মহানবি (স.) ভিন্ন ধর্মের মানুষদের উপাসনা করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেন।
মহানবি (স.) অন্য ধর্মের লোকদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন। একবার নাজরান নামক স্থানে খ্রিস্টান প্রতিনিধিরা মহানবি (স.)-এর নিকট এসেছিলেন। তাদের উপাসনার সময় হলে তিনি তাদেরকে তাদের পদ্ধতিতে উপাসনা করার পূর্ণ স্বাধীনতা দেন। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.) জেরুজালেম জয়ের পর ঘোষণা করেন যে, অমুসলিমদের জীবন, সম্পদ, গির্জা ও ক্রুশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ তাদের গির্জায় বাস করবে না বা সেগুলো ধ্বংস করবে না। তাদের সম্পত্তি থেকে কিছুই নিবে না। ধর্মের ব্যাপারে তাদের ওপর কোনো জবরদস্তি করবে না এবং তাদের কারো ক্ষতি করবে না।
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত।
ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেয়।
মহানবি (স.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনার প্রতিও সহনশীল ছিলেন।
আমরা ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাজে সহযোগিতা করব।
ধর্মে দীক্ষিত করার ব্যাপারে কাউকে জোর করা বা বাধ্য করা যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!