ভক্তদের ধারণা অনুসারে, শ্রীচৈতন্যদেবের দেহ বিলীন হয়ে যায়, শ্রীচৈতন্য নীলাচলে অবস্থানকালে প্রায়শই কৃষ্ণনামে বিভোর হয়ে থাকতেন। এমন বিভোর অবস্থায় ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন তারিখে তিনি পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরে প্রবেশ করেন। হঠাৎ মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। সকল ভক্ত বাইরে তাঁর জন্য উন্মুখ হয়ে বসে থাকেন। তারপর দরজা খুলে তাঁকে আর দেখা যায় না। ভেতরে শুধু জগন্নাথদেবের মূর্তি। ভক্তদের ধারণা, শ্রীচৈতন্য জগন্নাথদেবের দেহে বিলীন হয়ে গেছেন।
Related Question
View Allবেদের কবিতাগুলোকে বলা হয় মন্ত্র।
মুনি-ঋষিরা ছিলেন অনেক গুণের অধিকারী।
সকল প্রকার বলের চেয়ে জ্ঞানবল শ্রেষ্ঠ।
বশিষ্ঠ একজন পৌরাণিক মুনি।
ছোটবেলায় শ্রীচৈতন্যদেবের নাম ছিল নিমাই।
বালক নিমাই ছিলেন খুব চঞ্চল ও দুরন্ত, তবে খুবই মেধাবী ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!