প্রশ্নোক্ত চরণটিতে কৃষকের সমগ্র অর্জন হিসেবে সোনার ধান মহাকালের তরীতে সমর্পণ এবং সেখানে তাঁর স্থান না পাওয়ার বেদনাবোধ, প্রকাশিত হয়েছে।
আলোচ্য কবিতায় কবি তাঁর উপলব্ধিজাত এক গভীর জীবনদর্শনকে তুলে ধরেছেন। মহাকাল মানুষের কর্মফলকে ধারণ করে, ব্যক্তিমানুষ সেখানে স্থান পায় না। আর তাই মহাকালরূপ মাঝি কৃষকের উৎপাদিত সমস্ত ফসল নিয়ে যায়; কিন্তু কৃষককে গ্রহণ করে না। ফলে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কৃষককে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে কৃষকের কর্মফলরূপী সোনার ধান মহাকালের তরীতে সমর্পণ এবং অপূর্ণতার বেদনাবোধের দিকটি ফুটে উঠেছে।
Related Question
View Allএকজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।
কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!