উত্তর: বিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিজ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতি ঘটে।
বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই (১৯০০ সাল) ম্যাক্স প্লাঙ্ক আবিষ্কার করেন বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব। এরপর ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন প্রদান করেন পৃথিবী বিখ্যাত আপেক্ষিক তত্ত্ব। এ দুই তত্ত্ব পূর্বেকার পরীক্ষালব্ধ ফলাফলকে শুধু ব্যাখ্যাই করেনি এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যা পরে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। ১৯১১ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড নিউক্লিয় তত্ত্ব এবং ১৯১৩ সালে নীলস বোরের হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তরের ধারণা ছিল পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এরপর ১৯৩৮ সালে ওটো হান এবং স্ট্রেসম্যান বের করেন নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য। এ শতাব্দীতেই ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী চন্দ্র শেখর রমন ১৯৩০ সালে রমন প্রভাব আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভকরেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের একটি শুদ্ধতার প্রমাণ উপস্থাপন করেন। তার তত্ত্ব বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন নামে পরিচিত। একীভূত ক্ষেত্রতত্ত্বের বেলায় মৌলিক বলগুলোকে একত্রীকরণের ক্ষেত্রে তাড়িত দুর্বল বল আবিষ্কার করে অসামান্য অবদান রাখেন ১৯৬৯ সালে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী তিনজন পদার্থবিজ্ঞানী পাকিস্তানের প্রফেসর আবদুস সালাম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শেলডন গ্লাশো ও স্টিভেন ওয়াইনবার্গ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে পদার্থবিজ্ঞান এ শতাব্দীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিজ্ঞানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলো মহাশূন্য অভিযান। চাঁদে মানুষের পদার্পণ এ শতাব্দীর পদার্থবিজ্ঞানেরই অবদান।
উপরিউক্ত আলোচনা হতে নিঃসন্দেহে বলা যায় বিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিজ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতি ঘটেছে।
Related Question
View Allভার্নিয়ার ধ্রুবক : স্লাইড ক্যালিপার্স প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের চেয়ে ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগ যতটুকু ছোট তার পরিমাণকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!