মারীয়া এলিজাবেথকে সাহায্য করতে গিয়েছিলেন। তিনি দূতের কাছে জানতে পারলেন যে, তাঁর জ্ঞাতিবোন এলিজাবেথ ছয় মাসের গর্ভবতী। এলিজাবেথের তখন অনেক বয়স ছিল। তাই তাঁর সাহায্যের দরকার ছিল। এই খবর শুনে তিনি খুব খুশি হন। সেই সাথে বোঝতে পারেন যে, ঈশ্বর এলিজাবেথের জীবনে একটি বড়ো অলৌকিক কাজ করছেন। এই আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্য তিনি তাঁর কাছে যেতে চেয়েছিলেন। যেখানে তিনি তিন মাস তার সঙ্গে থাকলেন। এই সংকটময় সময়ে তিনি তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করলেন। মোটকথা মারীয়া এলিজাবেথের সাথে ঈশ্বরের দেওয়া আশীর্বাদ ভাগ করে নিতে চেয়েছিলেন।
Related Question
View Allঈশ্বর আমাদের প্রত্যেকের জীবনের উৎস।
প্রতিবেশীর প্রয়োজনে তাদেরকে সাহায্য করি।
প্রতিবেশীকে সেবা করার মাধ্যমে ঈশ্বরকে সেবা করছি।
যীশুকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন কুমারী মারীয়া
কলকাতার মাদার তেরেজা আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।
একমাত্র পুত্রকে বলি দিতে অস্বীকার করেননি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!