প্রশ্নোক্ত চরণে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সব পুরানোকে ভেঙে নতুন করে সব গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের সাহসী ও দুর্বার বৈশিষ্ট্যের দিকে আলোকপাত করেছেন। আঠারো বছর বয়সে একজন তরুণ কোনো কিছুকেই ভয় পায় না। সে তার পথের সমস্ত বাধা ভেঙে দিতে চায়। নিজের জীবনের দুর্যোগ, দেহ-মনের নিশ্চলতা ভেঙে তারা নতুন কিছু সৃষ্টি করতে চায়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে ধ্বংস দেখে ভীত না হওয়ার কথা বলা হয়েছে। ধ্বংসের মাধ্যমেই সৃষ্টির সূচনা হয়, পুরোনোকে না ভাঙলে নতুন কিছু সৃষ্টি করা যায় না। সবদিক থেকে প্রলয় আসে পুরোনোকে ভেঙে দিতেই, ধ্বংসের পরে সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই নতুনের জন্ম হয়। তাই, প্রলয় দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আর পুরোনোকে ভেঙে নতুনকে সৃষ্টির এই দায়িত্ব নবীনদের কাঁধে থাকে।
আঠারো বছর বয়সি তরুণদের জীবনে ব্যর্থতা, হতাশা ও কালো অধ্যায় থাকলেও প্রগতি ও অগ্রগতির পথে নিরন্তর ধাবমানতা তাদেরকে গন্তব্যে পৌছে দেয়। শৈশব ও কৈশোরের পরাধীনতা ভেঙে তারা স্বাধীনতার পথে ক্রমাগত অগ্রসর হয়। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে, নবীনেরাই প্রলয়ের ধ্বংসস্তূপ থেকে কোনো কিছুর জন্ম দেয়। ধ্বংস ও প্রলয় সাথে করে নিয়ে এলেও নতুনের নিশ্চিত সৃজন করতে পারবে জেনে তারা বিচলিত হয় না। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাতেও তারুণ্যের এই বৈশিষ্ট্য বিবৃত হয়েছে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণদের নতুন কিছু করার ও সাহসী হওয়ার যে প্রত্যয় কবি ব্যক্ত করেছেন, প্রশ্নোক্ত চরণে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!