আমায় নহে গো, ভালোবাসো শুধু, ভালোবাসো মোরগান।
বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।
চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচে গীত- শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি- মাঝে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

চারি দিকে বাঁকা জল খেলা করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত চরণটিতে কৃষকের সমগ্র অর্জন হিসেবে সোনার ধান মহাকালের তরীতে সমর্পণ এবং সেখানে তাঁর স্থান না পাওয়ার বেদনাবোধ, প্রকাশিত হয়েছে।
আলোচ্য কবিতায় কবি তাঁর উপলব্ধিজাত এক গভীর জীবনদর্শনকে তুলে ধরেছেন। মহাকাল মানুষের কর্মফলকে ধারণ করে, ব্যক্তিমানুষ সেখানে স্থান পায় না। আর তাই মহাকালরূপ মাঝি কৃষকের উৎপাদিত সমস্ত ফসল নিয়ে যায়; কিন্তু কৃষককে গ্রহণ করে না। ফলে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কৃষককে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে কৃষকের কর্মফলরূপী সোনার ধান মহাকালের তরীতে সমর্পণ এবং অপূর্ণতার বেদনাবোধের দিকটি ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সঙ্গে উদ্দীপকের বনের পাখি শাশ্বত মানবের কর্মমুখর জীবনের শেষ পরিণতির দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'সোনার তরী' কবিতায় কৃষক, ধান, সোনার তরী প্রভৃতি রূপকের মাধ্যমে মানবজীবনের শাশ্বত বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। কৃষকরূপী মানুষ জীবনভর যেসব কর্ম করে অর্থাৎ সোনার ধান উৎপাদন করে, ব্যক্তির মৃত্যুতে সে সোনার তরীতে ঠাঁই পায় না; তবে তাঁর সোনার ধান ঠিকই রয়ে যায়। ধানরূপী কর্মের মাঝেই কৃষকরূপী মানুষটি বেঁচে থাকে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি ব্যক্তিগত ভালোবাসা না চেয়ে তাঁর সৃষ্টিকর্মের প্রতি ভালোবাসা কামনা করেছেন। কেননা, স্বভাবতই বনের পাখি নয় বরং গানই মানুষকে আকৃষ্ট করে। বনের পাখির স্বভাব গান গাওয়া। মানুষ পাখির গানে মুগ্ধতা প্রকাশ করে, কিন্তু পাখিকে মনে রাখতে চায় না। তেমনি 'সোনার তরী' কবিতায় পৃথিবীতে কৃষকরূপী কবির স্থান হয় না; স্থান হয় তাঁর ধানরূপী কর্মের। তাই উদ্দীপকের বনের পাখি এবং কবিতার কৃষক একে অপরের সমান্তরাল চরিত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

মানুষের দৈহিক মৃত্যুর বিপরীতে কর্মের স্থায়িত্ব বিবেচনায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
'সোনার তরী' কবিতায় রূপকের আশ্রয়ে মানবজীবনের এক পরম বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। কৃষকরূপী মানুষ সোনার ধান ফলায় পৃথিবী নামক শস্যক্ষেত্রে। একদিন মহাকালের ডাকে কৃষককে সোনার তরীরূপী পৃথিবীতে সবকিছু ছেড়ে চলে যেতে হয়। পিছনে রেখে যায় স্বীয় কর্মগাথা। এখানে তার জায়গা হয় না। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বাস্তবতা মেনে নিয়েই আহ্বান জানিয়েছেন যেন তাঁকে নয় বরং তাঁর গানকে ভালোবাসা দেওয়া হয়। কেননা, বনের পাখির গান মানুষকে মুগ্ধ করলেও গান শেষে পাখির প্রতি কারও আকর্ষণ থাকে না। তেমনি চাঁদ নয়, জোছনা সবার কাম্য; একইভাবে গীত শেষে বীণার কদরও শেষ হয়ে যায়।
মানুষ বরাবরই মহাকালের কাছে অপাঙ্ক্তেয়। তার জায়গা পৃথিবীতে খুবই স্বল্পসময়ের জন্য। উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতায় যুগপৎ এই 'সত্য প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দীপকের 'গীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে' 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের নৌকায় জায়গা না হওয়ার বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে। 'সোনার তরী' কবিতার মূলবক্তব্যও তাই। অতএব বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
60


গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। 
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। 
রাশি রাশি ভারা ভারা
 ধান কাটা হলো সারা,
 ভরা নদী ক্ষুরধারা 
খরপরশা-
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ৷৷ 
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা- 
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা ॥ 
পরপারে দেখি আঁকা 
তরুছায়ামসী-মাখা 
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা- 
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ৷৷ 
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! 
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে । 
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ৷।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? 
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যারে খুশি তারে দাও -
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে ॥
যত চাও তত লও তরণী-পরে ।
আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে ॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে- 
এখন আমারে লহো করুণা করে ৷৷
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী 
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।

Related Question

View All
উত্তরঃ

একজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।

কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।

157
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews