মানসিক বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা কেবল শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখে না, এটি আমাদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি আমাদের বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। দলগত খেলাধুলায় একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ ক্রিকেট খেলার সময় আমার দলের সাথে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার মাধ্যমে আমি যোগাযোগ দক্ষতা শিখেছিল। এ তদ্ব্যতীত খেলাধূলা হতাশা দূর করে এবং মানসিক চাপ কমায়। এই কারণেই খেলাধুলা আমাদের মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
Related Question
View Allছেলেরা ২০/২১ বছর পর্যন্ত উচ্চতায় বাড়ে।
মন শব্দ থেকে মানসিক শব্দটি এসেছে। মানসিক বিকাশ বলতে শিশুর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যবহার, ভাষার প্রকাশ, চিন্তাশক্তি বোঝার ক্ষমতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে অধিক ক্ষমতা অর্জনকে বোঝায়।
রাগীবের আচরণে সামাজিক বিকাশ লক্ষ করা যায়। সামাজিক বিকাশ হলো বয়স অনুযায়ী আচরণ করতে শেখা। যেমন- সকলের সাথে মেলামেশা করা, সমবয়সীদের সাথে খেলা, বয়স্কদের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা ইত্যাদি। একে অপরকে সাহায্য করা, সহানুভূতি দেখানো, ভাগাভাগি করতে শেখা, ভালো কাজে অংশগ্রহণ করা, নিয়ম মেনে চলতে শেখা ইত্যাদি সবই গ্রহণযোগ্য সামাজিক আচরণের মধ্যে পড়ে। আর রাগীবের আচরণে সেটাই ফুটে উঠেছে। অপরদিকে ঝগড়া করা, মারামারি করা, গালিগালাজ করা, নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকা বা স্বার্থপরতা ইত্যাদি হলো অসামাজিক কাজ। যা রাগীব এড়িয়ে চলে।
বিভিন্ন দলে মিলে কাজ করার মাধ্যমে রাগীবের মতো চরিত্রের অধিকারী হওয়া যায়। কারণ রাগীব কৈশোরের বালক। আর কৈশোরে সমবয়সী দলের আচরণ ওই বয়সের ছেলেমেয়েদের আচরণে যথেষ্ট প্রভাবে ফেলে। এ সময়ে পরিবারের বাইরে অন্যতম সামাজিক পরিবেশ হলো স্কুলের সহপাঠী ও প্রতিবেশী ছেলেমেয়েরা। কৈশোরে ছেলেমেয়েরা দলের প্রতি অনুগত থাকে, দলের মতো হওয়ার চেষ্টা করে। সঙ্গী দলের কাছে সে তার মনের ভাব প্রকাশ করে। এভাবে কয়েকজন মিলে ঘনিষ্ঠ বন্ধু দল তৈরি হয়। কৈশোরে বন্ধুদের সঙ্গে মিশে তাদের অনেক ভালো আচরণ গড়ে ওঠে। বন্ধু দল যে আচরণ পছন্দ করে সেই আচরণ তারা করতে আগ্রহী হয়। যেমন- পড়াশুনায় প্রতিযোগিতা করা, শিক্ষকের নির্দেশ মানা, একসাথে খেলাধুলা করা ইত্যাদি। তাই কৈশোরে বন্ধু নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু নির্বাচনে ভুল হলে তার ফল সারাজীবন ভোগ করতে হয়।
১০/১১ বছর বা শৈশবের শেষ পর্যায়ের পর থেকে প্রাপ্ত বয়সের পূর্ব অর্থাৎ ১৮ বছর পর্যন্ত কৈশোর কাল।
নৈতিকতা হলো নিজের আচরণকে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করা। আর তা বিকাশে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। মা-বাবা, ভাই-বোন, পরিবারের অন্যান্য সদস্য যে কাজ করতে নিষেধ করেন সেটা খারাপ কাজ এবং যে কাজ করলে খুশি হন বা প্রশংসা করেন সেটা ভালো কাজ। এভাবে ভালো ও মন্দের ধারণা তৈরি হয়। এ বয়সে ভয়ভীতির কারণে তারা ভালো কাজ করে না বরং ভালো কাজ নিজের ইচ্ছেতেই করে। এটি মূলত নৈতিক বিকাশ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!