ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষের মন্দির, গির্জা বা প্যাগোডার মতো উপাসনালয়গুলো ভাঙচুর করতে বা ক্ষতি করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। এমনকি যুদ্ধের ময়দানেও মহানবি (স.) অমুসলিমদের ধর্মীয় উপাসনালয় ও যাজকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিতেন। অন্য ধর্মের ধর্মীয় স্থানে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যায়।
উপাসনালয় প্রতিটি ধর্মের মানুষের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও আবেগের স্থান, তাই এটি রক্ষা করা সামাজিক শান্তি বজায় রাখার জন্য জরুরি। উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বস্তির ঝেধ তৈরি হয়। এটি সমাজে দাঙ্গা-হাঙ্গামা রোধ করে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাড়িয়ে দেয়। সকলের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করা একটি সভ্য ও মানবিক সমাজের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত।
ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়।
মহানবি (স.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন।
আমরা ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাজে সহযোগিতা করব।
ধর্মে দীক্ষিত করার ব্যাপারে কাউকে জোর করা বা বাধ্য করা যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!