(ক) দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধনের জন্য সুষম খাদ্যের প্রয়োজন।
(খ) শর্করা, প্রোটিন, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ ও পানি উপস্থিত থাকে সুষম খাদ্যে।
(গ) গর্ভবতী মায়েদের বাড়তি পুষ্টি প্রয়োজন।
(ঘ) রুটিন মাফিক খাদ্য গ্রহণে শরীর সুস্থ থাকে।
(ঙ) সকালের খাবার সকাল ৮টার মধ্যে খাওয়া ভালো।
(ক) বয়স, লিঙ্গ ও কাজের ধরনভেদে আলাদা হতে পারে সুষম খাদ্য গ্রহণ।
(খ) দেহকে সুস্থ-সবল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
(গ) খাবার হজম হতে সাধারণত ৩ – ৪ ঘণ্টা সময় লাগে।
(ঘ) সময়মতো খাদ্য গ্রহণ না করলে আলসার হয়।
(ঙ) পচনশীল খাদ্য দ্রুত নষ্ট হয়।
(ক) শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে সুষম খাদ্য।
(খ) সঠিক সময়ে খাবার খেলে পরিপাকতন্ত্র ভালো থাকে।
(গ) মাছ বছরব্যাপী সংরক্ষণ করা যায় হিমাগারে।
(ঘ) শুকনো বীজ সংরক্ষণ করা যায় বায়ুরোধী পাত্রে।
(ঙ) জীবাণুর সংক্রমণ ও পচন রোধ করে খাদ্য সংরক্ষণ।
(ক) রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায় চাল, ডাল, মটরশুঁটি, শিমবীজ ইত্যাদি।
(খ) জ্যাম-জ্যালি আচার তৈরি করা হয় ফল থেকে।
(গ) ভিটামিনের উৎস হলো সবজি, আম, কলা।
(ঘ) সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা খাদ্যে অণুজীব জন্মাতে পারে না।
(ঙ) ইলিশ মাছ সংরক্ষণে খাদ্য লবণ ব্যবহার করা যায়।
(ক) গর্ভবতী মায়েদের বাড়তি পুষ্টি প্রয়োজন।
(খ) শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে সুষম খাদ্য।
(গ) ভিটামিনের উৎস হলো সবজি, আম, কলা।
Related Question
View Allখাদ্য আমাদের দেহে শক্তি উৎপাদন করে।
শরীরে খাদ্য পরিপাকের জন্য নানা ধরনের উপাদান কাজ করে।
সুষম খাদ্যে খাদ্যের ছয়টি উপাদান থাকে।
সুস্থ্যতার জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ জরুরি।
বয়সভেদে খাদ্য তালিকা ভিন্ন হয়।
আমাদের সঠিক সময়ে খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!