সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত ১০/১১ বছর বা শৈশবের শেষ পর্যায়ের পর থেকে প্রাপ্তবয়সের পূর্ব অর্থাৎ ১৮/১৯ বছর পর্যন্ত বয়সকে বয়ঃসন্ধিক্ষণ বলা হয়। বয়ঃসন্ধিক্ষণে ছেলেমেয়েদের এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যার মাধ্যমে এদেরকে আলাদাভাবে চেনা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোর কালে শারীরিক বিকাশ বলতে দেহের পরিবর্তন ও আকার-আকৃতির বৃদ্ধিকে বোঝায়। শারীরিক পরিবর্তনের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য যা সবার মধ্যে বিদ্যমান থাকে। এ সময় বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিবর্তন হয়। ক্রমে ক্রমে বেড়ে শিশু থেকে পূর্ণ বয়স্কের আকার ধারণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আবেগের ধরন দুটি।
যথা- ইতিবাচক আবেগ : আবেগ আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি করে যেমন-সুখ, আনন্দ, হাসি, স্নেহ-মমতা ইত্যাদি এগুলো হলো ইতিবাচক আবেগ। এরকম পরিবেশ আমরা চাই।
নেতিবাচক আবেগ: যে আবেগে রাগ, ভয়, দুঃখ, ঈর্ষা ইত্যাদি প্রকাশ পায় সেগুলো হলো নেতিবাচক আবেগ। যা আমরা পছন্দ করি না। এগুলো দুঃখের পরিবেশ সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিক্ষণে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যার মাধ্যমে ছেলে এবং মেয়ে আলাদাভাবে চেনা যায়। ছেলেদের গোঁফ দাড়ি উঠতে শুরু করে, গলার স্বর পরিবর্তন হয়। শুরুতে এটা ভাঙা ভাঙা হয়ে স্বর মোটা হয়। আর মেয়েদের শারীরিক গঠন পাল্টে যায় এবং প্রতি ২৮ 'দিন অন্তর খঋতুস্রাব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যে বয়সে মেয়েদের প্রতি ২৮ দিন অন্তর অন্তর খঋতুস্রাব হয় এবং হঠাৎ করে এ বয়সে যে পরিবর্তন হয় তা তার জীবনের স্বাভাবিক' চক্র। এটি ৩ থেকে ৫ দিন, কারও কারও ক্ষেত্রে ৭ বা তার বেশি দিন চলতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

বয়ঃসন্ধিক্ষণে মেয়েদের হঠাৎ শারীরিক পরিবর্তনটি হলো ঋতুস্রাব। আগে থেকে জানা না থাকায় বা এ সম্পর্কে না বোঝায় এ পরিবর্তনে ভয় পাওয়া খুবই স্বাভাবিক। শারীরিক এই পরিবর্তনে ভয় না পেয়ে লজ্জা না করে সাথে সাথে মা অথবা বড় বোনদের থেকে পরামর্শ গ্রহণ করা। এতে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই, এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক।


Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

মানসিক বিকাশ বলতে শিশুর বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবহার, ভাষার প্রকাশ, চিন্তাশক্তি বোঝার ক্ষমতা ইত্যাদিকে বোঝায়। মানসিক বিকাশগুলো হলো- বয়স বাড়ার সাথে সাথে তারা কথা বলতে শেখে, মনে রাখতে, পারে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে এবং দূরত্ব বুঝতে পারে ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

যুক্তি দিয়ে চিন্তা করাই হলো মানসিক বিকাশের পরিণত ধাপ, যা কৈশোরকালের ছেলেমেয়েরা অর্জন করে। কৈশোরে ছেলেমেয়েরা চিন্তা ও বিচারবুদ্ধি দিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারে। যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে পারে। এ বয়সে ছেলেমেয়েরা বিমূর্ত ধারণা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে ছেলেমেয়েরা চিন্তা ও বিচারবুদ্ধি দিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারে। এ বয়সে ছেলেমেয়েরা বিমূর্ত ধারণা অর্থাৎ যেগুলো দেখা যায় না, সেগুলো বুঝতে পারে। যে ঘটনা রা বিষয়টি - সামনে উপস্থিত নেই, কাগজে-কলমে সেই সমস্যার সমাধান করতে পারে। যেমন- জ্যামিতির সমস্যা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে মানসিক ক্ষমতা বাড়ানোর কয়েকটি উপায় হলো-
১. পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বেশি বেশি বিভিন্ন ধরনের ভালো বই পড়া।

২. আগ্রহ নিয়ে কোনো কিছু শোনা এবং বোঝা।

৩. মুখস্থ করতে হলে বিষয়বস্তু আগে বুঝে নেওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আবেগ বলতে আনন্দ, রাগ, ভয়, ভালোবাসা, হাসি, কান্না আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গীকে বোঝায়। আবেগ ছাড়া মানুষ হয় না। বাইরের কোনো ঘটনা যখন আমাদের মনে আলোড়ন সৃষ্টি করে তখন আমরা হাসি, কাঁদি, ভয় পাই, ঈর্ষা করি, রেগে যাই- এগুলোই আবেগ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ


মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য হলো আবেগের। রোবট মেশিনের তৈরি; মানুষের মতো সে সব করতে পারলেও কোনো ঘটনায় হাসতে পারে না, ভয় পেয়ে পালাতে পারে না, রাগ করে চিৎকার করে না। কিন্তু মানুষের মাঝে এই আনন্দ, রাগ, ভয়, ভালোবাসা, হাসি, কান্না সবই আছে। তাই বলা যায়, মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য হলো আবেগের।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

নেতিবাচক আবেগগুলো হলো রাগ, ভয়, দুঃখ, ঈর্ষা ইত্যাদি যেগুলো আমাদের দুঃখের পরিবেশ সৃন্টি করে। কোনো দুঃখজনক ঘটনায় আমাদের মন খারাপ হয়, পড়াশোনায় মনোযোগ আসে না। ভয় পেলে আমাদের অস্থিরতা বাড়ে, স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারি না। যা শরীর ও মনের জন্য ক্ষতিকর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশেরের ছেলেমেয়েদের পরিবারের বাইরে অন্যতম সামাজিক পরিবেশ হলো স্কুলের সহপাঠী ও প্রতিবেশী ছেলেমেয়েরা। এসময় ছেলেমেয়েরা দলের প্রতি অনুগত থাকে, দলের মতো হওয়ার চেস্টা করে। ব্যক্তিগত গোপন বিষয়গুলো পরিবারের চেয়ে বন্ধুদের কাছে বলতে পছন্দ করে। এভাবে কয়েকজনকে নিয়ে একটি ঘনিষ্ঠ বন্ধু দল তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে ভালো দলে মিশে আমরা অনেক ভালো কিছু শিখতে পারি। যেমন- অন্যের মতামত গ্রহণ করতে শেখা, সহযোগিতা করতে শেখা, ভাগাভাগি করতে শেখা, দায়িত্ব নিতে শেখা, আত্মনির্ভর হওয়া, প্রতিযোগিতা করা দলে খেলাধুলা করা ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে অনেক বন্ধু থাকে যাদের সাথে মিশে অনেক খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়তে হয়। যদি কেউ খারাপ কাজ না করে তবে তাকে বিদ্রূপ করা হয়। ঐ দলে থাকতে হলে ঐ দলের আচরণগুলো মেনে নিতে বাধ্য করা হয়। এজন্য কৈশোরে বন্ধু নির্বাচনে অনেক সাবধান হতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

শিশু অবস্থায় পরিবার থেকে ভুল ও সঠিক আচরণের ধারণা তৈরি হয়। মা-বাবা, ভাই-বোন, পরিবারের অন্য সদস্যরা যে কাজ করতে নিষেধ করেন, সেটা খারাপ কাজ এবং যে কাজ করলে খুশি হন বা প্রশংসা করেন, সেটা ভালো কাজ। এভাবে শিশুর ভালো ও মন্দ কাজের ধারণা তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে ভালো ও মন্দের নিজস্ব ধারণা তৈরি হয়। এ বয়সে ভয়ভীতির কারণে তারা ভালো কাজ করে না বরং ভালো কাজ নিজের ইচ্ছাতেই করে। যুক্তি দিয়ে কাজটি কেন ভালো বা কাজটি কেন খারাপ তা বিচার করার ক্ষমতা হয়। আবার অন্যের সামনে লজ্জা পেতে হবে জেনেও খারাপ কাজ থেকে অনেকে বিরত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

কৈশোরে বন্ধুদের সাথে মেলামেশা আচরণে প্রভাব ফেলে। অনেক সময় দলীয় সদস্যদের খারাপ আচরণ লক্ষ করে তারাও খারাপ কাজ করতে শেখে। দলে নিজের মর্যাদা রাখার জন্য এ ধরনের আচরণ খারাপ জেনেও করে। এজন্য কৈশোরে তারা কী ধরনের বন্ধুর সাথে মেলামেশা করছে সেটা জানা খুবই জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
No explanation available yet.
উত্তরঃ

মানসিক বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা কেবল শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখে না, এটি আমাদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি আমাদের বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। দলগত খেলাধুলায় একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ ক্রিকেট খেলার সময় আমার দলের সাথে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার মাধ্যমে আমি যোগাযোগ দক্ষতা শিখেছিল। এ তদ্ব্যতীত খেলাধূলা হতাশা দূর করে এবং মানসিক চাপ কমায়। এই কারণেই খেলাধুলা আমাদের মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

নৈতিকতা বিকাশে পরিবার হলো আমাদের নৈতিকতার প্রথম শিক্ষা কেন্দ্র। মা-বাবা আমাদের সত্যবাদিতা, শৃঙ্খলা এবং ন্যায়পরায়ণতার গুরুত্ব শেখান। তারা আমাদের ভালো ও মন্দ কাজের পার্থক্য বুঝিয়ে দেন। আমার মা সবসময় শিখিয়েছেন, অন্যায় না করে কাজ করতে। বাবা আমাকে নিয়ম মেনে চলার গুরুত্ব শেখান। পরিবারের এই শিক্ষাগুলোই আমার নৈতিক চরিত্র গড়ে তুলেছে। তাই নৈতিকতা বিকাশে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

আবেগের সময় দেহ, মন ও আচরণের পরিবর্তন হয়। ভয় পেলে আমাদের শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসে, টেনশনে বুকের ঢিপ ঢিপ বেড়ে যায়, রেগে চোখ লাল হয়ে যায়, আনন্দে আমরা হাসি, কোনো দুঃখের ঘটনায় আমাদের কান্না পায়- এসবেই আবেগের প্রকাশ ঘটে। অতিরিক্ত আবেগ আমাদের অনেক ক্ষতি করে। অতিরিক্ত রাগে আচরণের পরিবর্তন হয়। আমাদের আচরণ হয় ভয়াবহ। অনেকে রেগে জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে, ভেঙে ফেলে, অন্যকে আঘাত করে। অতিরিক্ত আবেগ আমাদের জীবনে জটিলতা সৃষ্টি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

নৈতিকতা বলতে আমরা সামাজিক ও ধর্মীয় নীতি অনুসরণ করাকে বুঝি। ভালো কাজ করলে যেমন মনে তৃপ্তি আসে, খারাপ কাজ করলে তেমনি নিজের কাছে অনুশোচনা হয়। সত্য বললে ভালো লাগে, মিথ্যা বললে অপরাধবোধ হয়। অর্থাৎ নৈতিকতা হলো নিজের আচরণকে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করা। নৈতিকতা বিকাশে নিয়মানুবর্তিতার গুরুত্ব অনেক বেশি। ছোটবেলা থেকে নিয়মমতো চলার মধ্য দিয়ে আমরা ভালো অভ্যাস তৈরি করতে পারি। নিয়ম মানার মধ্য দিয়ে কোনটি করা উচিত, কোনটি করা উচিত নয় তা জানা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
উত্তরঃ

অতিরিক্ত আবেগ আমাদের অনেক ক্ষতি করে। আমাদের জীবনে অনেক জটিলতা সৃষ্টি করে। এটি নানা রকম দুশ্চিন্তা, অস্তিরতার সৃষ্টি করে। আর এর ফলে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া যায় না, ঘুম আসে না, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, দৈনিক কাজে বাধা আসে ইত্যাদি। এ কারণেই আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।আবেগ নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়গুলো হলে-

১.. যেকোনো ঘটনায় ভালো দিকটা খুঁজে পেতে শেখা।
২. জটিল অবস্থা মেনে নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করা।
৩. হতাশাকে প্রশ্রয় না দেওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
63
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মন শব্দ থেকে মানসিক শব্দটি এসেছে। মানসিক বিকাশ বলতে শিশুর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যবহার, ভাষার প্রকাশ, চিন্তাশক্তি বোঝার ক্ষমতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে অধিক ক্ষমতা অর্জনকে বোঝায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
206
উত্তরঃ

রাগীবের আচরণে সামাজিক বিকাশ লক্ষ করা যায়। সামাজিক বিকাশ হলো বয়স অনুযায়ী আচরণ করতে শেখা। যেমন- সকলের সাথে মেলামেশা করা, সমবয়সীদের সাথে খেলা, বয়স্কদের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা ইত্যাদি। একে অপরকে সাহায্য করা, সহানুভূতি দেখানো, ভাগাভাগি করতে শেখা, ভালো কাজে অংশগ্রহণ করা, নিয়ম মেনে চলতে শেখা ইত্যাদি সবই গ্রহণযোগ্য সামাজিক আচরণের মধ্যে পড়ে। আর রাগীবের আচরণে সেটাই ফুটে উঠেছে। অপরদিকে ঝগড়া করা, মারামারি করা, গালিগালাজ করা, নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকা বা স্বার্থপরতা ইত্যাদি হলো অসামাজিক কাজ। যা রাগীব এড়িয়ে চলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
84
উত্তরঃ

বিভিন্ন দলে মিলে কাজ করার মাধ্যমে রাগীবের মতো চরিত্রের অধিকারী হওয়া যায়। কারণ রাগীব কৈশোরের বালক। আর কৈশোরে সমবয়সী দলের আচরণ ওই বয়সের ছেলেমেয়েদের আচরণে যথেষ্ট প্রভাবে ফেলে। এ সময়ে পরিবারের বাইরে অন্যতম সামাজিক পরিবেশ হলো স্কুলের সহপাঠী ও প্রতিবেশী ছেলেমেয়েরা। কৈশোরে ছেলেমেয়েরা দলের প্রতি অনুগত থাকে, দলের মতো হওয়ার চেষ্টা করে। সঙ্গী দলের কাছে সে তার মনের ভাব প্রকাশ করে। এভাবে কয়েকজন মিলে ঘনিষ্ঠ বন্ধু দল তৈরি হয়। কৈশোরে বন্ধুদের সঙ্গে মিশে তাদের অনেক ভালো আচরণ গড়ে ওঠে। বন্ধু দল যে আচরণ পছন্দ করে সেই আচরণ তারা করতে আগ্রহী হয়। যেমন- পড়াশুনায় প্রতিযোগিতা করা, শিক্ষকের নির্দেশ মানা, একসাথে খেলাধুলা করা ইত্যাদি। তাই কৈশোরে বন্ধু নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু নির্বাচনে ভুল হলে তার ফল সারাজীবন ভোগ করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
91
উত্তরঃ

১০/১১ বছর বা শৈশবের শেষ পর্যায়ের পর থেকে প্রাপ্ত বয়সের পূর্ব অর্থাৎ ১৮ বছর পর্যন্ত কৈশোর কাল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
216
উত্তরঃ

নৈতিকতা হলো নিজের আচরণকে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করা। আর তা বিকাশে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। মা-বাবা, ভাই-বোন, পরিবারের অন্যান্য সদস্য যে কাজ করতে নিষেধ করেন সেটা খারাপ কাজ এবং যে কাজ করলে খুশি হন বা প্রশংসা করেন সেটা ভালো কাজ। এভাবে ভালো ও মন্দের ধারণা তৈরি হয়। এ বয়সে ভয়ভীতির কারণে তারা ভালো কাজ করে না বরং ভালো কাজ নিজের ইচ্ছেতেই করে। এটি মূলত নৈতিক বিকাশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
92
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews