ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ হলো- তাদের প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল আচরণ করা। নিজের ধর্ম ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান তাদের ওপর জোর করে চাপিয়ে না দেওয়া। তাদের উপাসনালয়, পবিত্র স্থান, আচার-অনুষ্ঠান, জীবন-সম্পদ, মান-সম্মান ও বাসস্থানের নিরাপত্তা বিধান করা। তাদের প্রতি কটূক্তি না করা, গালি না দেওয়া বা তাদের সম্পর্কে অবমাননাকর। কথাবার্তা না বলা। ধর্মের ভিত্তিতে তাদের সঙ্গে বৈষম্য না করে নৈতিক সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে উত্তম আচরণের উপায়সমূহ হলো-তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। সহনশীলতা দেখানো এবং সম্মানজনক ভাষায় তাদের সাথে কথা বলা। বিভিন্ন কাজে তাদের সহয়োগিতা করা এবং তাদের মধ্যে অভাবী ব্যক্তিদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত।
ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়।
মহানবি (স.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন।
আমরা ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাজে সহযোগিতা করব।
ধর্মে দীক্ষিত করার ব্যাপারে কাউকে জোর করা বা বাধ্য করা যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!