সাধু রীতিঃ ১. বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। ২. এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। ৩. সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী। ৪. এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে ।
চলিত রীতিঃ ১. চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে। ২. এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। ৩. চলিত রীতি ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী। ৪. সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। বহু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে ।
সাধু ও চলিত রীতি পার্থক্য
সাধু রীতি | চলিত রীতি / প্রমিত রীতি |
| সাধু রীতি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত। | চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। |
| এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। | এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। |
| সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী। | এ রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় উপযোগী |
| এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। | এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে |
| সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়। | সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। |
Related Question
View Allসাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে বেশি হয়।
আমি তাহাকে চিঠি লিখিয়াছি
= আমি তাকে চিঠি লিখেছি।
তাঁহারা আটটার পূর্বেই ডাক-বাংলায় উপস্থিত হইলেন।
= তারা আটটার আগেই ডাক-বাংলায় উপস্থিত হলেন।
“অদ্যাপি” শব্দের চলিতরূপ হলো আজও/ এখনো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!