যে সকল দ্রব্যসামগ্রী মানুষের শ্রম দ্বারা উৎপাদিত এবং যা বর্তমানে ভোগের জন্য ব্যবহৃত না হয়ে অধিকতর উৎপাদনের জন্য পুনরায় উৎপাদনকার্যে ব্যবহৃত হয় তাকেই অর্থনীতিতে মূলধন বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allকদ্রব্যের গুণগতমান অক্ষুণ্ণ রেখে কোনো সময়ে একজন শ্রমিকের অধিক উৎপাদন করার সক্ষমতাকে শ্রমের দক্ষতা বলে।
না, সকল অর্থই মূলধন নয়।
যে বস্তু লেনদেন সম্পাদনের কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে অর্থ বলে।
অপরদিকে যে সম্পদ কোনো আয় সৃষ্টি করে অথবা উপার্জনে সহায়তা করে তাকে মূলধন বলে। অর্থ মূলধন কিনা তা নির্ভর করে এর ব্যবহারের ওপর। অর্থকে যদি আয় উপার্জনের কাজে ব্যবহার করা হয় তবে অর্থকে মূলধন বলা যায়। কিন্তু অর্থকে যদি আয় উপার্জন ছাড়া অন্য কোনো কাজে যেমন- পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা, কাউকে দান করা ইত্যাদি কাজে ব্যয় করা হয় তবে অর্থকে মূলধন বলা যাবে না।
আলম সাহেবের কাজটি উৎপাদনের সংগঠন উপকরণের অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য উৎপাদনের উপকরণগুলোকে (যেমন- ভূমি, শ্রম ও মূলধন) একত্রিত করে এদের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করার কার্যকে সংগঠন বলে। সংগঠন কাঠামো, এমন হতে হবে যাতে প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কাজের মধ্যে সমন্বয়সাধন হয়।
উদ্দীপকে জনাব আলমের একটি ডালের মিল আছে। তিনি দেশের | বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সরবরাহকারীর মাধ্যমে ডাল সংগ্রহ করে নিজের । মিলে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে উৎপাদন ও বিক্রয় করেন। কয়েক ! বছরের মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও বিক্রয় বৃদ্ধি পায়। ফলে তিনি উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অধিক উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মেশিন ক্রয় করেন। এর পাশাপাশি তিনি কিছু শ্রমিকও তার প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেন। তার এ কাজ উৎপাদনের উপকরণ সংগঠনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, আলম সাহেবের কাজটি উৎপাদনের সংগঠন উপকরণের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকে জনাব আলমের শ্রম হলো মানসিক এবং কর্মীদের শ্রম হলো শারীরিক শ্রম। তাই শ্রম দিলেও আলমের কাজ ও কর্মীদের কাজ এক নয়- উক্তিটি যৌক্তিক।
অর্থ উপার্জন অথবা কোনো সুবিধা প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি তার মানসিক প্রচেষ্টাকে কোনো কাজে নিয়োজিত করলে তাকে মানসিক শ্রম বলে। যেমন, একজন ব্যবস্থাপকের কাজ মানসিক শ্রম অর্থ উপার্জন অথবা কোনো সুবিধাপ্রাপ্তির উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি যে দৈহিক বা কায়িক শ্রম প্রদান করে তাকে শারীরিক শ্রম বলে। যেমন, একজন কুলির কাজ শারীরিক শ্রম।
উদ্দীপকে জনাব আলমের একটি ডালের মিল আছে। তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সরবরাহকারীর মাধ্যমে ডাল সংগ্রহ করে নিজের | মিলে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে উৎপাদন ও বিক্রয় করেন। কয়েক বছরের মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও বিক্রয় বৃদ্ধি পায় ফলে তিনি • উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অধিক উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মেশিন ক্রয় করেন। এর পাশাপাশি তিনি কিছু শ্রমিকও তার প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেন
শ্রম দুই প্রকার যথা: শারীরিক শ্রম এবং মানসিক শ্রম। প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের কাজগুলো মানসিক শ্রমের অন্তর্ভুক্ত। কারণ তারা
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চিন্তা-ভাবনা করে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আর এই চিন্তার বিষয়টি মানসিক শ্রম। অপরদিকে প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মীদের কাজ শারীরিক শ্রমের অন্তর্ভুক্ত। কারণ শ্রমিক-কর্মীরাই প্রতিষ্ঠানের কাজ বাস্তবায়নের সাথে জড়িত। আর এই কাজ বাস্তবায়ন - সম্পর্কিত বিষয়টি হচ্ছে শারীরিক শ্রম। তাই উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব
ভূমি হলো প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ যা উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়।
উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত মানুষের কায়িক ও মানসিক পরিশ্রমকে শ্রম বলে।
শ্রম একটি পচনশীল উপাদান। একে জমিয়ে বা সঞ্চয় করে রাখা যায় না। কোনো শ্রমিক যদি কোনো একদিন কাজ না করে তবে উক্ত সময়ের শ্রমকে সে সঞ্চয় করে পরে তা ব্যবহার করতে পারবে না; বরং তার শ্রম সময়ের সাথে সাথেই নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাই বলা যায়, শ্রম একটি পচনশীল পণ্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!