে একটি আধুনিক ও গতিশীল রূপ দিয়েছে, যদিও সাধু রীতির ব্যবহার তার নিজস্ব গাম্ভীর্য ও ঐতিহ্য নিয়ে এখনো বিদ্যমান।

সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:

        
  • এটি একটি প্রাচীন ও লিখিত ভাষার রীতি যা বাংলা গদ্যের প্রাথমিক যুগে ব্যবহৃত হতো।
  •     
  • ক্রিয়াপদ (যথা: 'করিতেছে', 'লিখিতেছে') ও সর্বনাম পদের (যথা: 'তাহাদিগকে', 'তাহাদের') পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
  •     
  • তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বহুল ব্যবহার এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  •     
  • এটি সুনির্দিষ্ট ও কঠোর ব্যাকরণিক নিয়ম মেনে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুবিন্যস্ত ও অপরিবর্তনীয়।
  •     
  • বক্তৃতা, দলিল-দস্তাবেজ, ধর্মগ্রন্থ, ঐতিহাসিক প্রবন্ধ এবং আনুষ্ঠানিক সাহিত্যে এর ব্যবহার দেখা যায়। এটি গুরুগম্ভীর ও মন্থর গতিসম্পন্ন।

চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য:

        
  • এটি আধুনিক এবং মুখের ভাষা বা কথ্যরীতি থেকে উদ্ভূত।
  •     
  • ক্রিয়াপদ (যথা: 'করছে', 'লিখছে') ও সর্বনাম পদের (যথা: 'তাদেরকে', 'তাদের') সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
  •     
  • তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম এবং দেশি শব্দের ব্যবহার বেশি।
  •     
  • এটি পরিবর্তনশীল, গতিশীল ও স্বচ্ছন্দ। এর পদবিন্যাস অপেক্ষাকৃত শিথিল।
  •     
  • দৈনন্দিন কথোপকথন, আধুনিক সাহিত্য (গল্প, উপন্যাস, নাটক), সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনে এর ব্যবহার ব্যাপক। এটি সহজবোধ্য ও সাবলীল।

বর্তমানে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে এবং সাধারণ যোগাযোগে চলিত রীতির প্রাধান্য থাকলেও, সাধু রীতির ঐতিহাসিক অবদান ও তার নিজস্ব ব্যবহারিক ক্ষেত্র এখনও গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
360
উত্তরঃ ফুটে রয়েছে

বাংলা ব্যাকরণে সাধু ও চলিত ভাষার রূপান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধু ভাষা সাধারণত প্রাচীন ও লিখিত সাহিত্যের ভাষা, যেখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। এর বাক্যবিন্যাস অপেক্ষাকৃত সুদীর্ঘ এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, চলিত ভাষা আধুনিক কথ্য ও লিখিত সাহিত্যের ভাষা। এটি সহজবোধ্য, গতিশীল এবং সংক্ষিপ্ত। চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। যেমন, 'ফুটিয়া' (সাধু) এর চলিতরূপ 'ফুটে' এবং 'রহিয়াছে' (সাধু) এর চলিতরূপ 'রয়েছে'। তাই, 'ফুটিয়া রহিয়াছে' শব্দবন্ধটির চলিতরূপ হলো 'ফুটে রয়েছে', যা চলিত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে।

সরকারি চাকরির পরীক্ষা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার সঠিক প্রয়োগ যাচাইয়ের জন্য সাধু ও চলিত ভাষার রূপান্তর প্রায়শই আসে। এটি বাংলা ভাষার প্রমিত রূপ সম্পর্কে পরীক্ষার্থীর জ্ঞানকে তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
283
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews