বাদুর পথ চলার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। বাদুর চলার সময় ক্রমাগত বিভিন্ন কম্পাঙ্কের শব্দোত্তর তরঙ্গ সৃষ্টি করে। এ তরঙ্গ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। সামনে যদি প্রতিবন্ধক থাকে তাহলে তাতে বাধা পেয়ে এ তরুণ প্রতিফলিত হয়ে বাদুরের কানে ফিরে আসে। বাদুর তার সৃষ্ট শব্দ তরঙ্গ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যকার সময় ব্যবধান ও প্রতিফলিত শব্দের প্রকৃড়ি থেকে প্রতিবন্ধকের অবস্থান এবং আকৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে এবং পথ চলার সময় সেই প্রতিবন্ধক পরিহার করে। মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 Hz থেকে 20 kHz পর্যন্ত। কিন্তু বাদুর প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে যা মানুষের শ্রাব্যতার সীমার বাইরে। ফলে বাদুর কর্তৃক সৃষ্ট শব্দ রাদুর শুনলেও মানুষ শুনতে পায় না।
Related Question
View Allতরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কণা কোনো বিন্দু থেকে যাত্রা আরম্ভ করে আবার একই দিক থেকে সেই বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে পূর্ণ স্পন্দন বলে
তরঙ্গের উপরস্থ কোনো কণার পর্যায়কাল বেশি হলে কম্পাঙ্কের কমে যাবে
হুকের সূত্রের কারণে সরল স্পন্দন গতি সৃষ্টি হয়
স্প্রিং-এর গতি স্পন্দন গতি
স্প্রিং ধ্রুবককে k দিয়ে প্রকাশ করা হয়
স্প্রিং এর উপর, প্রযুক্ত বল তার অবস্থানের সরণের সাথে সামানুপাতিক
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!