যারে খুব বেসেছিনু ভালো

সে মোরে ছেড়ে চলে গেল

যে ছিল মোর জীবন ছায়া

রেখে গেছে শুধু মায়া।

লাগে না ভালো অপরূপ প্রকৃতি

যতই করুক কেউ মিনতি

আমি এখন রিক্ত শূন্য

মন পড়ে রয়েছে তার জন্য

সে দিলো মোরে কেমনে ফাঁকি

আমি এখন বড়ো একাকী।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?'- উক্তিটি দ্বারা কবিভক্ত কবির কাছে ঋতুরাজ বসন্তকে উপেক্ষা করে ব্যথা দেওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।
প্রকৃতিতে বসন্ত এলেও কবিভক্ত লক্ষ করেছেন তাঁর প্রিয় কবি বসন্ত-বন্দনা করে কবিতা লিখছেন না। ফলে ব্যথিত ও হতাশ কবিভক্ত কবিকে বভিন্ন প্রশ্ন করে এর কারণ উদ্‌ঘাটন করার চেষ্টা করেছেন। প্রশ্নোল্লিখিত উক্তিটি দ্বারা ঋতুরাজ বস্তুকে উপেক্ষা করার কারণ কী- তা জানতে কৌতূহলী কবিভক্ত কবির কাছে প্রশ্ন রেখেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হাউদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় উল্লিখিত প্রিয়জন বিচ্ছেদের বেদনা প্রকাশ পেয়েছে।
তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে। স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুতে কবির জীবনে নেমে আসে গভীর শূন্যতা। তাঁর ব্যক্তিজীবন ও কাব্যসাধনা তাই বিষণ্ণতার গাঢ় আঁধারে ঢেকে যায়। সেই গভীর দুঃখবোধই ফুটে উঠেছে আলোচ্য কবিতার পঙক্তিমালায়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে স্বজন হারানোর যন্ত্রণা প্রকাশ পেয়েছে। কবি যাঁকে খুব ভালোবাসতেন, তিনি কবিকে ছেড়ে চলে গেছেন। কবির কাছে এ জীবন তাই অর্থহীন মনে হয়। সবকিছুতেই তিনি কেবল শূন্যতাই খুঁজে পান। অতি প্রিয় মানুষের বিচ্ছেদ তাঁকে বড়ো নিঃসঙ্গ করে দিয়েছে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাতেও একই অনুভূতির অনুরণন ঘটেছে। শীতের রিক্ততার স্মৃতি বারবার মনে পড়ায় কবি ঋতুরাজ বসন্তের আগমনকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গ্রহণ করতে পারেননি। অর্থাৎ প্রিয়জন চলে যাওয়ার বিষাদময় অনুভূতিই উদ্দীপকের কবিতাংশ এবং আলোচ্য কবিতার মূলসুর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সুরকে প্রকাশ করতে পারেনি"- মন্তব্যটি যথার্থ নয়।
প্রিয়জন যখন অসময়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় তখন জীবন প্রকৃতপক্ষে অর্থহীন হয়ে পড়ে। বিষাদ নেমে আসে চারপাশে। আনন্দের উপকরণগুলোও বেদনাময় হয়ে যায়। প্রিয়জন হারানোর এ শোকানুভূতিই 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল উপজীব্য।
উদ্দীপকের কবিতাংশের বর্ণনায় কবির শোকানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। কবি যাঁকে খুব ভালোবেসেছিলেন, তিনি কবিকে ছেড়ে চলে গেছেন। ফলে অপরূপ প্রকৃতি কবির আর ভালো লাগে না। সবকিছু শূন্য মনে হয়। কেননা, কবির চেতনাজুড়ে তাঁর প্রিয়জনের ছবি। সেই প্রিয়জন কবির অস্তিত্বের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে আজ অনেক দূরে। তাই কবির নিজেকে একাকী মনে হয়। একইভাবে, আলোচ্য কবিতায়ও শীতের বিদায় মনে করে বসন্তকে কবি যথাযথভাবে বরণ করতে পারছেন না।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মর্মবাণী মূলত প্রিয়জন হারানোর অন্তহীন শোক এবং তার ফলে জগৎ ও জীবনের প্রতি কবির নির্মম
উদাসীনতা। কবি তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে হারিয়ে নিঃস্ব ও রিক্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে বসন্ত-বন্দনাও তাঁর কাছে অর্থহীন ঠেকে। শুধু
অতীত স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকার এক অবিরাম লড়াই। কবির এই বিষাদময় রিক্ততার সুর উদ্দীপকের কবিতাংশেও অনুরণিত হয়েছে। প্রিয়জন
হারানোর বেদনা মানুষের মর্মমূলে কতটা গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে, তা উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় লক্ষণীয়। উভয়ক্ষেত্রেই
বিচ্ছিন্নতার বেদনাবোধ এবং প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের দিকটিই প্রাধান্য পেয়েছে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
67

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?”

কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-

“দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?

বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?

দখিনা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল?”

“এখনো দেখনি তুমি?” কহিলাম, “কেন কবি আজ

এমন উন্মনা তুমি? কোথা তব নব পুষ্পসাজ?”

কহিল সে সুদূরে চাহিয়া-

“অলখের পাথার বাহিয়া

তরী তার এসেছে কি? বেজেছে কি আগমনী গান? ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই, রাখি নি সন্ধান।”

কহিলাম, “ওগো কবি! রচিয়া লহ না আজও গীতি, বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি- এ মোর মিনতি ।”

কহিল সে মৃদু মধু-স্বরে-

“নাই হলো, না হোক এবারে-

আমারে গাহিতে গান, বসন্তেরে আনিতে বরিয়া-

রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।”

কহিলাম : “ওগো কবি, অভিমান করেছ কি তাই? যদিও এসেছে তবু তুমি তারে করিলে বৃথাই।” 

কহিল সে পরম হেলায়- 

"বৃথা কেন? ফাগুন বেলায় 

ফুল কি ফোটেনি শাখে? পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?

মাধবী কুঁড়ির বুকে গন্ধ নাহি? করে নাই অর্ঘ্য বিরচন?” 

“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?” 

কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”

কহিল সে কাছে সরে আসি -

“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-

গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে

রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে ।”

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews