মি. আব্দুর রহিম বিদেশ যাওয়ার লক্ষ্যে পাসপোর্ট করার জন্য পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী ফারুকের শরণাপন্ন হন। তার কাছে অনেক ঘোরাঘুরি করেও পাসপোর্ট পাননি। প্রদেয় টাকাও ফেরত পাননি। পরে প্রতিবেশী একজন স্কুল শিক্ষকের পরামর্শে তিনি ইউনিয়ন তথ্য সেবাকেন্দ্রে যান এবং অনলাইনে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন এবং কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই স্বল্পসময়ে পাসপোর্ট পেয়ে যান।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকেই মূল্যবোধ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে যে বিষয়ের গভীর সম্পর্ক রয়েছে সেটি হলো রাষ্ট্রবিজ্ঞান। পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান, আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান হলো রাষ্ট্র ও সরকার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। কেননা রাষ্ট্র ব্যতীত যেমন নাগরিককে কল্পনা করা যায় না তেমনি নাগরিক ব্যতীত রাষ্ট্রকে চিন্তা করা যায় না। পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান দুটি আলাদা বিষয় হলেও এ দুটি বিষয়ের আলোচনার বিষয়বস্তুর দিক থেকে দুটি বিষয়ই গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ফারুকের ভূমিকা দুর্নীতির পরিচয় বহন করে। দুর্নীতিকে দেখা হয় একটি অভিশাপ হিসেবে। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় যদি দুর্নীতি প্রবেশ করে তাহলে সেখানে ন্যায়পরায়ণতা, আইনের শাসন সুদূরপরাত বিষয়ে পরিণত হয়। সুশাসনের পথে সরাসরি বাধা হিসেবে কাজ করে দুর্নীতি। শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতি জনসাধারণকে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। দুর্নীতি সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি করে এবং ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। ব্যক্তিস্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষ দুর্নীতি করে। দুর্নীতির কারণে সম্পদের অপব্যবহার হয়, বন্টনে অসমতা সৃষ্টি হয় এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে। দুর্নীতি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে বিঘ্নিত করে এবং এর মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নৈতিকতা বিনষ্ট হয়, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন হুমকির মুখে পড়ে এবং একটি দেশের সর্বপ্রকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হয়। তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে পরিলক্ষিত হয় ফারুকের ভূমিকা দুর্নীতির পরিচয় বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতি ই-গভর্ন্যান্সকে নির্দেশ করে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পদ্ধতির ভূমিকা অপরিহার্য বলে আমি মনে করি।

কারণ যেকোনো রাষ্ট্রের সাফল্য নির্ভর করে ফলপ্রসূ শাসনকার্যের উপর। আর এই ফলপ্রসূ শাসনকার্য নিশ্চিত করতে ই-গভর্ন্যান্স অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মূলত ব্যক্তি জীবনের উৎকর্ষ সাধন, জাতীয় জীবনের উন্নতি ও প্রগতি এবং বিশ্বের জাতিসমূহকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার বন্ধনে আবদ্ধ করে অভিন্ন পরিবারের সোনালী স্বপ্ন দেখিয়েছে তথ্য প্রযুক্তি। আর ই-গভর্ন্যান্সের হলো তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি তথ্য ও সেবা জনগণের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দেওয়া। জনগণের প্রয়োজনীয় সেবাগুলো দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছানো এ ব্যবস্থার মূল লক্ষ। এ ব্যবস্থায় প্রশাসনিক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ব্যবস্থায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সাথে নাগরিকদের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে এবং দেশে সুশাসনের পথ নিষ্কন্টক হয়। উন্নত নাগরিক জীবন প্রতিষ্ঠায় যেমন সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তেমনি দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক সরকারি সেবা জনগণের নিকট পৌছানোর মাধ্যমে ই-গভর্ন্যান্স সুশাসন প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতির ভূমিকাই অপরিহার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
46
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ই-গভর্ন্যান্স হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার" - সংজ্ঞাটি জাতিসংঘ (২০০৬) প্রদত্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
279
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্সের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তথ্যসেবা দেওয়া। আর এর মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়। সরকারি কাজের গতিশীলতা আনয়ন, ব্যয় হ্রাস করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্স বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়নে ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ একটি পদ্ধতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
212
উত্তরঃ

সুমনের বাবা অবাক হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে তিনি আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পর্যাপ্ত জানেন না। তিনি হয়তবা বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যারা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তিনি এমন এক ব্যবস্থায় অভ্যস্ত যেখানে সরকারি-বেসরকারি যোগাযোগ সবসময় সাধারণভাবে সম্পন্ন হয়। চিঠি, সরাসরি খবর সরবরাহ কিংবা বড়জোর টেলিফোনের মাধ্যমে তথ্য যোগাযোগে যারা পারদর্শী ছিলেন, তাদের নিকট ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আশ্চর্য হওয়ার মতোই ব্যাপার। আধুনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো জনমত গঠনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমেই ঘরে বসেই সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা যায়। সুমন এভাবেই সন্ত্রাসীকে ধরে দিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এ বিষয়ে যার কোনো ধারণা নেই, তিনি এতে আশ্চান্বিত হতেই পারেন। এজন্যই সুমনের বাবা অবাক হয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
187
উত্তরঃ

সুমন রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগণের কথা উল্লেখ করেছে, যারা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় সরকার ও জনগণের সহঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। কিন্তু গণতন্ত্রের নির্বাচন ব্যবস্থায় সমাজে শিক্ষিত ও সচেতন জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সমাজের সচেতন নাগরিকেরা সরকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে পত্রপত্রিকা এবং অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নানাবিধ আলোচনা সমালোচনায় অংশ নেয়। ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদিকে এখন বলা হয় নাগরিক সাংবাদিকতার প্লাটফর্ম। এ প্লাটফর্মে জনগণ একত্রিত হয়ে সরকারের প্রশংসা বা সমালোচনা করে সরকারকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়। এরূপ আন্দোলনের দাবি অনেক সময়ই সরকার অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানতে বাধ্য হয়। আর এ কাজটি করে মূলত দেশের সচেতন ও শিক্ষিত জনসাধারণ। গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ পক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জনসাধারণের এ অংশ যত সক্রিয় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, গণতন্ত্র তত সংহত হবে। শাসকগোষ্ঠীর জবাবদিহিতা তত বৃদ্ধি পাবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। চূড়ান্ত বিচারে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এভাবেই জনসাধারণের সচেতন ও সুশিক্ষিত অংশ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রভাব বিস্তার করে থাকেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
152
উত্তরঃ

ফেসবুক ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ করা যায় এবং ছবি, তথ্য শেয়ার করা যায়। (www.facebook.com)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
289
উত্তরঃ

ই-গভর্ন্যান্স একটি উত্তম পদ্ধতি হলেও এর নানাবিধ অসুবিধা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি পদ্ধতি, আবার এজন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন জনবলও অপ্রতুল। এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়মিত হালনাগাদ করার বিদ্যুৎ সমস্যা, ইন্টারনেটের ধীরগতি এবং দুর্নীতিবাজদের প্রভাব এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। যেখানে' দেশের সিংহভাগ জনগণের ন্যূনতম ICT জ্ঞান এবং ইন্টারনেট অ্যাকসেস নেই, সেখানে এটি অপ্রয়োজনীয় অপচয়ও বটে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
352
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews