পে-ব্যাক সময় পদ্ধতিটির কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে মি. মাসুদ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
পে-ব্যাক সময় পদ্ধতিতে মোট বিনিয়োগের ফেরতকাল বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একাধিক প্রকল্পের মধ্যে যে প্রকল্পের পে-ব্যাক সময় কম থাকবে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে। তবে একটি প্রকল্প হলে এ পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়।
উদ্দীপকে মি. মাসুদ ৫০,০০০ টাকার একটি প্রকল্পে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন। বিনিয়োগটি থেকে আগামী ৫ বছর তার প্রত্যাশিত আয় হবে যথাক্রমে ১০,০০০ টাকা, ১২,০০০ টাকা, ১৫,০০০ টাকা, ২০,০০০ টাকা এবং ১০,০০০ টাকা। মূলধন বাজেটিং এর ক্ষেত্রে তিনি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। অর্থাৎ তিনি পে-ব্যাক সময় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন।
উদ্দীপকে মি. মাসুদ পে-ব্যাক সময় পদ্ধতি অনুসরণ করলে ৩.৬৫
বছরে তার বিনিয়োগ ফেরত আসবে। কিন্তু এই পদ্ধতিটি শুধু - সময়কাল বিবেচনা করে। এটি কোনো মুনাফার হার না। এছাড়াও এ পদ্ধতিটি অর্থের সময়মূল্য বিবেচনা করে না। ফলে প্রকল্পটির বিপরীতে অন্য কোনো বিকল্প প্রকল্প না থাকায় তুলনাও করা যাবে না। এ সকল সীমাবদ্ধতার কারণে মি. মাসুদ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!