নিট মুনাফার সাথে অবচয় যোগ করলে নগদ আন্তঃপ্রবাহ পাওয়া যায়।
সম্পদের ব্যবহারজনিত ক্ষতিকে অবচয় বলে।
সম্পদের ক্রয়মূল্যের ব্যয়কে এর জীবনকালের ওপর বণ্টন করে দেওয়া হয় অবচয়ের মাধ্যমে। সরলরৈখিক, ক্রমহ্রাসমান জের ইত্যাদি পদ্ধতিতে অবচয় নির্ণয় করতে হয়। যেমন: কোনো একটি মেশিনের ক্রয়মূল্য যদি ২০,০০০ টাকা হয় এবং এর জীবনকাল ৫ বছর হয়, তাহলে সরলরৈখিক পদ্ধতিতে এর প্রতিবছরের অবচয় হবে (২০,০০০ ÷ ৫) = ৪,০০০ টাকা।

পে-ব্যাক সময় পদ্ধতিটির কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে মি. মাসুদ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
পে-ব্যাক সময় পদ্ধতিতে মোট বিনিয়োগের ফেরতকাল বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একাধিক প্রকল্পের মধ্যে যে প্রকল্পের পে-ব্যাক সময় কম থাকবে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে। তবে একটি প্রকল্প হলে এ পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়।
উদ্দীপকে মি. মাসুদ ৫০,০০০ টাকার একটি প্রকল্পে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন। বিনিয়োগটি থেকে আগামী ৫ বছর তার প্রত্যাশিত আয় হবে যথাক্রমে ১০,০০০ টাকা, ১২,০০০ টাকা, ১৫,০০০ টাকা, ২০,০০০ টাকা এবং ১০,০০০ টাকা। মূলধন বাজেটিং এর ক্ষেত্রে তিনি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। অর্থাৎ তিনি পে-ব্যাক সময় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন।
উদ্দীপকে মি. মাসুদ পে-ব্যাক সময় পদ্ধতি অনুসরণ করলে ৩.৬৫
বছরে তার বিনিয়োগ ফেরত আসবে। কিন্তু এই পদ্ধতিটি শুধু - সময়কাল বিবেচনা করে। এটি কোনো মুনাফার হার না। এছাড়াও এ পদ্ধতিটি অর্থের সময়মূল্য বিবেচনা করে না। ফলে প্রকল্পটির বিপরীতে অন্য কোনো বিকল্প প্রকল্প না থাকায় তুলনাও করা যাবে না। এ সকল সীমাবদ্ধতার কারণে মি. মাসুদ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!